কাল থেকে ফিরছেন সাইডলাইনের বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ‍জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর তৃতীয় প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। যেসব কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে সেগুলোর প্রতি বাড়তি নজর দিয়েছে পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা। আজ (১৫ মে) ডিসেম্বর ক্লোজিং ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় শেষ হয়েছে। বাজারের সূচক বাড়া-কমার মূল এই দুই খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের অবস্থা খারাপ হয়েছে। যদিও প্রতিবছর এই দুই খাতের প্রথম প্রান্তিক খারাপ হয়। তারপর আবার ঠিক হয়ে যায়। তাই আজকেই সাইডলাইনের বিনিয়োগকারীরা এসব কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন নিয়ে বিশ্লেষণ করে আগামীকাল থেকে মার্কেটে ফিরবেন-এমনটাই মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, টানা ১০ কার্যদিবস ধরে পুঁজিবাজারে দরপতন হচ্ছে। দৈনিক লেনদেন ও বাজার মূলধন কমেছে উল্লেখযোগ্যহারে। কিছুদিন আগে ৪ লাখ কোটি টাকায় বাজার মূলধন উন্নীত হয়ে রেকর্ড করলেও বর্তমানে ৩ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকায় অবস্থান করছে। মূলত সম্প্রতি প্রকাশিত বেশিরভাগ ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস খারাপ হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এ দুই খাতে আস্থা হারিয়ে ফেলেন। যে কারণে এগুলোর শেয়ার দর কমে যায়। আর বিপুল পরিমাণ শেয়ার ধারণ করা এ দুই খাতের দরপতনে সামগ্রিক বাজারের সূচক ধারাবাহিক নিম্নমুখী হচ্ছে। তবে আজ যেহেতু এগুলোর প্রথম প্রান্তিক প্রকাশের শেষ দিন,তাই কাল থেকেই সাইডলাইনের বিনিয়োগকারীরা ফিরতে শুরু করবে।

পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক দরপতন নিয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে জানান, আসলে বাজারের যারা পলিসি মেকার রয়েছেন তাদের কি আদৌ শেয়ার মার্কেটে ইনভেষ্ট রয়েছে? তারা মূলত সঞ্চয়পত্র কিনে আর বছর বছর ট্যাক্স রিবেট নেয়। জুতা না পড়লেতো বোঝা যাবে না যে কোথায় অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা খুব অসহায়। বাজারে কোনো ভালো কোম্পানি আনতে বিএসইসি উদ্যোগ নিচ্ছে না। ক’দিন পর পরই টেক্সটাইল কোম্পানির অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। আর কিছুদিন পর এগুলোর অবস্থা খারাপ হচ্ছে। শুধুমাত্র টেক্সটাইল কোম্পানি দিয়ে কি শেয়ারবাজার চলবে? বড় বড় মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিকে বাজারে আনতে হবে। ভালো কোম্পানি আসলে অবশ্যই বাজার ভালো হবে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

*

*

Top