অর্ধবার্ষিকে কাত্তালি টেক্সটাইলের ইপিএস ৯২ শতাংশ বেড়েছে

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া কাত্তালি টেক্সটাইল লি: ২০১৭-২০১৮ হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

জুলাই ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিদেবন অনুযায়ী কোম্পানিটি ৩২ কোটি ৬১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করেছে এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ০.৯৬ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ২৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করেছিল এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ০.৫০ টাকা। আলোচিত সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৯২ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে অক্টোবর ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ০.৪৯ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ০.২৭ টাকা। আলোচিত সময়ের ব্যবধানে ইপিএস বেড়েছে ৮১.৪৮ শতাংশ।

অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২১.৪৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৪৭ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৫৫ কোটি টাকা। আর আইপিও এর মাধ্যমে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পেয়েছে। এ টাকা কোম্পানিটি বিল্ডিং কন্সট্রাকশনে ১৭ কোটি ২৭ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৬ টাকা, যন্ত্রপাতি ও ইক্যুইপমেন্ট ক্রয়ে ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৮৭ হাজার ৫৪০ টাকা, কর্মচারীদের ডর্মিটোরি তৈরিতে ২ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৭৯৪ টাকা, ওয়ান ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৭৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫০ টাকা এবং আইপিও খরচে ১ কোটি ৯১ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয় করবে। আইপিও ফান্ড পাওয়ার ২৪ মাসের মধ্যে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করবে কোম্পানিটি।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লি:।

৩০ জুন, ২০১৭ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির পণ্য বিক্রি হয়েছে ৫৯ কোটি ৫২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছে ১.৯৪ টাকা। এছাড়া এনএভি হয়েছে ২০.৪৮ টাকা।

এর আগের বছর অর্থাৎ ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানিটির মোট ৪৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে এবং ইপিএস ১.০৫ টাকা।

২০০৪ সাল থেকে উৎপাদন শুরু করা কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেডে কোম্পানিতে রূপান্তর হয়েছে ২০১৬ সালে।

বর্তমানে কোম্পানিটির গার্মেন্টস এন্ড ওভেন উৎপাদন ক্ষমতা ৪ লাখ ৪ হাজার ২৫০ পিস। আর উৎপাদন করছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৮২ পিস।

আইপিও প্রজেক্ট সম্পন্নের পরে কোম্পানির উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৫ লাখ ৭০ হাজার পিস। আর উৎপাদন হবে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮২ পিস।

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top