মোবাইলে শেয়ার লেনদেন করছে ৩০ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জে (ডিএসই) মোবাইলের মাধ্যমে লেনদেনে করছে (মে মাস শেষে) ৩০ হাজারেরও বেশি বিনিয়োগকারী। প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের সাথে তাল মিলিয়ে গত বছরের ৯ মার্চ থেকে ডিএসই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যেমে লেনদেনের নতুন মাত্রা যুক্ত করে। শুরুতে ব্যাপক প্রচারণা করা হলেও সে তুলনায় অ্যাপসটি ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়নি সব শ্রেণীর বিনিয়োগকারী। তবে বর্তমানে প্রযুক্তিপ্রেমী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অ্যাপভিত্তিক লেনদেনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

ডিএসই জানায়, দেশের পুঁজিবাজার বিকাশের ক্ষেত্রে ৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে সংযোজন হয় ডিএসই মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপ চালুর পর ক্রম বর্ধমান হারে মোবাইলে লেনদেন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলছে যা ২০১৮ সালের মে মাস পর্যন্ত দাঁড়ায় ৩০ হাজার ২৮৫ জনে।

জানা গেছে, ডিএসই-মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা দ্রুত আর্থিক তথ্য পাচ্ছেন। শেয়ার বিক্রি বা ক্রয় সম্পন্ন হলে নোটিফিকেশন পাচ্ছেন। দ্রুত রিস্ক নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পোর্টফোলিও সম্পাদন করতে পারছেন। তাছাড়া সহজেই বিনিয়োগকারী তার পোর্টফোলিও দেখতে পারছেন। এ অ্যাপসের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে ব্রোকারেজ হাউসে ইউজার ফি দিতে হয়।

ডিএসইর কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান ভার্সনটির মাধ্যমে কেবল অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা লেনদেন করতে পারেন। একই সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে শেয়ার কেনাবেচা করা যাবে। বর্তমানে কেবল বাংলাদেশে বসেই এ অ্যাপটি ব্যবহার করা যায়। ডিএসই মোবাইলের আরও উন্নত ভার্সন আনার কাজ করছে ডিএসই। এতে লেনদেন সম্পর্কিত আরও বেশি তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ক্রয় বা বিক্রয় আদেশ দেওয়ার সুবিধা পাবেন অ্যাপ ব্যবহারকারীরা। তবে একটু সময়ের ব্যাপার রয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘ডিএসই মোবাইল’ অ্যাপের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে নিজের বিও হিসাবে সিকিউরিটিজ কেনাবেচার আদেশ দিতে পারছেন। পোর্টফোলিওর রিয়েল টাইম আপডেট থেকে শুরু করে, বিও হিসাবের খুঁটিনাটি তথ্যের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণের জন্য গ্রাফ-চার্টসহ নানা সুবিধা রয়েছে অ্যাপটিতে।

জানা গেছে, ডিএসই-মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা দ্রুত আর্থিক তথ্য পাচ্ছেন। শেয়ার বিক্রি বা ক্রয় সম্পন্ন হলে নোটিফিকেশন পাচ্ছেন। দ্রুত রিস্ক নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পোর্টফোলিও সম্পাদন করতে পারছেন। তাছাড়া সহজেই বিনিয়োগকারী তার পোর্টফোলিও দেখতে পারছেন। এ অ্যাপসের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে ব্রোকারেজ হাউসে ইউজার ফি দিতে হয়।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top