“শেয়ার বাই ব্যাক” আইন পুঁজিবাজারের জন্য যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হবে

“শেয়ার বাই ব্যাক” আইন বর্তমান পুঁজিবাজারের প্রেক্ষাপটে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত হবে। শুধু মাত্র এই একটি আইন পুরো পুঁজিবাজারের চেহারা পরিবর্তন করে দিতে পারে। বর্তমান পুঁজিবাজার একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। ২০১০ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ১৬৪৩ কোটি টাকা। সেখানে গত ৬ মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গড় লেনদেন হচ্ছে ৩৯৭ কোটি টাকা। গত ১০ বছরে নুতন নুতন আইপিও আর প্লেসমেন্ট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা শুধু বের করেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাজারে নুতন টাকার প্রবাহ বাড়াতে পারে এমন কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। “শেয়ার বাই ব্যাক” আইন প্রণয়ন করলে বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়বে সেই সাথে কোম্পানিগুলোর দায়ভার নিশ্চিত করা যাবে।

“শেয়ার বাই ব্যাক” আইন কেন জরুরিঃ
=============================
সেকেন্ডারি মার্কেটে কোম্পানির শেয়ারের দাম কতো হবে তার পেছনে কোম্পানির কোন ভূমিকা থাকেনা। শেয়ারের দাম কত হবে তা বাজারের চাহিদার উপর নির্ভর করে। কিন্তু কোম্পানি যে টাকার বিনিময়ে তার কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগকারীদের নিকট বিক্রি করেছে তার নিচে যদি শেয়ারের দাম চলে যায় সেক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর দায়বদ্ধতার প্রশ্ন আসতেই পারে। কোম্পানির শেয়ারের মূল্য তার ইস্যু মূল্যের নিচে চলে গেলে সেই শেয়ারের ইস্যু মূল্য নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরণের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী তখন মনে করে কোম্পানিগুলো হয়তো অতিরঞ্জিত ভাবে তাদের শেয়ারের দাম নির্ধারণ করিয়েছে।

আগেই বলেছি বর্তমান পুঁজিবাজার একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। শুধু তাই না অতিতের যে কোন সময়ের থেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। একটি ছোট উদাহরণ দিলেই বোঝা যাবে। ২০১০ সালে পুঁজিবাজার ধ্বসের পরে ২০১১-২০১২ সালেও শেয়ারের দাম ইস্যু মূল্যের নিচে খুঁজে পাওয়া যেত না। সেখানে বর্তমানে প্রায় ১০০ টিও উপর কোম্পানি রয়েছে যা বাজারের ৩৩% (এক তৃতীয়াংশ) বর্তমানে ইস্যু মুল্যের নিচে চলে গেছে। অর্থাৎ কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের থেকে যে টাকার চাঁদা তুলেছে তার নিচে চলে গেছে। বর্তমান পুঁজিবাজারের দুরবস্থা প্রকাশ করার জন্য এর চেয়ে সহজ প্যারামিটার আর কি হতে পারে।

এতে কোন সন্দেহ নেই যে কোম্পানিগুলো তদবির করে শেয়ারগুলোর দাম অতি মূল্যায়িতভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করে বিনিয়োগকারীদের নিকট থেকে টাকা উত্তোলন করেছে। নিচে গত ৯ বছরে তালিকাভুক্ত হয়েছে এমন কিছু কোম্পানির নাম উল্লেখসহ তাদের ইস্যু করা দাম এবং বর্তমান দাম উল্লেখ করা হলো।

২০১১ সালঃ
==========
১) রংপুর ডেইরি এন্ড ফুড প্রোডাক্টসঃ ইস্যু মূল্য ১৮ টাকা, বর্তমান মূল্য ১১ টাকা
২) জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজঃ ইস্যু মূল্য ২৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৩ টাকা
৩) বারাকা পাওয়ারঃ ইস্যু মূল্য ৬০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২৬ টাকা
৪) সালভো কেমিক্যালঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৯ টাকা
৫) মবিল যমুনা বাংলাদেশঃ ইস্যু মূল্য ১১৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৮১ টাকা
৬) এম আই সিমেন্টঃ ইস্যু মূল্য ১১১ টাকা, বর্তমান মূল্য ৪৪ টাকা

২০১২
======
৭) এনভয় টেক্সটাইলঃ ইস্যু মূল্য ৩০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২৭ টাকা।
৮) জেনারেশন নেক্সটঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২ টাকা।
৯) আমরা টেকনোলজিঃ ইস্যু মূল্য ২৪ টাকা, বর্তমান মূল্য ২৩ টাকা।
১০) ইউনিক হোটেলঃ ইস্যু মূল্য ৭৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৪৭ টাকা।
১১) সাইহাম কটন মিলসঃ ইস্যু মূল্য ২০ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৯ টাকা।
১২) জিবিবি পাওয়ারঃ ইস্যু মূল্য ৪০ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৪ টাকা।
১৩) জিএসপি ফাইন্যান্সঃ ইস্যু মূল্য ২৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৫ টাকা।

