ইস্যু মূল্যের নিচে কোম্পানির সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১১২টি কোম্পানি এবং মিউচুয়াল ফান্ড বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি মন্দা থাকায় ফেসভ্যালুর নিচে নেমে এসেছে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর। তবে সেদিকে দৃষ্টি না গেলেও যেসব কোম্পানি প্রিমিয়াম নিয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছিল বর্তমানে সেগুলোর শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে এসেছে বলে খবর প্রচারিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইস্যু মূল্যের নিচে থাকা ১৬ কোম্পানিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো: বারাকা পাওয়ার, জাহিনটেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ, জিবিবি পাওয়ার, জিএসপি ফাইন্যান্স, ইউনিক হোটেল, আর্গন ডেনিমস, অ্যাপোলো ইষ্পাত, ওরিয়ন ফার্মা, ফার ইস্ট নিটিং, সাইফ পাওয়ারটেক, ওয়েস্টার্ন মেরিন, তসরিফা ইন্ডাষ্ট্রিজ, রিজেন্ট টেক্সটাইল, মবিল যমুনা, এমআই সিমেন্ট লিমিটেড এবং হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড।

তবে এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। মূলত যেই দরে কোম্পানির শেয়ার ইস্যু করা হয়েছিল বর্তমানে সেই দরে না থাকায় বলা হচ্ছে ইস্যু মূল্যের নিচে। কিন্তু তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির কাছ থেকে যে বোনাস শেয়ার ইস্যু হয়েছে সেগুলো হিসেব করা হয়নি।

ইস্যু মূল্যের নিচে থাকা যে ১৬ কোম্পানিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এর মধ্যে ৫ কোম্পানির শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে বেশি রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো: বারাকা পাওয়ার, জিএসপি ফাইন্যান্স, আর্গন ডেনিমস, সাইফ পাওয়ারটেক এবং মবিল যমুনা লিমিটেড।

নিচে প্রতিটি কোম্পানির ইস্যু মূল্য ও বর্তমান মূল্যের সঠিক হিসাব তুলে ধরা হলো:

০১. বারাকা পাওয়ার লিমিটেড

কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৮ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ৬১ হাজার ৩৬৭টি। অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১৩ কোটি ৪০ লাখ ৬১ হাজার ৩৬৭টি।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

সূত্র: (বোনাস শেয়ার ইস্যুর পূর্বে মার্কেট ভ্যালু+ বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ক্যাশ বৃদ্ধি)/ বোনাস শেয়ার ইস্যুর পর মোট শেয়ার সংখ্যা।

{(৮,৬০,০০০০০*৬০) অথবা ৫১৬,০০,০০,০০০  + {(১৩,৪০,৬১,৩৬৭*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ১৩৪,০৬,১৩,৬৭০}

———————————————————————————————— = ২৯.৫৪ টাকা।

২২,০০,৬১,৩৬৭

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ২৯.৫৪ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৩০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। তাই বারাকা পাওয়ারের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে বেশি রয়েছে।

০২. জাহিনটেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড :

কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৯টি। অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৯টি।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৪,৫০,০০০০০*২৫) অথবা ১১২,৫০,০০,০০০  + {(৩,৬৮,২৮,৫৪৯*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৩৬,৮২,৮৫,৪৯০}

———————————————————————————— = ১৮.২৫ টাকা।

৮,১৮,২৮,৫৪৯

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ১৮.২৫ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৮.১০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। তাই জাহিনটেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

০৩. জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড :

কোম্পানিটি ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৫ কোটি ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০টি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৫৪৮টি। অর্থাৎ ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৫ কোটি ৮ লাখ ৩ হাজার ৫৫৮টি।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৫,০৯,৯৯,৯৯০*৪০) অথবা ২০৩,৯৯,৯৯,৬০০  + {(৫,০৮,০৩,৫৫৮*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৫০,৮০,৩৫,৫৮০}

——————————————————————————— = ২৫.০৩ টাকা।

১০,১৮,০৩,৫৪৮

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ২৫.০৩ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৯.৭০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। তাই জিবিবি পাওয়ারের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

০৪. জিএসপি ফাইন্যান্স:

