১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়ায় ১৭ কোম্পানি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: মূলধন বাড়াতে শেয়ার না বাড়িয়ে বন্ড ছাড়ছে পুঁজিবাজারে তালিকতাভুক্ত ১৭ কোম্পানি। চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ড ছেড়ে ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ব্যাংক খাতের শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাসিয়াল ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ার ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংক এবং আর্থিক খাতের ইনভেস্টমেন্ট কপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। এছাড়া বস্ত্র খাতের এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড বন্ডের মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করবে।

এর মধ্যে সম্প্রতি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৬০০ কোটি  ও ইউনাইটেড কর্মাসিয়াল ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর অনুমোদন হয়েছে। আইসিবির ২ হাজার কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর অনুমোদন হয়েছে। এছাড়া একদিনে চার কোম্পানির ২ হাজার ১০০ কোটি টাকার বন্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের ৭০০ কোটি টাকা, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা,  ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ৫০০ কোটি ও ওয়ান ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকা বন্ড ইস্যুর অনুমোদন হয়েছে।

এর আগে এনসিসি ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংকের৫০০ কোটি, যমুনা ব্যাংকের ৫০০ কোটি, প্রাইম ব্যাংকের ৭০০ কোটি, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৩০০ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ৬০০ কোটি, সিটি ব্যাংকের ৭০০ কোটি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি, ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি, আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ১০০ কোটি এবং এনভয় টেক্সটাইলের ১৫০ কোটি  টাকার বন্ড ইস্যুর অনুমোদন দেয়া হয়। এসব বন্ড রূপান্তর অযোগ্য। অর্থাৎ এগুলো কখনোই শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না। নিম্নে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো-

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্শিয়াল (এনসিসি) ব্যাংক: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানি ৪০০ কোটি টাকার নন কনভারটেবল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার শেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন কনভারটেবল, নন-লিস্টেড,সম্পূর্ণ অবসায়নযোগ্য, সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড।

বন্ডটি ৭ বছরে ফুল রিডেম্পশন হবে, শুধুমাত্র ব্যাংক,স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি, সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান,মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীরা কিনতে পারবে। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেনা যাবে।

এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ব্যাংকটি টায়ার টু ক্যাপিটালের শর্ত পূরণ করবে। বন্ডটির অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা।

এই বন্ডের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

সাউথ ইস্ট ব্যাংক: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৫০০ কোটি টাকার নন কনভারটেবল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন কনভারটেবল, নন-লিস্টেড,সম্পূর্ণ অবসায়নযোগ্য, সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। এ বন্ডের মেয়াদ হবে সাত বছর।

বন্ডটি শুধুমাত্র ব্যাংক,স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কিনতে পারবে। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেনা যাবে।

উল্লেখ্য, সাউথ ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে টাইয়ার টু এর শর্ত পূরণ করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লক্ষ টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৩০০ কোটি টাকার আনসিকিউরেন্ড সাব-অর্ডিনেটেড ফ্লোটিং রেড বন্ডের প্রস্তাব কমিশন অনুমোদন করেছে, যার মেয়াদ হবে ৭ বছর। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আনসিকিউরেন্ড, নন-কনভার্টেবল, আনলিস্টেড ও রিডিমঅ্যাবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছরে ফুল রিডেম্পশন হবে, যা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এবং উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে টাইয়ার টু শর্ত পতিপালন করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি হিসাবে গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড দায়িত্ব পালন করছে।

রূপালী ব্যাংক:ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৬০০ কোটি টাকার আনসিকিউরেন্ড সাব-অর্ডিনেটেড ফ্লোটিং রেড বন্ডের প্রস্তাব কমিশন অনুমোদন করেছে, যার মেয়াদ হবে ৭ বছর। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আনসিকিউরেন্ড, নন-কনভার্টেবল, আনলিস্টেড ও রিডিমঅ্যাবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছরে ফুল রিডেম্পশন হবে, যা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এবং উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, রুপালী ব্যাংক লিমিটেড এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে টাইয়ার টু শর্ত পতিপালন করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লক্ষ টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি হিসাবে গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড দায়িত্ব পালন করছে।

