শেয়ারবাজারে নতুন “A+” ক্যাটাগরি করা হোক

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় শেয়ার বাজার এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা গুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপায়ে তাদেরকে অনেক সুযোগ ও সুবিধা এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। কিন্তু আমাদের দেশের শেয়ার বাজারে তা ব্যাতিক্রম। যদিও আমাদের শেয়ার বাজারে অনেক দিন ধরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সচেতন এবং নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তবুও এই চেষ্টা কে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী বাজার গঠনের জন্য বর্তমানে সময়োপযোগী কিছু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

আর এই সিদ্ধান্তটি হল স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেনে একটা নতুন ক্যাটাগরি সংযোজন করা। বর্তমানে প্রতিটি কোম্পানির বোনাস ঘোষণার উপর কোম্পানির ক্যাটাগরি নিধারিত হয় । ১০% বা অধিক ডিভিডেন্ড এর ক্ষেত্রে A এবং ১০ এর নিচে ডিভিডেন্ড দেওয়া হলে B ধরা হয় কিন্তু উভয় গ্রুপের ক্ষেত্রেই শেয়ার ম্যাচিউরড ডেট T+2 ধরা হয়।

নতুন ভাবে কোন শেয়ার লিস্টেড হলেও একই ভাবে শেয়ার ম্যাচিউরড ডেট ধরা হয়। শুধু “N” ক্যাটাগরি নামে নতুন নাম দেওয়া হয়। অপর দিকে কোন কোম্পানি যদি কোন বছর ডিভিডেন্ড ঘোষণা না দেয় তবে সেটা যেই গ্রুপেই থাকুক সেটিকে “Z” নামিয়ে দেওয়া হয় এই গ্রুপ এর ক্ষেত্রে T+9 ম্যাচিউরড ডেট ধরা হয় ।

তাই এই গতানুগতিক ধারা বজায় রেখে নতুন ভাবে একটা ক্যাটাগরি সংযোজন করা অত্যন্ত জরুরি। “A+” ক্যাটাগরি যার মাচিউড ডেট হবে T+1 এবং এই গ্রুপের ক্ষেত্রে যেকোন কোম্পানিকে কমপক্ষে ৪০% ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে হবে।

আমরা জানি শেয়ার বাজারে ক্যাশ ডিভিডেন্ড বাজারে তারল্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারী দের উপকৃত করে এবং কোম্পানির সম্মান বৃদ্ধি পায় । আর বিনিয়োগকারীরা মনে করে, বর্তমানে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং এই সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত সুখবর এবং শেয়ার বাজারে আমূল পরিবর্তন আনবে। তাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তটি নেওয়া সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

লেখক ও শেয়ার গবেষকঃ মোঃ আব্দুল মতিন চয়ন ।

ইনভেষ্টার -গ্লোব সিকিউরিটিজ লিঃ রাজশাহী।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

One Comment;

Leave a Reply to Morshed Cancel reply

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top