কোম্পানিটি ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৪ কোটি ৭৬ লাখ ৪৬ হাজার ৮০টি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৩৭৮টি। অর্থাৎ ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৯৮টি।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৪,৭৬,৪৬,০৮০*২৫) অথবা ১১৯,১১,৫২,০০০  + {(৮,১৫,৭৫,২৯৮*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৮১,৫৭,৫২,৯৮০}

———————————————————————————– = ১৫.৫৩ টাকা।

১২,৯২,২১,৩৭৮

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ১৫.৫৩ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১৯.৮০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। তাই জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে বেশি রয়েছে।

 

০৫. ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ৬৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৭৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ২৫ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৪৪ লাখ শেয়ার। অর্থাৎ ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৩ কোটি ৮৪ লাখ শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(২৫,৬০,০০,০০০*৭৫) অথবা ১৯২০,০০,০০,০০০  + {(৩,৮৪,০০,০০০*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৩৮,৪০,০০,০০০}

———————————————————————————— = ৬৬.৫২ টাকা।

২৯,৪৪,০০,০০০

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ৬৬.৫২ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৫০.৭০ টাকায় লেনদেন হচ্ছেতাই ইউনিক হোটেলের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

 

০৬.  আর্গন ডেনিমস:

কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৬ কোটি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৯৯ লাখ ৭৭ হাজার ২০০ শেয়ার। অর্থাৎ ২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৫ কোটি ৯৯ লাখ ৭৭ হাজার ২০০ শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৬,০০,০০,০০০*৩৫) অথবা ২১০,০০,০০,০০০  + {(৫,৯৯,৭৭,২০০*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৫৯,৯৭,৭২,০০০}

—————————————————————————————- = ২২.৫০ টাকা।

১১,৯৯,৭৭,২০০

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ২২.৫০ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ২৩.২০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই আর্গন ডেনিমসের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে বেশি রয়েছে।

 

০৭. অ্যাপোলো ইষ্পাত:

কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২২ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ২৫ কোটি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ১৩ লাখ ৮ হাজার ৬০০ শেয়ার। অর্থাৎ ২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১৫ কোটি ১৩ লাখ ৮ হাজার ৬০০ শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(২৫,০০,০০,০০০*২২) অথবা ৫৫০,০০,০০,০০০  + {(১৫,১৩,০৮,৬০০*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ১৫১,৩০,৮৬,০০০}

——————————————————————————- = ১৭.৪৮ টাকা।

৪০,১৩,০৮,৬০০

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ১৭.৪৮ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৬.৮০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই অ্যাপোলো ইষ্পাতের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

০৮. ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ১৯ কোটি ৫০ শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার। অর্থাৎ ২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৩ কোটি ৯০ লাখ শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(১৯,৫০,০০,০০০*৬০) অথবা ১১৭০,০০,০০,০০০  + {(৩,৯০,০০,০০০*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৩৯,০০,০০,০০০}

————————————————————————————- = ৫১.৬৭ টাকা।

২৩,৪০,০০,০০০

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ৫১.৬৭ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৩১.৪০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই ওরিয়ন ফার্মার শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

০৯. ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৭ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ১১ কোটি ৬০ লাখ ৩ হাজার ৮০টি। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৪২ লাখ ৪২ হাজার ৯২৪টি। অর্থাৎ ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৮ কোটি ৮২ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪৪ শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(১১,৬০,০৩,০৮০*২৭) অথবা ৩১৩,২০,৮৩,১৬০ + {(৮,৮২,৩৯,৮৪৪*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৮৮,২৩,৯৮,৪৪০}

——————————————————————————- = ১৯.৬৬ টাকা।

২০,৪২,৪২,৯২৪

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ১৯.৬৬ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১৪.৪০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই ফারইস্ট নিটিংয়ের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

১০. সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩০ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯৪ হাজার শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৭টি। অর্থাৎ ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ২৬ কোটি ৫৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৭টি ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৫,৫৮,৯৪,০০০*৩০) অথবা ১৬৭,৬৮,২০,০০০  + {(২৬,৫৬,৩৯,৩৭৭*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ২৬৫,৬৩,৯৩,৭৭০}

