আজ: সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৯ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার |



kidarkar

ডিএসইর ৫৯তম এজিএম অনুষ্ঠিত, লভ্যাংশ অনুমোদন

শেয়ারবাজার ডেস্ক: কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সকলের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গতকাল সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর ৫৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা ডিজিটাল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএসই’র চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান৷

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতেই ডিএসই শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির যে সকল শেয়ারহোল্ডার/ট্রেকহোল্ডার প্রতিনিধি, কোম্পানির চেয়ারম্যান, সাবেক পরিচালক এবং শেয়ারহোল্ডার/ট্রেকহোল্ডার প্রতিনিধিবৃন্দের মা বাবা ভাই বোন ইন্তেকাল করেছেন তাদের পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মোনাজাত করা হয়।

ডিএসই’র ৫৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ডিএসই’র চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন৷ স্বাগত বক্তব্যে তিনি বিজয়ের এই মহান মাসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞচিওে স্মরণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান-কে এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাএিতে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দকে৷ এছাড়া স্মরণ করেন জেলখানায় শহীদ জাতীয় চারনেতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী ত্রিশ লাখ শহীদ, অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, যাদের চরম আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নাগরিকের মর্যাদায় আসীন৷ তিনি মহান আল্লাহ্ কাছে তাঁদের সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন৷

তিনি আরো বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জের সুদীর্ঘ পথ চলায় আমরা আমাদের পূর্বসুরীদের দেখানো পথ ও স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই আগামীর পথে। যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাধনায় স্টক এক্সচেঞ্জ আজ এই গৌরবময় অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছে, তাদেরকে আমরা স্বশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করছি৷ একই সাথে বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ এ যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আর যারা এখনো আক্রান্ত হয়ে চিকিত্সাধীণ আছেন তাদের আসু সুস্ততা কামনা করছি।

২০২০ সাল আমাদের জাতীয় জীবনে এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বছর। এ বছর উদযাপিত হচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। আপনারা অবগত আছেন যে, করোনা মহামারী প্রাদুর্ভাবের কারণে তার জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানসমূহ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে জনসমাগম এড়িয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে উদযাপিত হচ্ছে। আসছে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং তাঁদের জীবনমান উন্নয়নসহ সকলের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে আলোকবর্তিকা নিয়ে শেখ মুজিবুরের দেখানো পথে দেশের মানুষের জন্য অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর প্রতি আমাদের অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ডিএসই বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে-ইতিমধ্যে আমরা মুজিববর্ষ উপলক্ষে বেশকিছু কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেছি এবং নিন্মোক্ত কর্মসূচিগুলো পালনের উদ্যোগ নিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে:-

১. নব নির্মিত ডিএসই টাওয়ারের লেভেল-১ এ শেখ মুজিবুরের প্রতিকৃতি স্থাপন;

২. আধুনিক ও তথ্য সমৃদ্ধ মুজিব কর্ণার স্থাপন;

৩. বিশ্বের বিভিন্ন স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জ (ডব্লিউএফই)সহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিগনের অংশগ্রহণে বিশ্ব দরবারে সোনার বাংলা গঠনে “পুঁজিবাজার ও শেখ মুজিবুর অর্থনৈতিক স্বপ্ন” শীর্ষক একটি ওয়েবিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন;

৪. শেখ মুজিবুর, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কর্ম, ইতিহাস এবং সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জাতীয় পর্যায়ে ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে উত্তরীয় প্রদান;

৫. একটি মূল্যবান সচিত্র গ্রন্থ প্রকাশ এবং

৬. দেশব্যাপী স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন৷

আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডিএসই’র নব নির্মিত ভবন, শেখ মুজিবুর প্রতিকৃতি, মুজিব কর্ণার এবং আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আমরা মুজিব বর্ষ উদযাপনের কর্মসূচী সম্পন্ন করব৷ আপনাদের অংশগহণে মুজিববর্ষ উদযাপনের সকল কর্মসূচী প্রাণবন্ত এবং সফল হবে বলে ডিএসই বিশ্বাস করে৷

মুজিববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচিসমূহ কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় সরকার মুজিববর্ষের সময়কাল ১৭ই মার্চ ২০২০ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১পর্যন্ত বধির্ত করেছেন। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

অনেক উত্থান পতনের পর পুঁজিবাজার আজ আস্থা ও গতিশীল বাজারে পরিণত হয়েছে৷ এই গতিশীলতার পেছনে রয়েছে বর্তমান সরকারের পুঁজিবাজার বিষয়ক নীতি সহায়তা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক ভূমিকা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা, স্টক এক্সচেঞ্জের নিরলস প্রচেষ্টা, বাজার সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ সমূহের একাগ্রতা ও নিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ও প্রজ্ঞা৷

এর ফলশ্রুতিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন ১ হাজার পাঁচশত কোটি টাকা অতিক্রম করেছে৷ অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতির চিত্র ও পরিবেশ বিনিয়োগ বান্ধব, যার ফলে বাংলাদেশ আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে৷ দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে অদূর ভবিষ্যতে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি।

বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব নেয়ার পর পরই করোনাভাইরাস মহামারির প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্ব টালমাটাল হয়ে পড়ে। নিজ নিজ দেশের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দেশে দেশে চলে অবরুদ্ধ অবস্থা বা লকডাউন৷ বাংলাদেশও এর থেকে নিষ্কৃতি পায়নি৷ দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলার অংশ হিসেবে সরকার ২৬ মার্চ ২০২০ থেকে ৩০ মে ২০২০ তারিখ পর্যন্ত দফায় দফায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে৷ সরকারের এই সিদ্ধান্তের সাথে সঙ্গতি রেখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডও বন্ধ ঘোষনা করা হয়৷ এতে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক চিত্রও পাল্টে যায়৷ তবে আমরা পুঁজিবাজার তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ডিজিটাল প্লাটফর্মে কাজ শুরু করি৷

