প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৫ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স গত ৫ বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানিটিকে জরিমানা করে চিঠি পাঠায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কোম্পানিটি জরিমানা দিতে অসম্মতি জানিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করেছে ডিএসইতে। কোম্পানিটি ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ডিএসইতে জমা দিয়েছে।

কোম্পানিটির ২০১৮ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’১৮) প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় প্রিমিয়াম আয় বেড়েছিল ২৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। আর তহবিলের পরিমাণ ছিল ২৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির ২০১৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’১৭) প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় প্রিমিয়াম আয় কমেছিল ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকার। আর তহবিলের পরিমাণ ছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২০১৭-জুন’২০১৭) এক কোটি টাকার প্রিমিয়াম আয় কমেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির প্রিমিয়াম আয় কমেছিল ৩ কোটি ৬১ লাখ টাকার। একই সময়ে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ২৬৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

এদিকে ৬ মাসে কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় কমেছে ৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকার। আর তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। আগের বছর একই সময় ছিল ৫ কোটি ৬ লাখ টাকার। আর তহবিলের পরিমাণ ছিল ২৬৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’১৭) কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় কমেছে ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

আর ৯ মাসে কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় কমেছে ১৮ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ২৭০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৭৫ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭৭৬টি শেয়ারের মধ্যে ৫৭.৬০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে, ২২.৯৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে এবং ১৯.৪৪ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০১২ সালে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিলো।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

Top