নতুন আইনে যেভাবে কোম্পানি ডিভিডেন্ড দিবে

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বিনিয়োগ পরিকল্পনা ছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি স্টক ডিভিডেন্ড দিতে পারবে না। আর স্টক ডিভিডেন্ডের টাকা কোথায় কীভাবে খরচ করবে বার্ষিক প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করতে হবে।

‘ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যান্ড ডিসক্লোজার’ শিরোনামে এক নির্দেশনায় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এমন শর্ত আরোপ করেছে।

এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি সংশ্নিষ্ট বছরের মুনাফা বা পুঞ্জীভূত মুনাফার বাইরে অন্য কোনো উৎস থেকে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারবে না। এর ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়েছে, মূলধন সঞ্চিতি বা পুনর্মূল্যায়নজনিত সম্পদ বৃদ্ধি বা আনরিয়েলাইজড মুনাফা অথবা আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর আগের কোনো মুনাফা থেকে ডিভিডেন্ড দেওয়া চলবে না।

কমিশনের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো বছরের বা কোনো প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদনে মুনাফা হ্রাস-বৃদ্ধি আগের বছর বা প্রান্তিকের তুলনায় অনেক বেশি হলে তারও ব্যাখ্যা দিতে হবে।

অভন্তরীণ ডিভিডেন্ডের ক্ষেত্রে স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়া যাবে না। আর প্রান্তিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে হবে। ঘোষিত অভ্যন্তরীণ ডিভিডেন্ড কোনভাবেই পরিবর্তন করা যাবে না।

প্রান্তিক প্রতিবেদন ও অভ্যন্তরীণ ডিভিডেন্ড ঘোষণা সংক্রান্ত বোর্ড মিটিং ৩ কার্যদিবস পূর্বে স্টক এক্সচেঞ্জকে জানাতে হবে। প্রান্তিক প্রতিবেদন নিয়ে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত কনফারেন্স করতে চাইলে বোর্ড সভায় প্রতিবেদন অনুমোদনের সাত দিনের মধ্যে এর আয়োজন করতে হবে। আর কনফারেন্স অনুষ্ঠানের তিন দিন পূর্বে জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় নোটিশ আকারে প্রকাশের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের জানাতে হবে। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জ ও কমিশনকেও কনফারেন্স আয়োজনের বিষয়টি জানাতে হবে।

কনফারেন্সে কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা এবং হেড অব অডিট কমপ্লায়েন্স উপস্থিত থেকে শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিবেন।

এছাড়া আর্থিক প্রতিবেদন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং, ২০১৫ আইন, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড ও ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড মেনে তৈরি করতে হবে।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

Top