অনেক বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও পরিচালনা পর্ষদ ডিএসই’র আয়ের খাতসমূহে বৈচিএ আনতে বহুবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে: ডেটা বিক্রি, বিজ্ঞাপন, তালিকাভুক্তির ফি, প্রকাশনা, কৌশলগত অংশীদারদের কাছ থেকে সহায়তা চূড়ান্ত করার পর বিদেশি সেবা প্রদানকারীদের সাথে চুক্তি বাতিল করার মাধ্যমে অর্থ সাশ্রয়, ডিএসই টাওয়ার, কাপাসিয়ার জমি এবং ডিএসই’র মতিঝিল বিল্ডিং এর মতো সম্পত্তির যথাযথ ব্যবহার ইত্যাদি।

তবে আমাদের কাছে ডিএসই’র সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দক্ষ বিনিয়োগকারী গড়ে তোলার পাশাপাশি স্মার্ট, ত্রুটিহীন ট্রেডিং প্লাটফর্ম প্রদানের মাধ্যমে এর ভাবমূর্তি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করা। বিশ্বায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও বিকাশের ফলে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য মডেল এবং অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রেক্ষাপট ও গতিপ্রকৃতি প্রতিনিয়ত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে৷ পুঁজিবাজারের সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ক্ষেএে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের সাথে তাল মিলিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন ব্যবস্থাসহ সকল ক্ষেএেই ডিজিটালাইজেশনের ওপর ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে৷ বাজারের গতিকে ধরে রাখতে পণ্যের বৈচিএ আনয়নে-অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড, এসএমই, Fixed Income Securities (Treasury bond, Treasury bill) করপোরেট বন্ড নিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কাজ করছে৷

ইতোমধ্যে উন্নত বিশ্বের স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে তাল মিলিয়ে ডিএসই প্রিওপেনিং ও পোষ্ট ক্লোজিং সেশনও চালু করেছে৷

রহমান আরো বলেন, ডিএসই থেকে ৫টি ট্রেকহোল্ডার কোম্পানিকে এপিআই ইউএটি সংযোগ প্রদান করা হয়েছে৷ এতে অচিরেই এই সকল কোম্পানি নিজস্ব অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) এর মাধ্যমে সরাসরি ট্রেডিং কার্যক্রম চালু করতে পারবে৷ এরই ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে সকল ট্রেকহোল্ডার কোম্পানিকে এ সুযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে৷ এছাড়াও সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) নামে একটি কোম্পানি গঠিত ও নিবন্ধিত হওয়ায় এর পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়েছে এবং পর্ষদের অধিনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে৷

সকলের সর্বাত্মক সমর্থন এবং সহযোগিতা অবশ্যই যেকোন সমস্যা দূর করতে কার্যকর৷ ইতোমধ্যে সরকার একটি গতিশীল পুঁজিবাজার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে৷ দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে উদ্যোগী বিনিয়োগকারীগণ ট্রেডিং ফ্লোরে সক্রিয় থাকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ চমত্কার লেনদেন পর্ব উপভোগ করছে৷ বর্তমানে নিম্ন সুদের হার, ক্রমবর্ধমান রফতানি ও রেমিট্যান্স এবং তুলনামুলক অর্থনৈতিক সক্রিয়তার ফলে ডিএসই প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে৷

আপনারা সকলে আজকের এই ৫৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহনের মাধ্যমে আমাদের চলার পথকে আরও উত্সাহিত করেছেন৷ আমি বিশ্বাস করি আগামীতেও যে কোন কর্মতত্পরতায় দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে আমরা একযোগে কাজ করার সুযোগ পাব৷

পরে শেয়ারহোল্ডারদের উপস্থিতিতে বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২০ সালের ৩০ শে জুন তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরের কোম্পানির পরিচালকমন্ডলীর প্রতিবেদন, নিরীক্ষকবৃন্দের প্রতিবেদন, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী গ্রহণ, বিবেচনা ও সর্বসম্মতিভাবে অনুমোদিত হয়। এছাড়াও ৩০ জুন ২০২০ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছর পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশকৃত ৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয় এবং পরবর্তী অর্থবছরের জন্য নিরীক্ষক নিয়োগ ও তাঁদের পারিতোষিক নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দেন৷ ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিনে একটিমাএ মনোনয়ন পএ জমা পড়ে৷ আর কোন প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন কমিশনের সদস্য হারুনুর রশিদ নব নির্বাচিত পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমানকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে৷ ৫৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান ডিএসই’র পরিচালক হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত হন৷

সভায় বক্তব্য রাখেন মোঃ শহীদুল্লাহ সিকিউরিটিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ আনোয়ার হোসেন, শ্যামল ইকু্ইটি ম্যানেজমেন্ট লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাজেদুল ইসলাম, এন.এল.আই সিকিউরিটিজ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদ ইমরান, মডার্ন সিকিউরিটিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খুজিস্তা নূর-ই-নাহরীন, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসেস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক, রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী, প্রুডেনশিয়াল সিকিউরিটিজ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদুল হক, বুলবুল সিকিউরিটিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস শাহুদুল হক বুলবুল এবং গ্রীনল্যান্ড ইকুইটিজ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রাজিব আহসান৷

এছাড়াও ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের পক্ষে আরো বওব্য রাখেন পরিচালক মোঃ রকিবুর রহমান এবং নব নির্বাচিত পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান৷

পরে ডিএসই টাওয়ার প্রজেক্ট, নতুন প্রোডাক্টসহ শেয়ারহোরল্ডারদের বিভিন্ন প্রশ্নের দেন ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ছানাউল হক৷

 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.