ডিএসই লিস্টিং রেগুলেশনস: পর্ব-২

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকেই লিস্টিং রেগুলেশনস মেনে চলতে হয়। শেয়ারবাজার শিক্ষা এই বিভাগে আজকের পর্বটি সাজানো হয়েছে “ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিষ্টিং) রেগুলেশনস,২০১৫” এই প্রবিধানটি নিয়ে। পাঠকের ধৈর্য্যচ্যুতির বিষয়টি লক্ষ্য রেখে সম্পূর্ণ এই প্রবিধানটি বিভিন্ন পর্বে প্রকাশ করা হবে। আজ ২য় পর্ব দেওয়া হলো: প্রথম পর্বের লিঙ্ক

০২. লিস্টিং অব সিকিউরিটি

০৩. পাবলিক অফার ডকুমেন্টসে সুপারিশ:

১। পাবলিক অফারের (গণ প্রস্তাব) উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধি-বিধান যেমন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস,২০০৬ অথবা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা,২০০১ অথবা সময়ে সময়ে প্রণীত বিভিন্ন রুলস, রেগুলেশনস এবং নোটিফিকেশন এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দ্য এক্সচেঞ্জ (স্টক এক্সচেঞ্জ) পাবলিক অফার ডকুমেন্টস বা ইনফরমেশন প্রাপ্তির ২০ দিনের মধ্যে চেকলিস্টসহ কমিশনের নিকট প্রাথমিক সুপারিশ প্রেরণ করবে।

০২। দ্য এক্সচেঞ্জ (স্টক এক্সচেঞ্জ) কমিশনের অবগতিতে ১০ দিনের মধ্যে ইস্যুয়ার (কোম্পানি) অথবা এর পরিচালকবৃন্দ, অফিসার্স, ইস্যু ম্যানেজার, অডিটর, ভ্যালুয়ার এর কাছ থেকে প্রয়োজনে অতিরিক্ত ডিসক্লোজার, ইনফরমেশন, ডকুমেন্টস, সার্টিফিকেশন এবং ক্লারিফিকেশন সরবরাহ করতে অথবা প্রসপেক্টাসে অথবা বিক্রির অফারে প্রকাশ করাতে চাইতে পারে।

০৩। অতিরিক্ত ডিসক্লোজার, ইনফরমেশন, ডকুমেন্টস, সার্টিফিকেশন এবং ক্লারিফিকেশন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে দ্য এক্সচেঞ্জ (স্টক এক্সচেঞ্জ) কমিশনের নিকট প্রেসক্রাইবড অনুসারে (তফসিল-এ, এনেক্সার-১) বিবৃতিসহ চূড়ান্ত সুপারিশ প্রেরণ করবে।

০৪. লিস্টিংয়ের জন্য আবেদন:

০১। রেগুলেশনসে নির্ধারিত ফিস এর সঙ্গে কোম্পানি অথবা ইস্যুয়ার অথবা সিকিউরিটিজের পক্ষে যা প্রেসক্রাইবড ফর্মে উল্লেখ করা রয়েছে, লিস্টিংয়ের জন্য আবেদন করবে।

০২। দ্য এক্সচেঞ্জ (স্টক এক্সচেঞ্জ) অতিরিক্ত প্রমাণপত্র, ঘোষণাপত্র, অনুমোদন এবং তথ্য চাওয়ার পাশাপাশি লিস্টিং আবেদনের সঙ্গে যৌক্তিক ও প্রাসঙ্গিক হয় এমন ফর্ম পূরণ করার জন্য চাইতে পারে এবং লিস্টিংয়ের জন্য যথাযথ আবেদনের উদ্দেশ্যে দ্য এক্সচেঞ্জ কর্তৃক বিবেচনাধীন এসব রিক্যুইজিশন প্রেসক্রাইবড রিক্যুইজিশনস হিসেবে বিবেচিত হবে।

০৩। সাব-রেগুলেশনস (২) অনুসারে যদি অতিরিক্ত তথ্য প্রেরণ করা না হয় তাহলে দ্য এক্সচেঞ্জ (স্টক এক্সচেঞ্জ) আবেদনটি বিবেচনার জন্য স্থগিত বা প্রত্যাখান করতে পারে, কোন ক্ষেত্রে আবেদনটি রিফিউজড (প্রত্যাখাত) হিসেবে নিষ্পত্তি হবে। তা সত্ত্বেও, স্টক এক্সচেঞ্জের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, আবেদন প্রত্যাখাত হওয়ার ৬ মাস পর আবেদনকারী পুনরায় ফ্রেস আবেদনপত্র প্রেরণের পদক্ষেপ নিতে পারে।

০৪। দ্য এক্সচেঞ্জের প্রয়োজন অনুসারে (সময় সময়) আবেদনকারী সিকিউরিটিজ লিস্টিংয়ের জন্য পরিপূর্ণ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করবে এবং লিস্টিং আবেদনের সঙ্গে যৌক্তিক ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় উপস্থাপন করবে।

০৫. লিস্টিংয়ের অনুমোদন:

(১) তালিকাভুক্ত না হলে এবং এই প্রবিধানগুলোতে (রেগুলেশনস) অনুমোদিত নয় এমন কোনো লেনদেন বা ব্যবসা দ্য এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং সিস্টেমে অনুমোদিত নয়।

(২) এই প্রবিধানের প্রেসক্রাইবড অনুসারে সিকিউরিটিজের ইস্যুয়ার আবেদন করলে সাব-রেগুলেশন (১) এর আওতায় অনুমতিটি মঞ্জুর করা যেতে পারে এবং দ্য এক্সচেঞ্জ অনুমতিটি মঞ্জুর করবে।

(৩) সাবস্ক্রিপশন লিস্ট শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে দ্য এক্সচেঞ্জ লিস্টিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

(৪) যে কোন সিকিউরিটিজ লিস্টিংয়ের ক্ষেত্রে দ্য এক্সচেঞ্জ চাইলে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত যেকোন প্রয়োজন/বিধান থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারে।

তবে শর্ত থাকে যে, স্টক এক্সচেঞ্জের নিজস্ব সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশন ঐ লিস্টিং মঞ্জুর, স্থগিত বা প্রত্যাখানের ক্ষমতা রাখে।

 

পরবর্তী পর্বে থাকছে, ‘সিকিউরিটিজ লিস্টিংয়ের ক্ষেত্রে যেসব ডকুমেন্টস জমা দিতে হয়’

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top