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৫০০ কোটি টাকার নন কনভারটেবল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে-নন-কনভার্টেবল, ফুললি রিডাম্বেল, ফ্লোটিং রেট, আনসিকিউরড, আনলিস্টেড সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। এ বন্ডের মেয়াদ হবে সাত বছর।বন্ডটি শুধুমাত্র ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীসমূহ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীরা কিনতে পারবে। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেনা যাবে।

উল্লেখ্য, আল-আলাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে টাইয়ার টু ক্যাপিটাল বেস এর শর্ত পূরণ করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫ লক্ষ টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে যথাক্রমে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৮০০ কোটি টাকার রিডেম্পবল নন কনভারটেবল ফ্লোটিং রেট সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন কনভারটেবল, ফুল রিডেম্পবল, কুপল বিয়ারিং, আন সিকিউরেটড, আন লিস্টিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছরে পূর্ণ অবসায়ন হবে যা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীগণকে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।
উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, টাইয়ার টু এর শর্ত পূরণ করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি হিসাবে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড কাজ করছে।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৬০০ কোটি টাকার মুদারাবা রিডেম্পবল ফ্লোটিং রেট সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন কনভারটেবল, ফুল রিডেম্পবল, ফ্লোটিং রেট, আন সিকিউরেটড, আন লিস্টিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছরে পূর্ণ অবসায়ন হবে যা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীসমূহ, ফান্ড, কর্পোরেটস এবং অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীগণকে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে টাইয়ার টু এর শর্ত পূরণ করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লক্ষ টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোং.লিমিটেড কাজ করছে।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড: আর্থিক খাতের এ কোম্পানির ১০০ কোটি টাকার ফ্লোটিং রেট নন কনভারটেবল ফুল রিডেম্পবল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৫ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন কনভারটেবল, ফুল রিডেম্পবল, ফ্লোটিং রেট, আন সিকিউরেটড, আন লিস্টিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৫ বছরে পূর্ণ অবসায়ন হবে যা বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীগণ এবং উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীগণকে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।
উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, টাইয়ার টু এর শর্ত পূরণ করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাবে যথাক্রমে ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লি: এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড।

ট্রাস্ট ব্যাংক: ব্যাংক খাতের এ কোম্পানির ৫০০ কোটি টাকার ফ্লোটিং রেট নন কনভারটেবল ফুল রিডেম্পবল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন কনভারটেবল, ফুল রিডেম্পবল, ফ্লোটিং রেট, আন সিকিউরেটড, আন লিস্টিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছরে পূর্ণ অবসায়ন হবে যা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীসমূহ, ফান্ড, কর্পোরেটস এবং অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীগণকে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে টাইয়ার টু এর শর্ত পূরণ করবে। উক্ত বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাবে যথাক্রমে সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এং স্ট্যান্ডার্ন্ড চাটার্ড ব্যাংক লিমিটেড কাজ করছে।

ঢাকা ব্যাংক: এ ব্যাংককে ৫০০ কোটি টাকার নন কনভারটেবল ফ্লোটিং রেট সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন-কনভার্টেবল, ফুললি রিডাম্বেল, ফ্লোটিং রেট, আনসিকিউরড, আনলিস্টেড ও সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। এ বন্ড ৭ বছরে ফুল রিডাম্পশন হবে।

বন্ডটি শুধুমাত্র ব্যাংক,স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কিনতে পারবে। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেনা যাবে।

উল্লেখ্য, ঢাকা ব্যাংক এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে টায়ার টু ক্যাপিটাল বেজ এর শর্ত পূরণ করবে। ঢাকা ব্যাংক নন-কনভার্টেবল ফ্লোটিং রেট সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড এর প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যান্ডাটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাব কাজ করছে যথাক্রমে গ্রীণ ডেল্টা ইস্যুরেন্স কোম্পানি এবং স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক।

