ইক্যুইটি মাইনাসে লেনদেনে নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: নিজেদের পোর্টফলিওতে ইক্যুইটি মাইনাসের কারণে লেনদেন করতে পারছেন না অধিকাংশ বিনিয়োগকারী। নতুন করে নগদ টাকা হাউজে জমা দিলে তা ইক্যুইটি মাইনাসের সঙ্গে সমন্বয় হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বেশিরভাগ সিকিউরিটিজ হাউজে পুনরায় শেয়ার কেনার জন্য টাকার লিমিট বাড়িয়ে দিচ্ছে না। ফলে নতুন করে টাকা জমা দিয়েও লেনদেনে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ইক্যুইটি মাইনাসের কারণে নতুন করে বিনিয়োগে আসছে না অনেক বিনিয়োগকারী। বিভিন্ন সিকিউরিটিজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বর্তমানে শেয়ারবাজারে দৈনিক লেনদেনের ৯৫ শতাংশই স্টক ডিলার ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দিয়ে হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী যে পরিমাণ লোকসানে রয়েছেন তাতে লেনদেন করার মতো সামর্থ্য তাদের নেই। এছাড়া হাতে নগদ টাকা না থাকায় নতুন করে বিনিয়োগও তারা করতে পারছেন না। ফলে শেয়ারবাজারে দৈনিক লেনদেনের ৯৫ ভাগই নির্ভর করছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপর। মো. আকরামুল ইসলাম নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, যেভাবে বাজার এগুচ্ছে তা স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত বহন করে। বর্তমানে অধিকাংশ মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার দর এতো নিচে যে বিনিয়োগ করলে লাভ নিশ্চিত। কিন্তু হাতে টাকা না থাকায় বিনিয়োগ করতে পারছেন না তিনি। তবে বাজারের ঊর্ধ্বমুখীতায় তার লোকসানের পরিমাণ কমছে বলে জানান আকরামুল। অন্যদিকে রফিকুল ইসলাম নামে আরেক বিনিয়োগকারী বলেন, তার অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ লাখ টাকা ইক্যুইটি মাইনাসে রয়েছে। নতুন করে ৫ লাখ টাকা হাউজে জমা দিলে ইক্যুইটি সঙ্গে সমন্বয় হয়ে মাইনাস ৫ লাখ টাকায় এসেছে। কিন্তু নতুন করে ৫ লাখ টাকা হাউজে জমা দেয়া হলেও হাউজ কর্তৃপক্ষ শেয়ার কিনতে দিচ্ছে না। হাউজ থেকে বলা হচ্ছে, ইক্যুইটি প্লাস না পর্যন্ত শেয়ার কেনা যাবে না। এভাবে লেনদেন করতে পারছেন না রফিকুল।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top