দ্বিতীয় প্রান্তিকের ইতিবাচক প্রভাব: ১৭ কোম্পানির ইপিএস বৃদ্ধি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ইতিমধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর দ্বিতীয় প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন আসতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে যেসব কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে এর মধ্যে গুটি কয়েক কোম্পানি বাদে বেশিরভাগ কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন ভালো অবস্থায় রয়েছে যার ইতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়ছে। জানা যায়, সদ্য প্রকাশিত ১৭ কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে। কোম্পানিগুলো হলো:  জেএমআই সিরিঞ্জ, শেফার্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ, ডেসকো, এসএস স্টীল, মিরাকল ইন্ডাষ্ট্রিজ, রংপুর ফাউন্ড্রি, প্রাণ, ইস্টার্ন হাউজিং, মালেক স্পিনিং, ওয়েস্টার্ন মেরিন, রহিম টেক্সটাইল, বিএসআরএম লিমিটেড, বিএসআরএম স্টীল, পেনিনসুলা, ড্রাগন সোয়েটার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন এবং কাট্টলি টেক্সটাইল লিমিটেড। নিচে কোম্পানিগুলোর প্রান্তিক প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো:

জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড

দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) অনিরীক্ষত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের ইপিএস আগের বছরের তুলনায় ২৫.১৭ শতাংশ বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৩৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৫ টাকা বা ২৫.১৭ শতাংশ।

এদিকে ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৭৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২.১৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৭ টাকা বা ২৬.২৬ শতাংশ।

এছাড়া শেয়ার প্রতি কার্যকর নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৭.১৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৬ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭০.৯৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৬.৭৪ টাকা।

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর’১৮) শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০.২১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৯ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিক (জুলাই’১৮-ডিসেম্বর’১৮) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৩ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৪২ টাকা।

এদিকে শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২.৬৪ টাকা ঋণাত্মক। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৭.২৬ টাকা।

ডেসকো

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ডেসকো’র ইপিএস হয়েছে ০.৮১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৩ টাকা।

অর্ধবার্ষিক (জুলাই’১৮-ডিসেম্বর’১৮) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৮৬ টাকা।

এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২.০২ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪৪.৩৪ টাকা।

এসএস স্টীল লিমিটেড

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) এসএস স্টীলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৩১ টাকা। অর্ধবার্ষিকে এসএস স্টীলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৫৮ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.০১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৩৩ টাকা।

এদিকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (পুন:মূল্যায়নসহ) দাঁড়িয়েছে ১৮.৮৫ টাকা। ৩০ জুন,২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ১৬.৯১ টাকা।

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) মিরাকল ইন্ডাষ্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৬ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৫ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা। সে  হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০২ টাকা বা ৩.৭৭ শতাংশ।

এছাড়া ৬ মাসে শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ২.১৪ টাকা। আর ৬ মাসে শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪২.২৬ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভিপিএস ছিল ৪৪.১৩ টাকা।

রংপুর ফাউন্ড্রি (আরএফএল)

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) আরএফএলের ইপিএস হয়েছে ১.০৫ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.০২ টাকা।

এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.১৫ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৫.২১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৭৭ টাকা ঋণাত্মক।

এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লি: (প্রাণ)

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) প্রাণের ইপিএস হয়েছে ১.৭৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৭৬ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.২১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.৭৬ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭৬.৪০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৬.৪৫ টাকা।

ইস্টার্ন হাউজিং লি:

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.৮৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৫ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০৬ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৯৯ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির  শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৫৯.৭১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ( এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৫১ টাকা।

মালেক স্পিনিং মিলস

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) মালেক স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৯ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫০ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির  শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪৬.১৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৪৯ টাকা।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) ওয়েস্টার্ন মেরিনের ইপিএস হয়েছে ০.৭৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৬১ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.১০ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৮.৭৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৬৫ টাকা।

রহিম টেক্সটাইল

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) রহিম টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.১৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১.৭৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৪০ টাকা বা ৮০ শতাংশ।

এছাড়া ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.১৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২. ৯৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.২৬ টাকা বা ৭৭.১৩ শতাংশ।

এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৫৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৩৭ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪০.৫৬ টাকা, যা ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে ছিল ৪০.৯১ টাকা।

বিএসআরএম লি:

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) বিএসআরএম লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ১.০৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৬০ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৮১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.৩০ টাকা। এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৫৯.৬৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি  নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৪.৭৪ টাকা ঋণাত্মক।

বিএসআরএম স্টীল লি:

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) বিএসআরএম স্টীল লিমিটেডের  ইপিএস হয়েছে ০.৮৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৬২ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.১০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৫৮ টাকা।

পেনিনসুলা চিটাগং লি:

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) পেনিনসুলা চিটাগাংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.২৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৭ টাকা।এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩২ টাকা।

এদিকে শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩০.৯৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.২৩ টাকা।

ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) ড্রাগন সোয়েটারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬১ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৫৪ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০. ৯৩ টাকা।

এদিকে শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৬০ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৩৩ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮.৫২ টাকা, যা ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে ছিল ১৮.২৯ টাকা।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি)

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) বিএসসি’র ইপিএস হয়েছে ০.৫৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪০ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭০ টাকা। এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৫৪.২২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৫৪ টাকা।

কাট্টলি টেক্সটাইল লিমিটেড

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কাট্টলি টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৪৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.২৮ টাকা।এছাড়া অর্ধবার্ষিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৬ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৪ টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.১৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২৬ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮.৭৩ টাকা, যা ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে ছিল ২২.৪৩ টাকা।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top