পর্যবেক্ষণে পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: টানা তিন কার্যদিবস ধরে পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন চলছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এসব দরপতনে অস্থির হয়ে পড়েছে। দৈনিক লেনদেন ও বাজার মূলধন কমেছে উল্লেখযোগ্যহারে। জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর ডিভিডেন্ড সিজনেও বাজারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছেন বিনিয়োগকারীরা। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন পোর্টফোলিও ম্যানেজাররা। দেশে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে বেশিরভাগ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী সাইডলাইনে রয়েছেন। এ অবস্থায় বাজার উত্তোরণের জন্য অনতিবিলম্বে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগিরা।

জানা যায়, টানা তিন কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১৪৭ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়েছে। দৈনিক ৮০০ কোটি টাকার লেনদেন ৫০০ কোটির ঘরে নেমে এসেছে। এছাড়া বাজার মূলধন কমেছে ৬ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক দরপতন নিয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে জানান, আসলে বাজারের যারা পলিসি মেকার রয়েছেন তাদের কি আদৌ শেয়ার মার্কেটে ইনভেষ্ট রয়েছে? তারা মূলত সঞ্চয়পত্র কিনে আর বছর বছর ট্যাক্স রিবেট নেয়। জুতা না পড়লেতো বোঝা যাবে না যে কোথায় অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা খুব অসহায়। বাজারে কোনো ভালো কোম্পানি আনতে বিএসইসি উদ্যোগ নিচ্ছে না। ক’দিন পর পরই টেক্সটাইল কোম্পানির অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। আর কিছুদিন পর এগুলোর অবস্থা খারাপ হচ্ছে। শুধুমাত্র টেক্সটাইল কোম্পানি দিয়ে কি শেয়ারবাজার চলবে? বড় বড় মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিকে বাজারে আনতে হবে। ভালো কোম্পানি আসলে অবশ্যই বাজার ভালো হবে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top