নিজেদের ডিজাইনকৃত বাঙালি পণ্যের সমাহার “রুপকন্যার গল্প”

শেয়ারবাজার ডেস্ক: সুধা একজন এন্টারপ্রিনিয়র। বি বি এ ও এম বি এ শেষ করেছে ২ বছর হল। এর মাঝে দুইটা চাকরিও করেছে। তবে বরাবর তার ইচ্ছে নিজের পরিচয়ে পরিচিত হবার মত কিছু করা। ক্রিয়েটিভ কাজ করতে ভালো লাগতো ছোট থেকেই।

তাই ৩ বান্ধবী মিলে এক বছর আগে শুরু করেছে একটা জুয়েলারি বিজনেস। যার সব টুকু নিজেদের ডিজাইন করা, নিজ হাতে বানানো। কপালের টিপ যুগ যুগ ধরে বাংলার মেয়েরা পরছে। তাই টিপের নতুনত্ব আন্তে ডিজাইনার টিপ বানিয়ে সবার খুব পছন্দের তালিকায় যেতে পেরেছে তারা।

অনেক সারা পেয়েছে। বড় বড় সেলিব্রিটি, আর্টিস্ট দের কপালে শোভা পেয়েছে সুধার বানানো টিপ। আর কটন জুয়েলারির তো চাহিদা অনেক, সেটাও মেয়েদের মন কেরেছে।

নিজেদের ডিজাইন দিয়ে বানানো প্রিন্ট করা কাপড় দিয়ে বানানো গহনা, চুড়ি কানের দুল, গলার মালা, আংটি সহ আরও অনেক কিছু। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জিন্স নেটের কাপর দিয়েও অনেক সুন্দর সুন্দর গহনা বানানো হয়।

বিজনেসের শুরুতেই এক বান্ধবী ছেড়ে যায়। মন খারাপ করেও এগিয়ে যাওয়ার খুব চেস্টা চালায় বাকি দুইজন। ভালোই চলছিল, মাথায় আকাশ ভেংগে পরে, যখন সুধার আরেক বান্ধবী গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এ ভুল চিকিৎসায় মারা যায়। এই ধাক্কা সামলে উঠতে তার অনেক সময় লেগেছে।

তবে সবার অনুরোধে সে আবার শুরু করে।এখন একাই করছে। সবার অনেক অনেক ভালবাসা তাকে আরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। সুধার যে পেজ আছে তার নাম “রুপকন্যার গল্প”
আপাতত জুয়েলারি টিপ এসব পাওয়া যাচ্ছে তবে সামনে দেশীয় শাড়ি, ছেলেদের পাঞ্জাবি, ঘর সাজানোর জিনিস সহ আরও রকমারি জিনিস আসবে।

এই পেজ একটা থিম নিয়ে এগোচ্ছে।একটা মেয়েকে প্রেজেন্ট করা হচ্ছে। যে আমাদের শিল্প সংস্কৃতি কে লালন করে।বাংঙ্গালি জিনিস নিয়ে কাজ করছে।তার নাম রুপা। কোন বিদেশি জিনিস এখানে পাওয়া যাবেনা। পেজ টা খুবই কাস্টমার ফ্রেন্ডলি। অর্ডার করার ২,৩ দিনের মাঝেই ঢাকা এবং ঢাকার বাহিরে সব জায়গায় ডেলিভারি করে থাকে।

সে এই পথ চলা আরও সুন্দর করতে, এবং দেশিও কালচারকে সবার মাঝে ধারণ করতে চায়। এটাই তার এক মাত্র লক্ষ।

পেইজটি ভিজিট করতে ক্লিক রুপকন্যার গল্প

আপনার মন্তব্য

Top