প্রথমদিনে কাট্টালি টেক্সটাইলে ১৪৬ শতাংশ মুনাফা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: লেনদেনের শুরুর প্রথম দিনেই কাট্টালি টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ার থেকে ১৪৬ শতাংশ মুনাফা পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ১০ টাকা দরের কোম্পানির শেয়ার দর আজ ২৪.৪০ টাকায় ক্লোজিং হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, লেনদেনের প্রথম দিন শেষে ঢাকা স্টক একচেঞ্জে (ডিএসই) কাট্টালি টেক্সটালের শেয়ার দর ১৪.৬০ টাকা বা ১৪৬ শতাংশ বেড়েছে। কোম্পানির শেয়ার দর আজ ২৫ টাকায় ওপেন হলেও দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৪.৪০ টাকায় ক্লোজিং হয়। সারাদিন কোম্পানির শেয়ার দর ২২ টাকা থেকে ২৯.৯০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। এদিন কোম্পানির ৮৩ লাখ ৯১ হাজার ৯৭৯টি শেয়ার মোট ১৪ হাজার ৮৪০ বার হাত বদল হয়। যার বাজার দর ২০ কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে (সিএসই) কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে ১৩.৯০ টাকা বা ১৩৯ শতাংশ। ১০ টাকা দরের কোম্পানির শেয়ার দর আজ ২০ টাকায় ওপেন হয়। সারাদিন কোম্পানির শেয়ার দর ২০ টাকা থেকে ২৬ টাকায় পর্যন্ত ওঠানামা করে। তবে দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর ক্লোজিং হয় ২৩.০৯০ টাকায়। সিএসইতে প্রথমদিনে কোম্পানির ২৭ লাখ ৭৯ হাজার ৬৭১টি শেয়ার ৬ হাজার ৩৯২ বার হাতবদল হয়। যার বাজার দর ৬ কোটি ৭২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।

এদিকে, ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৫ টাকা। ৩০ জুন ২০১৮ কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২.৪৩ টাকায়।

“এন” ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করা কাট্টালি টেক্সটাইলের ট্রেডিং কোড “KTL”। ডিএসইতে কোম্পানিটির কোম্পানি কোড ১৭৪৮০। আর সিএসইতে কোম্পানিটির কোম্পানি কোড ১২০৬৮।

এর আগে গত ৩০ অক্টোবর কাট্টলি টেক্সটাইল লিমিটেডের আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর কোম্পানির আইপিও লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আর গত ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

গত ২৬ জুন কাট্টলি টেক্সটাইল লিমিটেডকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি ৪০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ৩৪ কোটি টাকা তোলার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। উত্তোলিত টাকা দিয়ে কোম্পানিটি কারখানার ভবন নির্মান, কর্মচারীদের ডরমেটরি ভবন নির্মাণ, নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২০.৪৮ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৪ টাকা।

উল্লেখ, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এনআরবি ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

Top