স্থানীয় বাজারে নামছে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড এখন থেকে দেশিয় বাজারেও তাদের জুতা বিক্রি করবে সেই লক্ষ্যে কোম্পানিটি ইতিমধ্যে সব ধরণের পরিকল্পনা শেষ করেছে কোম্পানির এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। এছাড়া আগের চেয়ে কোম্পানিটির ফ্যাক্টরীর ক্যাপাসিটি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে

জানা যায়, স্থানীয় বাজারে তাদের পণ্য বিক্রির জন্য নানা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে অপেক্ষাকৃত অনেক কম দামে পণ্য বিক্রি করা, অনলাইন মার্কেটিং, কাস্টমারদের জুতা মেইনটেন্যান্সের জন্য রিপেয়ার বা রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা দেওয়াসহ নানা পরিকল্পনায় বাস্তবায়নে কাজ করছে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার

এ ব্যাপারে কোম্পানির ব্যবস্থানপনা পরিচালক কাজী রাফি আহমেদ শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে জানান, স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রির জন্য আমরা ইউনিট আলাদা করছি। এজন্য আলাদা ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করতে হচ্ছে। একটু ভিন্ন ধারায় আমরা লোকাল মার্কেটে নামবো। যেখানে ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ন্যূনতম রেখে টার্নওভার কিভাবে বাড়ানো যায় সেই কাজ করা হবে। সামনে আমাদের লোকাল মার্কেটে জুতা বিক্রির মধ্যে লিগ্যাসির শেয়ারহোল্ডারদেরও সম্পৃক্ত করা হবে। আমাদের কোম্পানিতে প্রায় হাজার শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন তাদের ডিভিডেন্ড দেওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় কম দামে পণ্য দেওয়া হবে। সেটাও এক প্রকার ডিভিডেন্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। তারপর অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা হবে। আমরা এমন একটি পরিকল্পনা করেছি যে, কোনো কাস্টমার জুতার কেনার পর সেটির মেইনটেনেন্স এর জন্য সার্ভিস দেওয়া হবে। দেখা গেলো কোনো কাস্টমার একটি জুতা কেনার পর তার জুতার সোল খুলে গেলো, তখন তার জুতাকে রিপেয়ার করে দেওয়া অথবা রিপ্লেস করে দেওয়া হবে। এটি জাপানিজদের কাছ থেকে শেখা বলে জানান তিনি।

অন্যান্য বছরের তুলনায় গতবছর ভালো ডিভিডেন্ড দেওয়া প্রসঙ্গে কাজী রাফি আহমেদ বলেন, গতবছর আমাদের শেষ কোয়ার্টারে খুব ভালো বিজনেস হয়েছিল। আমরা অনেকদিন ধরেই একটা কাস্টমারের জন্য চেষ্টা করছিলাম। কাস্টমার আমাদের খুব ভালো ব্যবসা দিয়েছে। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে আমরা ফ্যাক্টরী সংস্কার করেছি। যার ফলে ক্যাপাসিটি বেড়েছে। যে কারণে অর্ডার আসার পর আমরা খুব দ্রুত ডেলিভারি দিতে পেরেছি। সেই অর্ডার এখনো চলছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এখন দুই হাজার পেয়ার জুতা তৈরি হচ্ছে। ক্যাপাসিটি বেড়েছে। এক শিফটেই এক হাজার পেয়ার জুতার সঙ্গে আরো এক হাজার সেন্ডেল তৈরির ক্যাপাসিটি বাড়ানো হয়েছে। আমরা যদি শিফট বাড়াতে পারি তাহলে এর ক্যাপাসিটি আরো বাড়বে। বর্তমানের ফ্যাক্টরীর আয়তন সাড়ে ২৩ হাজার স্কয়ার ফিট। আমাদের ছয় তলা ফাউন্ডেশন করা রয়েছে। আমরা মাত্র এক তলায় রয়েছি। এটাকে ভার্টিক্যাল এক্সপানসন করলে প্রত্যেক ফ্লোরে ১৮ হাজার ৫০০ স্কয়ার ফিট বাড়ানো সম্ভব। প্রায় লাখ স্কয়ার ফিট আরো বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া আমাদের সামনে পেছনে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। ওইখানেও বিল্ডিং করা যাবে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top