হাউজগুলোর প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ বাড়লো: নগদ লভ্যাংশ প্রদানে নিষেধাজ্ঞা

BSECশেয়ারবাজার রিপোর্ট : স্টক ব্রোকার/স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের নিজস্ব ও গ্রাহকদের পোর্টফোলিওতে পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির (আনরিয়েলাইজড লস) বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশনের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যেসকল স্টক ব্রোকার/স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়বে তারা ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত কোনো প্রকার নগদ লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না। সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.এম. খায়রুল হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর সেকশন ২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কমিশন, স্টক ব্রোকার/স্টক ডিলার সমূহের অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশন সংরক্ষণের জন্য সুবিধা প্রদান করলো।
ক) স্টক ডিলারদের, ডিলার হিসাবে (ডিলার অ্যাকাউন্ট) ধারণকৃত শেয়ারের ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখ ভিত্তিক (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির (Unrealized Loss) বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশন ডিসেম্বর ২০১৪ ইং হতে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) ৫টি ত্রৈমাসিক সমান অংশে (২০ শতাংশ) সংরক্ষণের ঐচ্ছিক সুবিধা প্রদান করা হলো।
খ) স্টক ব্রোকার কর্তৃক গ্রাহকদের অনুকূলে বন্টনকৃত মার্জিন ঋণের মাধ্যমে ক্রয়কৃত শেয়ারের ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখ ভিত্তিক (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশন ডিসেম্বর ২০১৪ ইং হতে ডিসেম্বর ২০১৫ ইং পর্যন্ত (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) ৫টি ত্রৈমাসিক সমান অংশে (২০ শতাংশ) সংরক্ষণের ঐচ্ছিক সুবিধা প্রদান করা হলো।
তবে এই সকল সুবিধা কেবলমাত্র ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখে সমাপ্ত বছরে (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) উদ্ভুত পুন:মূল্যায়নজনিত ক্ষতির (অনাদায়কৃত) প্রভিশনের জন্য প্রযোজ্য হবে। একই সাথে ২০১৪ সালের মূল্য হ্রাসজনিত ক্ষতিও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে। তৎপরবর্তী সময়ে রক্ষিতব্য প্রভিশন (যদি থাকে) যথানিয়মে সংরক্ষণ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, এই সুযোগসমূহ গ্রহণ করার ফলে উক্ত আর্থিক বছরের জন্য কোনো ধরণের নগদ লভ্যাংশ প্রদান করা যাবে না।

এদিকে স্টক ব্রোকার/ডিলারদের সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর জন্য একই নির্দেশনা জারি করেছে বিএসইসি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স,১৯৬৯ এর সেকশন ২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কমিশন,মার্চেন্ট ব্যাংকার সমূহের অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশন সংরক্ষণের জন্য সুবিধা প্রদান করল।
ক) মার্চেন্ট ব্যাংকারসমূহ (যার জন্য প্রযোজ্য) নিজস্ব পোর্টফোলিওতে  ধারণকৃত শেয়ারের ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখ ভিত্তিক (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশন ডিসেম্বর ২০১৪ ইং হতে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) ৫টি ত্রৈমাসিক সমান অংশে (২০ শতাংশ) সংরক্ষণের ঐচ্ছিক সুবিধা প্রদান করা হলো।
খ) মার্চেন্ট ব্যাংকার কর্তৃক গ্রাহকদের অনুকূলে বন্টনকৃত মার্জিন ঋণের মাধ্যমে ক্রয়কৃত শেয়ারের ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখ ভিত্তিক (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে রক্ষিতব্য প্রভিশন ডিসেম্বর ২০১৪ ইং হতে ডিসেম্বর ২০১৫ ইং পর্যন্ত (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) ৫টি ত্রৈমাসিক সমান অংশে (২০ শতাংশ) সংরক্ষণের ঐচ্ছিক সুবিধা প্রদান করা হলো।
তবে এই সকল সুবিধা কেবলমাত্র ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখে সমাপ্ত বছরে (অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী) উদ্ভুত পুন:মূল্যায়নজনিত ক্ষতির (অনাদায়কৃত) প্রভিশনের জন্য প্রযোজ্য হবে। একই সাথে ২০১৪ সালের মূল্য হ্রাসজনিত ক্ষতিও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে। তৎপরবর্তী সময়ে রক্ষিতব্য প্রভিশন (যদি থাকে) যথানিয়মে সংরক্ষণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, এই সুযোগসমূহ গ্রহণ করার ফলে উক্ত আর্থিক বছরের জন্য কোনো ধরণের নগদ লভ্যাংশ প্রদান করা যাবে না।

 

শেয়ারবাজার/সা/অ

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top