বিশ্বকাপ ট্রফির বিবর্তন

শেয়ারবাজর ডেস্ক: বিশ্বকাপ ট্রফি। প্রতি ৪ বছর পর পর ক্রিকেট আসরের বাইশ গজের উইকেটে দলগুলো লড়াই করে এই শ্রেষ্ঠত্বের জন্যই। ফুটবলের তুলনায় প্রসারে অনেক পিছিয়ে থাকলেও ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে আইসিসি ট্রফিও পরম আরাধ্য স্বীকৃতি।

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রতিটি আসর ঘিরে বিভিন্ন দেশে হয়ে যাওয়া ট্রফি ট্যুরই তার প্রমাণ। বাংলাদেশে তো রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল ট্রফিটিকে একনজর দেখতে বা ট্রফির সঙ্গে একটি ছবি তুলতে।

তবে বিশ্বকাপ ট্রফি সব সময় এক রকম ছিল না ফরমেটের মত বদলেছে স্পন্সর। আর স্পন্সরের সাথে বদলেছে ট্রফিও।

১৯৭৫ বিশ্বকাপ থেকে ১৯৯৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ট্রফির নাম করন করা হয় টুর্নামেন্টের স্পন্সরের নামে।

বিশ্বকাপের প্রথম তিন আসর (১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩) বিশ্বকাপ ট্রফির নাম ছিল প্রুডেনশিয়াল কাপ। এরপর ১৯৮৭ বিশ্বকাপে রিপায়েন্স কাপ, ১৯৯২ বিশ্বকাপে বেনসন অ্যান্ড হেজেস কাপ, আর ১৯৯৬ উইলস কাপ নামে দেওয়া হয় বিশ্বকাপ ট্রফি।

১৯৯৯ বিশ্বকাপ থেকে এই নিয়ম বদলে যায়। টুর্নামেন্ট ইতিহাসের স্থায়ী ট্রফির প্রচলন করে আইসিসি। যার নকশা ও নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় লন্ডনভিত্তিক গারার্ড অ্যান্ড কোংকে। বিখ্যাত লৌহকার স্টিভেন অটিউলকে সঙ্গী করে দুই মাসের মধ্যে নতুন ট্রফি তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি।

৬০ সেন্টিমিটার উচ্চতা ও প্রায় ১১ কেজি ওজনের ট্রফিটি প্রস্তুত করা হয় স্বর্ণ ও রূপার মিশ্রণে। উইকেট সদৃশ্য তিনটি দ্বন্দ্বের উপর স্বর্ণের গোলক ইঙ্গিত করে পুরো বিশ্বকে। যার প্রতিটি উপকরণ প্রস্তুত করা হয় বিশেষ যত্নের সাথে। এমনকি ট্রফির আকৃতি ও গোলকের খোদাইকৃত মানচিত্র পুরোটাই করেন অভিজ্ঞ কর্মকার। ট্রফিতে এখন পর্যন্ত খোদকৃত আছে ১১টি দেশের বিজয় দলের নাম। এখন অপেক্ষা ১২তম আসরের বিজয়ী দলের নাম।

মূল টফি নয় চ্যাম্পিয়ন দলকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় রেপ্লিকা ট্রফি নিয়ে। আর মূল ট্রফিটি সংরক্ষিত থাকে দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসির হেড কোয়ার্টারে।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু

আপনার মন্তব্য

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top