ডিএসইতে চালু নেটিং সুবিধা

শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধির জন্য নেটিং সুবিধা (লেনদেনে সমন্বয়) চালু করছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

আজ বৃহস্পতিবার  থেকে এ পদ্ধতি চালু হয়েছে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৪তম কমিশন সভায়  নেটিং সুবিধার  অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ট্রেকহোল্ডারদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) নেটিং সুবিধা চালুর প্রস্তাব করে বিএসইসির কাছে। এ প্রস্তাব অনুসারে একজন বিনিয়োগকারী একটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে ওই টাকা একই দিনে আবার সে শেয়ার কিনতে পারবেন। বর্তমানে একটি কোম্পানির শেয়ারের বিক্রি মূল্যের বিপরীতে আন্যান্য কোম্পানির শেয়ার কেনা গেলেও তা ওই কোম্পানির শেয়ার কেনা যায় না।

গত আগস্টে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) বিএসইসিতে এ-সংক্রান্ত লিখিত প্রস্তাব জমা দেয়। আর দুই স্টক এক্সচেঞ্জের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ।

জানা গেছে, লেনদেনে নেটিং সুবিধা চালু হলে বিনিয়োগকারীরা একই দিনে একই কোম্পানির শেয়ার একবার বিক্রি করে আবার কিনতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে শেয়ার ও অর্থ দুটোই ম্যাচিউরড থাকতে হবে। এছাড়া এই সুবিধায় ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার ছাড়া  অন্য সব ক্যাটাগরির শেয়ার নেটিং করা যাবে।

একই দিনে একই কোম্পানির শেয়ার নেটিং সুবিধার ব্যাপারে বিএসইসির মনোভাবও ইতিবাচক বলে জানা গেছে। ডিএসইর প্রস্তাব গতকাল বিএসইসিতে পৌঁছানোর পরই তা পরবর্তী কমিশন সভার এজেন্ডাভুক্ত করা হয়েছে। আগামী কমিশন সভায় আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবে বিএসইসি।

বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত সুবিধার সম্ভাব্য সুফল বিবেচনার পাশাপাশি এবং স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান লেনদেন ব্যবস্থার উন্নততর সক্ষমতাও বিএসইসির ইতিবাচক মনোভাবের কারণ বলে জানা গেছে। অত্যাধুনিক ক্রয়-বিক্রয় আদেশ ব্যবস্থাপনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ডিএসইর নতুন লেনদেন ব্যবস্থায়।

বছরের শেষ কমিশন সভায় শেয়ার নেটিং সুবিধার প্রস্তাবটি গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এজন্য কোনো আইন পরিবর্তন করতে হবে না। শুধু একটি নির্দেশনার মাধ্যমেই প্রস্তাবিত সুবিধাটি চালু করা সম্ভব বলে মনে করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

শেয়ারবাজার রিপোর্ট

 

আপনার মন্তব্য

Top