ডি-লিষ্টিং করার জন্য ১৩ কোম্পানিকে চিহ্নিত করেছে ডিএসই

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ডি-লিষ্টিং করার জন্য ১৩ কোম্পানিকে চিহ্নিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এসব কোম্পানি ৫ বছরের অধিক সময় ধরে ক্যাশ/স্টক কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড না দেওয়ায় এগুলোকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিষ্টিং) রেগুলেশন,২০১৫ এর ৫১ (১) (এ) ধারায় পর্যবেক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। কোম্পানিগুলো হলো: বেক্সিমকো সিনথেটিকস, দুলামিয়া কটন, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ইমাম বাটন, জুট স্পিনার্স, কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাষ্ট্রিজ, মেঘনা পেট ইন্ডাষ্ট্রিজ, সমতা লেদার কমপ্লেক্স , সাভার রিফ্যাক্টরীজ, শাইনপুকুর সিরামিকস, শ্যামপুর সুগার মিলস এবং জিলবাংলা সুগার মিলস লিমিটেড।

জানা যায়, রহিমা ফুড ও মডার্ন ডাইংয়ের তালিকাচ্যুতির পর আরো ১৩ কোম্পানি তালিকাচ্যুতির জন্য চিহ্নিত করেছে ডিএসই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিষ্টিং) রেগুলেশন,২০১৫ এর ৫১ (১) (এ) বলা হয়েছে, যদি কোনো কোম্পানি তার সর্বশেষ ডিভিডেন্ড দেওয়ার পর ৫ বছর ধরে ডিভিডেন্ড দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে ডিএসই চাইলে কোম্পানিকে ডি-লিষ্টিং করতে পারে।

জানা যায়, উল্লেখিত কোম্পানিগুলো ডিএসই কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ করবে। এগুলোর পরিচালনা পর্ষদ, কোম্পানির বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যত সম্ভাবনা ইত্যাদি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ডিএসই’র পক্ষ থেকে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, উল্লেখিত কোম্পানিগুলো মধ্যে বেক্সিমকো সিনথেটিকস কোম্পানিটি বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৯৩ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

দুলামিয়া কটন  কোম্পানিটি বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৮৯ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

আইসিবি ইসলামী ব্যাংক কোম্পানিটি বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৯০ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

ইমাম বাটন বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৯৬ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ২০০২ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

জুট স্পিনার্স সর্বশেষ ২০১২ সালে ২০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। এরপর থেকে উৎপাদন বন্ধের কারণে কোম্পানিটি আর কোনো ডিভিডেন্ড দেয়নি। ১৯৮৪ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৯৬ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ২০০১ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

মেঘনা পেট বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ২০০১ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

সমতা লেদার বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৯৮ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

সাভার রিফ্যাক্টরীজ বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৮৮ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

শ্যামপুর সুগার বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৯৬ সালে সরকারি এই কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

শাইনপুকুর সিরামিকস বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ২০০৮ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

জিলবাংলা সুগার মিলস বিগত ৫ বছর ধরে কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ১৯৮৮ সালে সরকারি এই কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top