আওয়ামী লীগের ১৭ জন নেতা কর্মী হাসপাতালে – ওবায়দুল কাদের

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ছাত্র-ছাত্রীদের পোশাক পরে কিছু দুর্বৃত্তদের হামলায় আওয়ামী লীগের ১৭ জন নেতা-কর্মী হাসপাতালে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, হাসপাতালে আপনার যাওয়ার সময় এ মুহূর্ত্বে দেখে যাবেন, আমরা কি রাজনৈতিকভাবে তালিকা প্রকাশ করছি নাকি সত্যিকার অর্থেই তারা আহত আছেন। আহতদের ১৭জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এরা হলেন: ৩৪ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট রবিউল আলম, আদাবর থানার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হাসান চৌধুরী রনি, ধানমন্ডি থানার ছাত্রলীগের সদস্য মনিম হাওলাদার, তারেকুল ইসলাম, রানা, ৪৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সদস্য আনোয়ার হোসেন, ১৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মির্জা বাবুল, টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ছাত্রলীগের সদস্য মোরসানিল, সাবেক ছাত্রনেতা জোবায়ের, ঢাকা কলেজের জনি হাসান, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের প্রকাশ সরকার, ছাত্রলীগের সদস্য মো: সোহাগ, বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুবেল হাওলাদার, তানভীর সাব্বির, সাবেক ছাত্রনেতা আবু হানিফ, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক মামুন এবং ছাত্রলীগের সদস্য ইমরান।

এই ১৭জনই হাসপাতালে আছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর ১টায় এক শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার গুজব শুনে সাইন্সল্যাব এলাকা থেকে কিছু শিক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হয়ে ধানমন্ডিতে অবস্থিত আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের দিকে ছুটে যায়। এসময় কার্যালয় লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে শিক্ষার্থীরা। তখন কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বের হয়ে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। এতে আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে। দেড় ঘণ্টা ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া চলতে থাকে। পরে বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এসময় কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল ছোড়া হয়।

সংঘর্ষের সময় গুলি ছোড়ার দাবিও করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ। তবে কারা গুলি ছুড়েছে তা তারা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, দুজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটকে বেধড়ক মারধরের পর ধানমন্ডি থানার দিকে এবং আরেকজন শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের নেতারা বেধড়ক মারধর করে দলীয় অফিসের দিকে নিয়ে গেছে। তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানানো সম্ভব হয়নি।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত ধৈর্য ধরে আছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি দেখে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো।’

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top