জাঙ্কই এখন বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিক!

যেকোন দেশের অর্থনীতির মানদন্ডের পরিমাপ করা হয় শেয়ার বাজারের লিস্টেড কোন্পানির আর্থিক অগ্রগতির পরিমাপের উপর। মোট কথা বাজারের লিস্টেড কোন্পানির শেয়ারের দাম দেখেই সেই কোন্পানির আর্থিক অবস্হা বিবেচনা করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে তার ১% ও মিল নেই ।

কথায় আছে নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল। আর এই প্রবাদটি আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে অতি মূল্যবান হয়ে উঠেছে। যার জলন্ত প্রমান দেশের শেয়ার বাজারে এখন প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। বিষয়টি এখন খুলে বলি, অনেক দিন ধরেই সব পক্ষের চেষ্টার পরও স্হিতিশীল বাজার আসেনি। সাময়িক আসলেও তা থেকে ৯০% বিনিয়োগকারী তার সুফল ভোগ করতে পারেননি। অথচ মজার বিষয় হলো সেই অস্হিতিশীল বাজারে এবার বেশ কিছু দিন আমরা যাকে জান্ক বা লো-পেইড আপের শেয়ার বলি সেই শেয়ার গুলোতেই অন্তত ৪০% বিনিয়োগকারী তাদের মূলধনকে এই ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ করে অনেকাংশেই লাভ করে মূলধন বাড়াতে পেরেছে।

এমন কি এর প্রভাবে অনেক ফান্ডামেন্টাল শেয়ারগুলোও মুভ করেছে। অনেক চেষ্টা করেও যখন কর্তৃপক্ষ বাজারে বিনিয়োগকারীদের সফলতা অর্জন করাতে পারেননি তখন এই লো-পেইড আপ বা এই জাঙ্কই এখন বিনিয়োগকারীদের অস্হার প্রতিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা সত্যি যে, এসব শেয়ার যে কোন সময় রিস্কের। কিন্তু আমাদের দেশের পরিস্থিতিতে তা মানান সই। কারন শেয়ার বাজারের ১০ বছরের আগের ফান্ডামেন্টাল শেয়ারগুলোর দাম তখন কি ছিল আর বর্তমানে কি আছে একবার দেখলেই বুঝতে পারা যাবে।

বরং দামের দিক থেকে লো-পেইডগুলোর দামই বেড়েছে ৯০%। কিন্তু ফান্ডামেন্টালগুলোর দাম দেখলে বুঝা যাবে ৯০% শেয়ারগুলোতেই দাম কমেছে। তাই বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণভাবে কর্তৃপক্ষের বিবেচনা করে পরবর্তী আইপিও শেয়ার লিস্টেড করার ক্ষেত্রে বড় পেইড আপ এর সাথে লো-পেইড আপের এর বিবেচনা করা উচিত।

লেখক:

মোঃ আব্দুল মতিন চয়ন

ইনভেষ্টর

গ্লোব সিকিউরিটিজ লিঃ রাজশাহী

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top