২০১৩
=======
১৪) এপোলো ইস্পাতঃ ইস্যু মূল্য ২২ টাকা, বর্তমান মূল্য ৪ টাকা।
১৫) ফারইস্ট ফাইন্যান্সঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২ টাকা।
১৬) সেন্ট্রাল ফার্মাঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৮ টাকা।
১৭) ফ্যামিলিটেক্সঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২ টাকা।
১৮) বেঙ্গল উন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিকঃ ইস্যু মূল্য ২৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ২০ টাকা।
১৯) ওরিয়ন ফার্মাঃ ইস্যু মূল্য ৬০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২৯ টাকা।
২০) গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রোঃ ইস্যু মূল্য ২৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ২৩ টাকা।
২১) আরগন ডেনিমঃ ইস্যু মূল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৮ টাকা।

২০১৪
=======
২২) হামিদ ফেব্রিক্সঃ ইস্যু মূল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৭ টাকা।
২৩) খান ব্রাদার্স পিপি ওভেনঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৬ টাকা।
২৪) ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডঃ ইস্যু মূল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ১১ টাকা।
২৫) সাইফ পাওয়ারটেকঃ ইস্যু মূল্য ৩০ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৫ টাকা।
২৬) রতনপুর স্টিলঃ ইস্যু মূল্য ৪০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৩০ টাকা।
২৭) ফারইস্ট নিটিংঃ ইস্যু মূল্য ২৭ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৩ টাকা।
২৮) তুং-হাই নিটিংঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২ টাকা।
২৯) ফার কেমিক্যালঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৯ টাকা।
৩০) পেনিনসুলা চট্টগ্রামঃ ইস্যু মূল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ২০ টাকা।
৩১) মতিন স্পিনিংঃ ইস্যু মূল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৩৩ টাকা।
৩২) মোজাফফর হোসাইন স্পিনিংঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৯ টাকা।

২০১৫
========
৩৩) রিজেন্ট টেক্সটাইলঃ ইস্যু মূল্য ২৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ১১ টাকা।
৩৪) সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজঃ ইস্যু মূল্য ২০ টাকা, বর্তমান মূল্য ১৮ টাকা।
৩৫) আমান ফিডঃ ইস্যু মূল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৩০ টাকা।
৩৬) অলিম্পিক এক্সেসরিজঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৭ টাকা।
৩৭) তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজঃ ইস্যু মূল্য ২৬ টাকা, বর্তমান মূল্য ১১ টাকা।
৩৮) জাহিন স্পিনিংঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৬ টাকা।
৩৯) শাশা ডেনিমঃ ইস্যু মুল্য ৩৫ টাকা, বর্তমান মুল্য ২৭ টাকা।
৪০) সি এন্ড এ টেক্সটাইলঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২ টাকা।
৪১) ন্যাশনাল ফিড মিলঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৭ টাকা।

২০১৬
=======
৪২) ইয়াকিন পলিমারঃ ইস্যু মূল্য ১০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৯ টাকা।
৪৩) একমি ল্যাবরেটরিজঃ ইস্যু মূল্য ৮৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৬২ টাকা।

২০১৭,২০১৮ এবং ২০১৯ সালে যে কোম্পানিগুলো প্রিমিয়াম ছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে সেগুলো ইস্যু মূল্যের নিচে এখনও নামেনি। তবে ইস্যু মূল্যের কাছাকাছি দামে অবস্থান করছে। ২০১৭,২০১৮ এবং ২০১৯ সালের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কতগুলো তার ইস্যু মূল্যের নিচে নামবে তা দেখার জন্য ঐ সকল কোম্পানির প্লেসমেন্ট শেয়ার পাকা (বিক্রয় যোগ্য) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারন অতিতে আমরা দেখেছি প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রয় যোগ্য না হওয়ার পর্যন্ত দাম গুলো ধরে রাখলেও প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রয় যোগ্য হয়ে গেলে আর দাম ধরে রাখতে পারেনি।

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে প্রিমিয়াম নিয়ে গত ১ বছরে যে কোম্পানিগুলো বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে তার সবগুলো বর্তমানে ইস্যু মূল্যের অর্ধেক হয়ে গেছে।
৪৩) আমান কটন ফাইব্রাসঃ ইস্যু মূল্য ৪০ টাকা, বর্তমান মূল্য ২৩ টাকা।
৪৪) বসুন্ধরা পেপার মিলসঃ ইস্যু মূল্য ৮০ টাকা, বর্তমান মূল্য ৫৩ টাকা।
৪৫) রানার অটোমোবাইলঃ ইস্যু মূল্য ৭৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৬২ টাকা।
৪৬) এস্কয়ার নিট কম্পোজিটঃ ইস্যু মূল্য ৪৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৩১ টাকা।

