শেয়ারবাজার শিক্ষা: মার্জিন ঋণ ও সিঙ্গেল এক্সপোজার লিমিট

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: সাধারণত শেয়ার ব্যবসা করার জন্য একজন বিনিয়োগকারী তার সিকিউরিটিজ হাউজ অথবা মার্চেন্ট ব্যাংকের যে ঋণ গ্রহণ করে তাকে মার্জিন ঋণ বলা হয়। এই মার্জিন ঋণ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের গাইডলাইন রয়েছে। এছাড়া একজন বিনিয়োগকারীর একক লোন এক্সপোজার লিমিটেড কত হবে সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মার্জিন ঋণ ও সিঙ্গেল এক্সপোজারের বিষয়ের তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হলো:

মার্জিন রুলস: মার্জিন রুলস,১৯৯৯ এর রুল ৩(৫): ধরুণ, আপনি ১০০ টাকা জমা দিয়ে শেয়ার ক্রয়ের উদ্দেশ্যে একটি বিও অ্যাকাউন্ট খুললেন এবং ১:১ অনুপাতে আরও ১০০ টাকা ঋণ নিলেন এবং ঋণসহ মোট ২০০ টাকার শেয়ার ক্রয় করলেন। পরবর্তীতে মার্কেটে দরপতনের কারণে আপনার মার্কেট ভ্যালু অব সিকিউরিটিজ যদি ১৫০ টাকা হয়, তবে বর্ণিত মার্জিন রুলস অনুযায়ী ব্রোকার মার্জিন কল করবে। এরপরেও যদি ঐ শেয়ারের বাজার মূল্য কমে ১২৫ টাকায় আসে তা হলে ব্রোকার বিনিয়োগকারীর সম্মতি ছাড়াই উক্ত শেয়ার বিক্রয় করে তার প্রদত্ত ঋণ সমন্বয় করতে পারবে।

সিঙ্গেল এক্সপোজার লিমিট:  একক বিনিয়োগকারীর লোন এক্সপোজার লিমিট হবে পূর্ববর্তী ৩ মাসের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্সের গড় এর ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ কোন একক বিনিয়োগকারীর পূর্ববর্তী ৩ মাসের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স যথাক্রমে অক্টোবরে ১০০ টাকা, নভেম্বরে ২০০ টাকা এবং ডিসেম্বরে ২৫০ টাকা হলে এই বিনিয়োগকারীর এক্সপোজার লিমিটেড হবে: (১০০+২০০+২৫০)/৩ টাকা= (৫৫০/৩) টাকা= ১৮৩.৩৩ টাকার ২৫%= ৪৫.৮৩ টাকা ঋণ নিতে পারবেন।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top