যমুনা ব্যাংক: এ ব্যাংককে ৫০০ কোটি টাকার নন কনভারটেবল কুপন বিয়ারিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে, যার মেয়াদ হচ্ছে ৭ বছর। বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- নন-কনভার্টেবল, ফুললি রিডাম্বেল, কুপন বিয়ারিং, আনসিকিউরড, আনলিস্টেড ও সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। এ বন্ড ৭ বছরে ফুল রিডাম্পশন হবে।

বন্ডটি শুধুমাত্র ব্যাংক,স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কিনতে পারবে। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেনা যাবে।

উল্লেখ্য, যমুনা ব্যাংক এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে টায়ার টু ক্যাপিটাল বেজ এর শর্ত পূরণ করবে। যমুনা ব্যাংক নন-কনভার্টেবল কুপন বিয়ারিং সাবঅর্ডিনেট বন্ড এর প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যান্ডাটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাব কাজ করছে যথাক্রমে আইডিএলসি ফাইন্যান্স ও যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

এনভয় টেক্সটাইলস: বস্ত্র খাতের এ কোম্পানির ১৫০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নন-কনভার্টঅ্যাবল সম্পূর্ণ রিডিমঅ্যাবল জিরো কূপন বন্ডটির মেয়াদ হবে ৫ বছর। যার বৈশিষ্ট-নন-কনভার্টঅ্যাবল, অ-তালিকাভুক্ত, অনিরাপদ, জিরো কূপন বন্ড ইত্যাদি। যা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারবেন।

এনভয় টেক্সটাইলস বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা দিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ করবে। আর এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য বন্ডের ট্রাস্টি হিসাবে কাজ করছে ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট।

এছাড়া ইসলামী ব্যাংক ৭০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর অনুমোদন পেয়েছে। এছাড়া সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকার, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকার ও ওয়ান ব্যাংক ৪০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন পেয়েছে।

ব্যাংকগুলো ৭ বছর মেয়াদি বন্ড ইস্যু করবে। টায়ার-২ মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য ব্যাংকগুলো এই বন্ড ইস্যু করবে। ব্যাংকগুলোর বন্ড আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, বিদেশী উন্নয়ন সহযোগি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১ কোটি টাকা।

এক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বন্ডের ট্রাস্টি ও ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে যথাক্রমে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। আর ওয়ান ব্যাংকের বন্ডের ট্রাস্টি ও ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে যথাক্রমে এমটিবি ক্যাপিটাল ও আরএসএ অ্যাডভাইজারি।

এদিকে, আর্থিক খাতের কোম্পানি ইনভেস্টমেন্ট কপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ২ হাজার কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল ফিক্সড রেট সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। ৭ বছর মেয়াদী এই বন্ডের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নন-কনভার্টেবল, সম্পূর্ণ অবসায়ন, ফিক্সড রেট, আনসিকিউর্ড, আনলিস্টেড সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছরে পূর্ণ অবসায়ন হবে। যা বিভিন্ন ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট হাউস এবং উচ্চ সম্পদশালী বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অর্থ উত্তোলন করে আইসিবি যেসব ক্ষেত্রে উক্ত অর্থ ব্যবহার করবে তা হল (১) প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগ পরিকল্পনায় বাজার সৃষ্টিকারী হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন

(২) এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও এনআরবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফান্ড এর উদ্যোক্তা হিসেবে বিনিয়োগ।

(৩) অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সরকারের প্রাধিকারভুক্ত খাতে বিনিয়োগ এবং

(৪) পিপিপি প্রকল্পে বিনিয়োগ।

এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য এক কোটি টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি ও ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাবে যথাক্রমে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট এং আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ও রুটস ইনভেস্টমেন্ট কাজ করছে।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

Top