ঋণ নেই সিলকো ফার্মার

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে অনুমোদন পাওয়া সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লি: এর দীর্ঘ মেয়াদে কিংবা স্বল্প মেয়াদে কোন ব্যাংক ঋণ নেই। কোম্পানিটির ড্রাফট প্রসপেক্টাস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির ২০১৭-২০১৮ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দীর্ঘ কিংবা স্বল্প মেয়াদে কোন ব্যাংক ঋণ নেই। ৩০ জুন, ২০১৭ শেষে কোম্পানিটির প্রাইম ব্যাংকের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সর্বশেষ ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৩১ টাকা বকেয়া ছিল। ইতিমধ্যে এই টাকা পরিশোধ হয়েছে। এছাড়া আলোচিত সময় পর্যন্ত কোন ব্যাংকের কাছে স্বল্প মেয়াদে কোন ঋণ নেই।

তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৬.৬৩ টাকা। যা ৩০ জুন ২০১৭ শেষে ছিল ২৫.৪১ টাকা।

এছাড়া ৯মাসে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.২১ টাকা। শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.১৩ টাকা।

৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১.৬০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৮৪ টাকা।

গত ৫ বছরের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি আয় (ওয়েটেড এভারেজ ইপিএস) ১.৪৬ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০৫ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৬৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আইপিও পরবর্তী কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন হবে ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর ৩৯.৫৪ শতাংশ থাকবে উদ্যোক্তা ও পরিচালকের কাছে; ১২.৭২ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে; ৩.১৮ শতাংম বিদেশিদের কাছে এবং ৪১.৩৮ শতাংশ থাকবে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের কাছে।

সব মিলিয়ে বর্তমানে কোম্পানির ১৭৩ জন শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন। এর ১০২ জনই ডাক্তার।

গত ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ অনুষ্ঠিত বিএসইসি’র ৬৬৯তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন হয়। কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে ১০ টাকা করে অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইপিও টাকা থেকে ১৪ কোটি ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫২ টাকা নতুন ফ্যাক্টরি নির্মাণ; ৯ কোটি ৭৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বিদ্যমান মেশিনারিজ উন্নয়নে ব্যয়; ৩ কোটি ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে যানবাহন ক্রয় এবং বাকী ২ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৮ টাকা আইপিও খরচে ব্যয় করা হবে।

কোম্পানিটি জানায়, আইপিও অর্থ পাওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে ফ্যাক্টরি নির্মাণ; ২০ মাসের মধ্যে মেশিনারিজ উন্নয়ন এবং ৩ মাসের মধ্যে ডেলিভারি যানবাহন কেনা হবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, সিটিজেন সিকিউরিটিজ এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ও সিটি ক্যাপিটাল এন্ড রিসোর্সেস লিমিটেড।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

Top