——————————————————————————– = ১৩.৪৮ টাকা।

৩২,১৫,৩৩,৩৭৭

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ১৩.৪৮ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১৯ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই সাইফ পাওয়ারটেকের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে বেশি রয়েছে।

১১. ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৫১ হাজার ৯০০টি। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৯৫ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৩টি। অর্থাৎ ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭০৩টি।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(১০,৯৫,৫১,৯০০*৩৫) অথবা ৩৮৩,৪৩,১৬,৫০০  + {(৮,৯৯,৮৪,৭০৩*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৮৯,৯৮,৪৭,০৩০}

——————————————————————————– = ২৩.৭৩ টাকা।

১৯,৯৫,৩৬,৬০৩

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ২৩.৭২ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১৬.৩০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই ওয়েস্টার্ন মেরিনের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

১২. তসরিফা ইন্ডাষ্ট্রিজ:

কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৬ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৫ কোটি ৯০ লাখ ৩৬ হাজার শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৬টি। অর্থাৎ ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৭২ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৬টি।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৫,৯০,৩৬,০০০*২৬) অথবা ১৫৩,৪৯,৩৬,০০০  + {(৭২,৯০,৯৪৬*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৭,২৯,০৯,৪৬০}

————————————————————————– = ২৪.২৪ টাকা।

৬,৬৩,২৬,৯৪৬

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ২৪.২৪ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১৮.৪০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই তসরিফা ইন্ডাষ্ট্রিজের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

১৩. রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ১১ কোটি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ১২ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার। অর্থাৎ ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১ কোটি ১২ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(১১,০০,০০,০০০*২৫) অথবা ২৭৫,০০,০০,০০০  + {(১,১২,৭৫,০০০*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ১১,২৭,৫০,০০০}

—————————————————————————– = ২৩.৬১ টাকা।

১২,১২,৭৫,০০০

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ২৩.৬১ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১৪.৮০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

১৪. এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড (মবিল যমুনা):

কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১০৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ১১৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ১৮ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৫২ হাজার ২৭টি। অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৩২ হাজার ২৭টি ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(১৮,০৩,২০,০০০*১১৫) অথবা ২০৭৩,৬৮,০০,০০০  + {(১৩,৬৪,৩২,০২৭*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ১৩৬,৪৩,২০,২৭০}

———————————————————————————= ৬৯.৭৭ টাকা।

৩১,৬৭,৫২,০২৭

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ৬৯.৭৭ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৯২.৭০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই মবিল যমুনার শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে বেশি রয়েছে।

১৫. এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরী লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১০১.৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ১১১.৬০ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ১০ কোটি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৮৫ লাখ শেয়ার। অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৪ কোটি ৮৫ লাখ শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(১০,০০,০০,০০০*১১১.৬০) অথবা ১১১৬,০০,০০,০০০  + {(৪,৮৫,০০,০০০*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ৪৮,৫০,০০,০০০}

——————————————————————————— = ৭৮.৪২ টাকা।

১৪,৮৫,০০,০০০

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ৭৮.৪২ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ৭০.৯০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই এম আই সিমেন্টের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

১৫. হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড:

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সে সময় কোম্পানিটির ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩৫ টাকায় প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ হয়। ওই সময় কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ছিলো ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০টি শেয়ার। সে সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ১০ লাখ ৫৭ হাজার ৩১২টি শেয়ার। অর্থাৎ ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ১৯ হাজার ৮১২টি শেয়ার ।

থিউরিটিক্যাল অ্যাডজাস্টমেন্টের হিসেব অনুযায়ী কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য থাকার কথা :

{(৭,৮৮,৩৭,৫০০*৩৫) অথবা ২৭৫,৯৩,১২,৫০০  + {(১,২২,১৯,৮১২*১০ (ফেসভ্যালু) অথবা ১২,২১,৯৮,১২০}

——————————————————————————— = ৩১.৬৫ টাকা।

৯,১০,৫৭,৩১২

অর্থাৎ এতোদিন বোনাস ইস্যু করার পর কোম্পানির বর্তমান শেয়ার মূল্য ৩১.৬৫ টাকা থাকার কথা। অন্যদিকে বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ২০.৪০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে তাই হামিদ ফেব্রিক্সের শেয়ার দর ইস্যু মূল্যের চেয়ে কম রয়েছে।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top