মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পূর্বে যা দেখবেন: বে-মেয়াদী মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ধারণা

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পূর্বে সাধারণত যেসব বিষয় বিবেচনা করতে হয় তা হলো:

* মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কত শতাংশ বিনিয়োগ শেয়ারে বা ইক্যুইটিতে রয়েছে?

* মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কত শতাংশ বিনিয়োগ ঋণপত্রে রয়েছে?

* মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কত শতাংশ বিনিয়োগ সরকারি সিকিউরিটিজে রয়েছে?

* মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কত শতাংশ বিনিয়োগ অন্যান্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডে রয়েছে ( এক্ষেত্রে অন্যান্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর পোর্টফোলিও চেক করুন)।

আপনি যদি পোর্টফোলিও চেক করে সন্তুষ্ট হোন তাহলে বিনিয়োগ করুন।

সময়ের ওপর ভিত্তি করে মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো: ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ক্লোজ অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ওপেন অ্যান্ড বা বে-মেয়াদী মিউচ্যুয়াল ফান্ড:

* এই ফান্ডে তহবিলের মেয়াদ নির্দিষ্ট থাকে না। ইউনিট সংখ্যারও কোনো নির্দিষ্টতা থাকে না। ট্রাস্টি যতদিন চাইবে ততদিন এই ফান্ড চলমান থাকতে পারবে।

* বে-মেয়াদী মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোন স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় না। শুধুমাত্র সিলেক্টিভ ডিলারদের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় হয়।

* প্রতি সপ্তাহে শেষ কার্যদিবসে ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ করা হয়। এই তথ্য অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ওয়েবসাইটে অথবা পত্রিকাতে দেওয়া হয়; যাতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ওই স্কীমের প্রকৃত এনএভি জানতে পারে।

* যেহেতু বিনিয়োগকারীদের যেকোন সময়ে টাকার প্রয়োজন হয়, তাই ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানকে ক্যাশ রিজার্ভ রাখতে হয়।

* ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড এনএভির ভিত্তিতে লেনদেন হয় বলে বিনিয়োগকারী ক্ষতির সম্মুখীন হয় না।

বে-মেয়াদী মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সুবিধা:

* আপনি যখন ইচ্ছা তখন ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড কিনতে পারবেন আবার যখন ইচ্ছা তা বিক্রি করতে পারবেন।

* নেট অ্যাসেট ভ্যালুর ভিত্তিতে লেনদেন করার কারণে একজন বিনিয়োগকারী ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন। যেমন বিনিয়োগকারী মার্কেট ভ্যালুর ওপর ভিত্তিতে লেনদেন করায় অনেক বেশি লজুার হয়ে থাকেন। আবার মার্কেটে ক্লোজ অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের চাহিদা না থাকার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ফেসভ্যালুতে ইউনিট কিনে পরবর্তীতে সেকেন্ডারি মার্কেটে অর্ধেক দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। অন্যদিকে ওপেন ইন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড ফেসভ্যালুতে নেওয়ার পরেও নেট অ্যাসেট ভ্যালুর ভিত্তিতে লেনদেন করার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা লাভবান হয়ে থাকেন। এটি বেশি দামে ওপেন ইন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিক্রি করে যে কেউ যেকোন সময়ে তার টাকা লিক্যুইড করতে পারেন। সেক্ষেত্রে এনএভি প্রাইসে সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান ইউনিট মূল্য ফেরতে দিতে বাধ্য থাকে। ফলশ্রুতিতে যেকোন সময় একজন বিনিয়োগকারী এই ওপেন ইন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিক্রি করে তার লিকউ্যইড করতে পারেন। আর এই জন্যে ওপেন ইন্ড করতে পারেন। তাই ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিপরীতে সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানকে ক্যাশ রিজার্ভ রাখতে হয়।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ম.সা

আপনার মন্তব্য

One Comment;

  1. N said:

    Your comment… 10000 koti tk er tohobil ta pete r koto din lagbe,orthomontronaloi jachai bacai kore bangladesh bank a pathate r koto din lagbe,market to eto niche namar kotha na news koren.

Top