আজ: মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ইং, ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৭ জুলাই ২০২১, শনিবার |



kidarkar

মিউচ্যুয়াল ফান্ড: সম্পদমূল্যের তুলনায় ইউনিট দর কম ২৬টির, বেশি ১০টির

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ২০১০ সালের মহাধসের পর এক রকম অনাগ্র তৈরি হয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ারে। গত ১০ বছর তাই অবহেলিতই ছিলো খাতটি। তবে করোনাকালে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন দায়িত্বশলিদের দৃঢ় নেতৃত্বে বেশ ইতিবাচক শেয়ারবাজার। এর প্রভাব লেগেছে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে। সাম্প্রতিক সময়ে এই খাতের শেয়ারে বেশ আগ্রহ দেখা গেছে।

সর্বশেষ কার্যদিবস গত বৃহস্পতিবার লেনদেনের দিক দিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে খাতটি। এ খাতের ৩৭ টি কোম্পানির মধ্যে ওইদিন ৩৫টির দাম বেড়েছে।

শেয়ারবাজারে বর্তমানে লেনদেন হওয়া ৩৭টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১ টির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় লেনদেনে আছে ৩৬টি ফান্ড। ইতিমধ্যে সবকটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড তাদের ৩০ জুনের ক্লোজিং হিসাব অনুযায়ী সম্পদমূল্য প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া এরই মধ্যে এক সপ্তাহের ৮ জুলাই পর্যন্তও তাদের সম্পদমূল্য প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গেছে ১০টি ফান্ডের ইউনিটপ্রতি দর ৮ জুলাই প্রকাশ করা সম্পদমূল্যের তুলনায় বেশি। বাকি ২৬টির দর কম।

সম্পদ মূল্যের চেয়ে কম যেগুলোর

পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৯৮ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৬ টাকা ৯০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৪২.৪০ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৭৯ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৬ টাকা ৯০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৪১.৪৭ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৯৫ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩৭.২৩ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৪ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৬০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩৬.৮৭ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

‘১২ টাকার’ দাম ৬ টাকা ৯০ পয়সা!
এবিব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৯ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৭০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩৬.৩১ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৩৭ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৯০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩৬.১৩ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৫৮ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩৫.২৩ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৪২ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৮ টাকা ৪০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩২.৩৬ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৮ জুলাই পর্যন্ত সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৯৫ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৮ টাকা ২০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৩১.৩৮ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফিন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৯২ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২৬.৪৭ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৯০ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৮ টাকা ৯০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২৫.২১ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এমবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ২৮ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৮ টাকা ৬০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২৩.৭৫ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

আইএফআইএল ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ৯ টাকা ৫০ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৪০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২২.১০ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৭৫ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ২০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২১.৭০ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

গ্রিনডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৮০ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৩০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২১.১৮ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৮৫ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৪০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২০.৬৭ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ১৩ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৩০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২৩.৩৩ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১০ টাকা ২৯ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৮ টাকা ৩০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১৯.৩৩ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্স ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৫৪ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৪০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১৮.৫৪ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ৯ টাকা ৩৮ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৭ টাকা ৭০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১৭.৯১ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

‘১২ টাকার’ দাম ৬ টাকা ৯০ পয়সা!
আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ১৪ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১৪.৭২ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১০ টাকা ৮১ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১২.২৮ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

আইসিবি এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, স্কিম ওয়ানের সম্পদমূল্য ৯ টাকা ৫২ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৮ টাকা ৬০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৯.৬৬ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৯.৫২ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১৪ টাকা ৭৬ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ১৩ টাকা ৫০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৮.৫৩ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

গ্রামীণ ওয়ান, স্কিম টু ফান্ডের সম্পদ মূল্য ২০ টাকা ৮৬ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ১৯ টাকা ৩০ পয়সায়। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৭.৪৭ শতাংশ কম দামে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

সম্পদ মূল্যের চেয়ে বেশি যেগুলোর

সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট প্রতি দর বৃহস্পতিবার ছিল ২৪ টাকা ৬০ পয়সা। ফান্ডটির ৮ জুলাই পর্যন্ত সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ২৮ পয়সা। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১০০.৩২ শতাংশ বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

প্রাইম ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৮ জুলাই সময়ে সম্পদ মূল্য প্রকাশ করা হয়েছে ১৪ টাকা ৩৪ পয়সা। বৃহস্পতিবার ফান্ডটির ক্লোজিং প্রাইস ছিল ২০ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ফান্ডটির সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৪২.২৫ শতাংশ বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে।

আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১০ টাকা ৫৪ পয়সা। লেনদেন হচ্ছে ১২ টাকা ৮০ পয়সায়। ফলে সম্পদ মূল্যের চেয়ে ২১.৪৪ শতাংশ বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের ইউনিট প্রতি দর ১৩ টাকা ৬০ পয়সা, ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৩৬ পয়সা। সম্পদমূল্যের চেয়ে বাজারমূল্য বেশি ১৯.৭১ শতাংশ।

সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের সম্পদমূল্য ১২ টাকা ৮ পয়সা। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি দর বৃহস্পতিবার ছিল ১৪ টাকা ৪০ পয়সা। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১৯.২০ শতাংশ বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

ফিনিক্স ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বৃহস্পতিবার ইউনিট প্রতি দর ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ইউনিট প্রতি ফান্ডটির সম্পদ ৯ টাকা ৮০ পয়সা। ফলে সম্পদ মূল্যের চেয়ে ১৭.৩৪ শতাংশ বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ মূল্য ১৫ টাকা ৩৯ পয়সা। ফান্ডটি লেনদেন হচ্ছে ১৬ টাকা ৯০ পয়সায়। ফলে সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৯.৮১ শতাংশ বেশি দরে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এসইএম লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের ইউনিট প্রতি দর ১২ টাকা ৮০ পয়সা, ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৮৫ পয়সা। সম্পদমূল্যের চেয়ে বাজারমূল্য বেশি ৮.০১ শতাংশ।

এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের ৮ জুলাই পর্যন্ত সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৫৫ পয়সা। বৃহস্পতিবার ফান্ডটির ইউনিট প্রতি দর ছিল ১৩ টাকা ৫০ পয়সা। সম্পদ মূল্যের চেয়ে ৭.৫৬ শতাংশ বেশে দরে লেনদেন হচ্ছে ফান্ডটি।

এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ডের ইউনিট প্রতি দর ১২ টাকা ৮০ পয়সা, ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য ১২ টাকা ৩৮ পয়সা। সম্পদমূল্যের চেয়ে বাজারমূল্য বেশি ৩.৩৯ শতাংশ।

৪ উত্তর “মিউচ্যুয়াল ফান্ড: সম্পদমূল্যের তুলনায় ইউনিট দর কম ২৬টির, বেশি ১০টির”

  • Shahid says:

    এত সম্পদ টাকার পরও ডিভিডেন্ড দেয় না কেন???পর্যাপ্ত ডিভিডেন্ড না দিলে প্রাইস ব্যাক হবে ৪.০০টাকায়

  • Anonymous says:

    এত সম্পদ টাকার পরও ডিভিডেন্ড দেয় না কেন???পর্যাপ্ত ডিভিডেন্ড না দিলে প্রাইস ব্যাক হবে ৪.০০টাকায়

  • প্রিয়ব্রত says:

    মিউচুয়াল ফান্ড গুলো কেন ডিভিডেন্ট দিতে পারেনি তার উত্তর আসলে একবাক্যে দেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে যেসব মিউচুয়াল ফান্ড রানিং আছে ২০১০ পরবর্তী সময়ে তাদের অবস্হা ক্রমান্বয়ে খারাপ হয়েছে। এদের পোর্টফেলিও দেখলেই তা বোঝা যায়। অনেকে এসেট ম্যানেজম্যান্ট কোং কে ঢালাও ভাবে দায়ী করেন। দুর্বলতা তাদের থাকলেও সম্পুর্ন ভাবে তাদেরও দায়ী করা যায়না। ২০১০ এবং তৎপরবর্তী শেয়ার মার্কেটের ক্রমাবনতীর মুলে ছিল ব্যাংক গুলো সহ বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে মার্কেট ষ্টেবল হলে বর্তমান রেইট এ দীর্ঘমেয়াদে মিউচুয়াল ফান্ডে ইনভেষ্ট করলে ভালো রিটার্ন আশা করা যায়। ক্রমান্বয়ে ক্যাশ ডিভিডেন্ড বাড়তে পারে এবং মেয়াদপুর্তিতে ভালো এনএভি তে ক্যাপিটাল গেইন হতে পারে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.