ডিএসইকে আইপিও নিয়ম মেনে পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ বিএসইসির

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চায় আবেদনকৃত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এর কাগজপত্র নিয়ম মেনে পর্যবেক্ষণ করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এবং এক্সচেঞ্জ ৩০ দিনের মধ্যে বিএসইসির কাছে তাদের পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট জমা দিবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র মতে, আজ সোমবার বিএসইসিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশন কোনও কোম্পানির সঠিক অবস্থান পেতে ডিএসইকে পাবলিক ইস্যু রুলস-২০১৫ যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেয়।

এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) জন্যও একই ধরনের নির্দেশনা থাকবে।

সাধারণত, একটি নতুন ইস্যুকারী কোম্পানি বিএসইসি, ডিএসই, এবং সিএসই এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছে তার আইপিও কাগজপত্র জমা দিতে হয়। স্টক এক্সচেঞ্জগুলো ৩০ দিনের মধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণের সকল রিপোর্ট বিএসইসির কাছে জমা দেয়।

সম্প্রতি, বিএসইসি লক্ষ্য করেছে যে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো আইপিও কাগজপত্র পর্যালোচনা করার ক্ষেত্রে কোনও পাবলিক ইস্যু, মিউচুয়াল ফান্ড বা কোনও সিকিউরিটিজ আইন ও নিয়মকে যথাযথভাবে অনুসরণ করে না।

এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলো পর্যবেক্ষণ রিপোর্টের পরিবর্তে সুপারিশ নিয়ে আসে।বিএসইসি পরামর্শ দিয়েছিলেন যে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে প্রস্তাবিত কোম্পানি দ্বারা শুধু বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সন্ধান করতে।

২০১৫ এর পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ী এক্সচেঞ্জগুলো কোম্পানির আবেদনের ৩০ দিনের মধ্যে পর্যবেক্ষণ জমা দেবে, যদি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) বিধি, ২০১৫, বা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধি, ২০০১, বা অন্য যে কোনও সিকিউরিটিজ আইনের সুনির্দিষ্ট লঙ্ঘন করে।

তবে যদি কোনও এক্সচেঞ্জ সময়ের মধ্যে পর্যবেক্ষণ জমা দিতে ব্যর্থ হয়, তবে কমিশন ধরে নেবে যে সংশ্লিষ্ট এক্সচেঞ্জ আবেদনকৃত কোম্পানির জমা দেয়া কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করে নাই।

গত বছরের অক্টোবরে আইপিও প্রস্তাবগুলি পর্যালোচনা করার জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিল।যা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তির মান নিশ্চিত করবে।

শেয়ারবাজার নিউজ/এন

আপনার মন্তব্য

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top