চ্যালেজিং রপ্তানী বাজারে এপেক্স ফুটওয়্যারের ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বিশ্ব রপ্তানী বাজার অত্যন্ত চ্যালেজিং অবস্থায় থাকা সত্বেও এপেক্স ফুটওয়্যার ২০১৭-১৮ সালে প্রায় ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান কোম্পানির চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী। আজ (১৪ নভেম্বর) বুধবার কোম্পানির ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সভাপতিত্ব বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় তিনি বলেন, বিশ্ব রপ্তানী বাজার অত্যন্ত চ্যালেজিং অবস্থায় থাকা সত্বেও এপেক্স ২০১৭-১৮ সালে প্রায় ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। শুধু বিশ্ব বাজারে কোম্পানিটি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেনি স্থানীয় বাজারে কোম্পানিটি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৭-১৮ সালে এপেক্স ফুটওয়্যার স্থানীয় বাজারে প্রায় ১২ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বিশ্বে সিনথেটিকস এবং টেক্সটাইল পাদুকার উত্থানের ফলে বিশ্বে চামড়াজাত পাদুকার বাজার হুমকির মুখে আছে। এর মধ্যে থেকেও এপেক্স ফুটওয়্যার রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশে চামড়া বা চামড়াজাত পাদুকা শিল্প ইতিমধ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানী খাতে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে এপেক্স ফুটওয়্যার রপ্তানিতে অসংখ্যা ভুমিকা পালন করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন এপেক্স ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালনা (এমডি) সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তিনি সভায় কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ও স্থানীয় বাজার প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে বক্তব্য জ্ঞাপন করেন।

এজিএমে অসংখ্যা শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎতে সিনথেটিকসের পণ্য উৎপাদন করবে কিনা কোম্পানির কাছে জানতে চায়। আর এ বিষয়ে কোম্পানির (এমডি) সৈয়দ নাসিম মনজুর শেয়ারহোল্ডারদের বলেন, আমাদের কোম্পানি সব জায়গায় চামড়া ব্যবসা নামে পরিচিত। তাই বর্তমানে আমরা সিথেটিকস ব্যবসা নিয়ে চিন্তা করছি না। চামড়া ব্যবসা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাচ্ছি এবং পন্যের মান বৃদ্ধির প্রতি বেশি আগ্রহ দিচ্ছি।

সভায় শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির আর্থিক নিরীক্ষা সচ্ছলতা, বিক্রয় বৃদ্ধি ও ২০১৭-১৮ সালে ভাল ডিভিডেন্ড দেওয়ায় কোম্পানি পরিচালনা পর্ষদকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। সভায় শেয়ারহোল্ডাররা বলেন, আপনারা যে ডিভিডেন্ড দিয়েছেন তা আমাদের আস্থায় আলো জাগিয়েছেন। এই ডিভিডেন্ড হার প্রতিবছর ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। আর যদি ধরে রাখতে না পারেন তাহলে আমাদের মত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পথে বসতে হবে।

এজিএমে কোম্পানিটির ঘোষিত ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডাদের সম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। এছাড়া এজিএমে আরো ৫টি আলোচ্যসূচি (এজেন্ডা) অনুমোদিত হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালক মুনিজি মঞ্জুর, স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ ফারাসউদ্দিন, ডিএমডি এবং সিইও (ইউনিট-১) আব্দুল মমেন ভূইয়ান, সিইও (ইউনিট-২) রাজেন্দর চন্দন পিলাই, সিএফও দিলীপ কাজুরি, সিও সুদারসন রেডি, সিসিও সৈয়দ মাসুদ নিজাম এবং কোম্পানির সেক্রেটারি এস এম শাহজাহান।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

Top