গত ৯ বছরে মিউচুয়াল ফান্ডের সংখ্যা বাদ দিলে ৯৬ টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে এর মধ্যে ৪৬ টি কোম্পানি তার ইস্যু মূল্যের নিচে চলে গেছে অর্থাৎ কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে যে দামে শেয়ার বিক্রি করেছে তার নিচে চলে গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারে কোম্পানিগুলো বোনাস শেয়ার দিয়েছে তা হিসেব করতে হবে। যারা এই সকল প্রশ্ন তুলবে আমি তাদের মতের সাথে একমত নই। কারন কোম্পানিগুলো যে বোনাস শেয়ার ইস্যু করে তা কিন্তু আমার টাকার বিপরীতে। ব্যবসার প্রবৃদ্ধির জন্য ক্যাশ টাকা কোম্পানির কাছে রেখে দিয়ে তা পুনরায় বিনিয়োগ করে। টাকা পুনরায় বিনিয়োগের পরেও যদি আয় কমে যেতে থাকে সেক্ষেত্রে শেয়ারের দাম কমবেই।

গত ৯ বছরের পরিসংখ্যানে আমরা দেখতে পাচ্ছি তালিকাভুক্ত কোম্পানির ৫০% কোম্পানি বর্তমানে তার ইস্যু মূল্যের নিচে অবস্থান করছে। গত ৯ বছরের পরিসংখ্যানে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট হয়েছে যে, কোম্পানিগুলো উচ্চ মূল্যে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য এক ধরনের অনৈতিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। ব্যবসা সম্প্রসারণ নয় বরং বিনিয়োগকারীদের বোকা বানিয়ে তাদের টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কোম্পানির এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে পুঁজিবাজারকে রক্ষা করতে পারে “শেয়ার বাই ব্যাক” আইন। কারন কোম্পানিগুলো যখন দেখবে তার ইস্যু মূল্যের নিচে গেলেই তাকে শেয়ার কিনে নিতে হবে তখন সে বোনাস শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক থাকবে পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও বেশি যত্নবান হবে।

বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল পুঁজিবাজারের জন্য বেশ কিছু ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন যদি সেই সিদ্ধান্তগুলো শক্ত হাতে বাস্তবায়ন করতে পারে তবে পুঁজিবাজারের সুদিন ফিরে আসবে। নুতন সিদ্ধান্তগুলোর পাশাপাশি “শেয়ার বাই ব্যাক” আইন প্রণয়ন করলে পুঁজিবাজারের জন্য তা হবে যুগান্তকারী এক সিদ্ধান্ত। ব্যবসা করতে গেলে লাভ-লোকসান থাকতেই পারে তাই বলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার ৫ বছর না যেতেই কোম্পানি লোকসানে চলে যাবে আর তার দাম ইস্যু মূল্যের নিচে চলে যাবে তা মেনে নেয়া যায় না। কোম্পানিগুলোর দায়বদ্ধতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সেই সাথে পুঁজিবাজারে টাকার প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তালিকাভুক্ত হওয়ার ন্যূনতম ৫ বছরের মধ্যে যে কোম্পানিগুলো ইস্যু মুল্যের নিচে চলে গেছে সেই কোম্পানি গুলোকে দিয়ে শেয়ার বাই ব্যাক করাতে হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তার ইস্যু মুল্যের উপরে উঠে। পাশাপাশি আগামীতে যে সকল কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে সেই সকল কোম্পানির ক্ষেত্রেও এই আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকার এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থারগুলোর পক্ষ থেকে একটি বার্তা পরিস্কার ভাবে কোম্পানিগুলোকে দিতে হবে। আর তা হচ্ছে যদি সত্যিকার অর্থেই ব্যবসা প্রবৃদ্ধির করতে চাও তবেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হও। অন্যথায় বিনিয়োগকারীদের লুট করা যদি হয় উদ্দেশ্য তবে সেই সব কোম্পানির পরিণতি হবে খুব ভয়ঙ্কর। আর এই বার্তাটি যেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। তবেই আমরা একটি জমজমাট পুঁজিবাজার দেখতে পাবো যা আমাদের অর্থনীতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।

লেখক: তানভীর আহমেদ,

শেয়ার বিনিয়োগকারী,উত্তরা, ঢাকা।

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

৩ Comments

  1. M G ROBBANI said:

    who will think for individual share investors? Every body think that how to suck money frorm individual share investors.

Top