যে কারণে বাজার পতন

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৯-২০২০) শেয়ারবাজারের জন্য যেসব প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে স্টক ডিভিডেন্ড ও রিজার্ভের ওপর ট্যাক্সারোপের বিষয়টি নিয়ে বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে। এক পক্ষ ভালো বললেও অন্য পক্ষ বিষয়টি নেতিবাচকভাবে নিয়েছে। আর নেতিবাচকের পাল্লা ভারি হওয়ায় বাজারেও সেল প্রেসার বেড়েছে। যে কারণে গত দুই কার্যদিবসে ৯৮ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়েছে।

আজ সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ব্যাপক পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেনের শুরু থেকেই সেল প্রেসারে টানা নামতে থাকে সূচক। সোমবার লেনদেন শেষে সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। আজ দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩৫ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

আজ দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫৩৭৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১২২৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৮৮৯ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৫৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ২৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৫৩৫ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

এর আগের কার্যদিবস দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ৪৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৫৪৩০ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১২৩৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১৯০৫ পয়েন্টে। আর ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ৫৩৪ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার টাকা। সে হিসেবে আজ ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৯৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

এদিকে দিন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক সিএসইএক্স ৭৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ৯৯৪ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৭০টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির। আর দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ৩৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু

আপনার মন্তব্য

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top