আজ: শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১, রবিবার |



kidarkar

বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৩১ রান

শেয়ারবাজার ডেস্ক: ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশকে ২২১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৭ রানে গুটিয়ে গেছে উইন্ডিজরা।

সফরকারীদের হয়ে ১২০ বলে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন এনক্রুমাহ বোনার। ৫৩ বল খেলে জসুয়া ডা সিলভা তুলেন ২০ রান। জন ক্যাম্পবেল ৪৮ বল খেলে ১৮ রান করেন। এছাড়া কেউই দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।

রোববার মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত ক্রেইগ ব্যার্থওয়েট নেতৃত্বাধীন দলটির সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৯৮ রান। বিরতি থেকে ফিরেই দ্রুত জোড়া আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম।

প্রথম স্লিপে থাকা সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দেন ৫৩ বলে ২০ রান করা ডা সিলভা। ৮ বলে নয় রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর কাছে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন আলজারি জোসেফ।

দলীয় ১১৬ রানে নাঈম হাসাসের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন বোনার। বিদায়ের আগে ১২০ বলে ৩৮ রান তুলেন ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যান।

দিনের প্রথম ওভারে যদিও শুরু করেন ৭ রান দিয়ে। তবে দ্রুতই তিনি গুছিয়ে নেন নিজেকে। দলের প্রথম লক্ষ্য পূরণ করে দেন তিনি নাইটওয়াচম্যাচ জোমেল ওয়ারিক্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে।

গত টেস্টের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কাইল মেয়ার্স শুরু করেন প্রথম বলেই বাউন্ডারিতে। তাকেও ওই ওভারে থামাতে পারত বাংলাদেশ। আবু জায়েদের বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে কিপারের গ্লাভসে। কিন্তু আউট দেননি আম্পায়ার, রিভিউ নেয়নি বাংলাদেশ।

এই ভুলের জন্য অবশ্য ভুগতে হয়নি বাংলাদেশকে। দারুণ এক ডেলিভারিতে মেয়ার্সকে ৬ রানে এলবিডব্লিউ করে দেন সেই আবু জায়েদই।

প্রথম ঘণ্টায় আবু জায়েদের জোড়া ছোবলের পর দ্বিতীয় ঘণ্টার শুরুটাও বাংলাদেশের হয় দারুণ। তাইজুল ফেরান বিপজ্জনক জার্মেইন ব্ল্যাকউডকে।

উইকেটে যাওয়ার পরপরই আবু জায়েদের বলে দারুণ এক লফটেড ড্রাইভে ছক্কা মারেন ব্ল্যাকউড। পরে তাইজুলের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে তার পা ক্রিজ থেকে বাইরে বেরোয় সামান্য। দুর্দান্ত ক্ষীপ্রতায় বেলস উড়িয়ে দেন কিপার লিটন।

এনক্রুমা বনার ও জশুয়া দা সিলভা লাঞ্চের আগে আর উইকেট হারাতে দেননি দলকে। চতুর্থ দিনের ক্ষয় হতে থাকা উইকেটে টার্ন মিলেছে যথেষ্টই। দারুণ টেকনিক, স্কিল ও টেম্পারমেন্টের ছাপ রেখে চ্যালেঞ্জ সামাল দেন গোটা সিরিজে দারুণ পারফর্ম করা বনার ও জশুয়া।

লাঞ্চের পর আর পারেননি তারা। জশুয়াকে ২০ রানে থামান তাইজুল। আলজারি জোসেফ গিয়ে বিশাল এক ছক্কা মারেন নাঈম হাসানকে। পরের ওভারে জোসেফকেও থামিয়ে দেন তাইজুল।

নাঈম এরপর এক ওভারেই নিয়ে নেন শেষ দুই উইকেট। পুরো সিরিজে অসাধারণ টেম্পারমেনটের প্রমাণ রাখা বনার আচমকাই হয়ে ওঠেন আত্মঘাতী। নাঈমকে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন দুই পায়ের ফাঁক গলে। ৩ ঘণ্টার বেশি খেলে ৩৮ রানে শেষ হয় তার প্রতিরোধ।

ওই ওভারেই মুশফিকুর রহিমের দারুণ এক রানিং ক্যাচে কর্নওয়ালের বিদায়ে শেষ হয় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস।

প্রথম ইনিংসের ৪টির সঙ্গে দ্বিতীয় ইনিংসেও তাইজুলের শিকার ৪ উইকেট। সিরিজ জুড়ে সুবিধা করতে না পারলেও এই ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়ে শেষ করেন নাঈম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ৪০৯

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৯৬

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৪১/৩) ৫২.৫ ওভারে ১১৭ (বনার ৩৮, ওয়ারিক্যান ২, মেয়ার্স ৬, ব্ল্যাকউড ৯, জশুয়া ২০, জোসেফ ৯, কর্নওয়াল , গ্যাব্রিয়েল ; তাইজুল ২১-৪-৩৬-৪, নাঈম ১৫.৫-৫-৩৪-৩, মিরাজ ৬-১-১৫-১, আবু জায়েদ ১০-৪-৩২-২)

 

শেয়ারবাজার নিউজ/মি

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.