রবির আইপিওতে ২২২৭ কোটি টাকার আবেদন, সাধারণ বিনিয়োগকারী ১৩ লাখ

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া রবি আজিয়াটার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) মোট ২২২৭ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারী ১৫৮৭ কোটি টাকার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর ৬৪০ কোটি টাকার আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র মতে, প্রায় ১২ লক্ষ ৮০ হাজার সাধারণ বিনিয়োগকারী রবি আজিয়াটা লিমিটেডের আইপিওতে শেয়ারের জন্য ২৩ কোটি ২০ লাখ শেয়ার বা ২৩২ কোটি টাকার বিপরীতে ৬৪০ কোটি টাকার আবেদন করেছে।

এদিকে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা তাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১৫৮৭ কোটি টাকার আবেদন করেছে। তথ্য অনুসারে, ৬২১ জন যোগ্য বিনিয়োগকারী রবির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন জমা দিয়েছে।

সুতরাং, রবি’র আইপিও শেয়ারের যোগ্য বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মোট আবেদন ছিল প্রায় ৩৮৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ারের বিপরীতে প্রায় ২২২৭ কোটি টাকা।

এর আগে রবি আজিয়াটার আইপিওতে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ১৭ নভেম্বর। যা চলে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৪১তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা গেছে, অভিহিত মূল্যে অর্থাৎ প্রতিটি ১০ টাকায় ৫২ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩৪টি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মোট ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করবে রবি। যা হবে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ শেয়ার ইস্যু।

রবির নতুন শেয়ারের মধ্যে ৩৮৭ কোটি ৭৪ লাখ ২৪ হাজার টাকার শেয়ার আইপিওতে ইস্যু করা হবে বিনিয়োগকারীদের জন্য। বাকি ১৩৬ কোটি ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৪০ টাকার শেয়ার ইস্যু করা হবে কোম্পানির কর্মচারীদের জন্য।

প্রসপেক্টাস অনুযায়ি, ৪ হাজার ৭১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনের রবির ২০১৯ সালে টার্নওভার হয়েছে ৭ হাজার ৪৮১ কোটি ১৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এই টার্নওভার থেকে সব ব্যয় শেষে নিট মুনাফা হয়েছে ১৬ কোটি ৯০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। যা শেয়ারপ্রতি হিসেবে মাত্র ৪ পয়সা।

এর আগে ২০১৮ সালে রবির ইপিএস হয়েছিল ৪৬ পয়সা। তবে ২০১৭ সালে শেয়ারপ্রতি ২ পয়সা ও ২০১৬ সালে ১ টাকা ৮৮ পয়সা লোকসান হয়েছিল।

আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

 

 

শেয়ারবাজার নিউজ/ এন

আপনার মন্তব্য

Top