আজ: শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১ইং, ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার |



kidarkar

অবশেষে বাতিল হলো ওটিসি মার্কেট

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে  বাতিল করা হলো ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) আওতাভুক্ত ওভার দ্যা কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট। আর এ বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪১টিকে নবগঠিত এসএমই প্ল্যাটফর্ম ও অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে। আর বাকি ২৯টিকে বাজার থেকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এমন সিদ্ধান্ত নেয়।

বিএসইসি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মনে করে বিনিয়োগকারীদের এবং পুঁজিবাজারের স্বার্থে, স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিতে যে কোম্পানিগুলো ওভার-দ্য-কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট, ইস্যুকারী, তাদের কাছে বিজ্ঞপ্তি জারি করা উচিত যে, কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত এবং ক্ষুদ্র ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্মের সাথে তালিকাভুক্ত করা হবে।

কোম্পানির স্থানান্তর/স্থানান্তর সংক্রান্ত স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর বিকল্প ট্রেডিং, ক্লিয়ারিং অ্যান্ড সেটেলমেন্ট, মানি অ্যাডজাস্টমেন্ট, মার্জিন, সার্কেট ব্রেকার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং স্টক এক্সচেঞ্জের বিকল্প ট্রেডিং বোর্ড।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জের ২০৮ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতার প্রয়োগে কমিশন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, ওভার-দ্য ট্রেডিং কোম্পানিগুলো, কাউন্টার (ওটিসি) বাজার, ইস্যুকারী কোম্পানি তালিকাভুক্ত এবং ক্ষুদ্র ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্মের সাথে তালিকাভুক্ত করার। এ জন্য নিচের নিয়ম মানতে হবে।

১। ছোট মূলধন প্ল্যাটফর্ম:

(ক) তালিকার অধীনে ওভার-দ্য-কাউন্টার (ওটিসি) বাজারে লেনদেন করা কোম্পানিগুলো শেয়ার সংযোজন: এ-১ স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষুদ্র মূলধন প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরিত হবে। ট্রেডিং প্রদানের জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট সেই কোম্পানির শেয়ারের সুবিধা এবং সেই অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহের সুযোগ তাদের প্রয়োজনীয়তা (যদি থাকে) এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যোগ্য বিনিয়োগকারী অফারগুলোর (কিউআইও) মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ক্ষুদ্র পুঁজি কোম্পানি দ্বারা যোগ্য বিনিয়োগকারী প্রস্তাব) বিধি ২০১৮ দ্বারা প্রদান করা হবে।

(খ ) ওভার-দ্য-কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে যে কোম্পানিগুলো ট্রেড করছে না সংযোজন তালিকার অধীনে: এ-২ ক্ষুদ্র মূলধন প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরিত হবে। স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য ওভার-দ্য-কাউন্টার (ওটিসি) বাজার থেকে স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া সাপেক্ষে সেই কোম্পানির শেয়ারের ট্রেডিং সুবিধা প্রদান করা তহবিল সংগ্রহের কৌশলগত পরিকল্পনা, উৎপাদন কার্যক্রম শুরু এবং প্রয়োজনীয় শেয়ার ট্রান্সফার (যদি থাকে) সম্পাদন এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এর সাথে সম্মতি এবং বিনিময় কমিশন (ক্ষুদ্র পুঁজি কোম্পানি দ্বারা যোগ্য বিনিয়োগকারী অফার) নিয়ম ২০১৮ দ্বারা প্রদান করা হবে।

(গ) যে কোন বিনিয়োগকারী ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেম (ইএসএস) এর সাথে নিবন্ধিত এসএমই -র সেকেন্ডারি মার্কেটে ট্রেড করার জন্য এক্সচেঞ্জযোগ্য বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচিত হবে।

তালিকাভুক্তরা শুধুমাত্র পঞ্চাশ লাখ টাকা এর ন্যূনতম বিনিয়োগ বজায় রাখা এর বিদ্যমান বিধান ছাড়াও পোর্টফোলিও স্টেটমেন্ট অনুযায়ী বাজারমূল্যে নিয়ম অনুযায়ী সিকিউরিটিজ পাবে।

(ঘ) স্টক এক্সচেঞ্জগুলো ছোট তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজগুলোর জন্য শ্রেণীবদ্ধকরণ বা শ্রেণীবিভাগ করবে না।

(ঙ) ক্ষুদ্র ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্মে চুক্তি লেনদেনের ক্লিয়ারিং এবং নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো সংশ্লিষ্ট স্টকের বিদ্যমান রেগুলেশনের বিধান অনুসরণ করবে।

(চ) স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষুদ্র মূলধন প্ল্যাটফর্মে সিকিউরিটিজ ট্রেডিং হবে ‘মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ’ হিসেবে বিবেচিত।

(ছ) রেফারেন্সের উপর ভিত্তি করে স্ট্যান্ডার্ড ঊর্ধ্বমুখী এবং নিম্নমুখী মূল্য পরিবর্তনের সীমা (সার্কিট ব্রেকার) মূল্য/পূর্ববর্তী ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্য হবে।

মূল্য সীমা                                                                মূল্য পরিবর্তন সীমা

১.    ১০০ টাকা পর্যন্ত‘‘                                             ২০% (বিশ শতাংশ)
২.    ১০০ -৩০০ টাকা পর্যন্ত                                     ১৮.৫০% (আঠার দশমিক পাঁচ শতাংশ
৩.    ৩০০ হতে ৫০০ টাকা পর্যন্ত                              ১৭.০০% (সতের শতাংশ)
৪.    ৫০০ হতে ১০০০ টাকা পর্যন্ত                              ১৫.৫০% (পনের দশমিক পাঁচ শতাংশ)
৫.    ১০০০ টাকার বেশী                                             ১৪%  (চৌদ্দ শতাংশ)
(জ) টিক সাইজ হবে .১০ টাকা (পয়েন্ট এক শূন্য)।

(ঝ) ট্রেডিং, ক্লিয়ারিং এবং যেকোনো নিষ্পত্তির কার্যকারিতা সম্পর্কিত কোনও সমস্যার সমাধান ক্ষুদ্র ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ, স্টক এক্সচেঞ্জগুলো বিদ্যমান স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়মাবলী অনুসরণ করবে।

(ঞ) ক্ষুদ্র ক্যাপিটাল প্লাটটফর্মে সাধারণ সূচক পদ্ধতি থাকবে, যা দ্বারা নির্ধারিত হবে যা সময়মত কমিশনকে অবহিত করতে হবে।

(ট) স্থানান্তরিত কোম্পানীর স্পন্সর, পরিচালক এবং প্রোমোটার হিসেবে বিবেচিত হবে। ক্ষুদ্র পুঁজির সেকেন্ডারি মার্কেটে ট্রেড করার উদ্দেশ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের প্লটফর্ম।

৫ উত্তর “অবশেষে বাতিল হলো ওটিসি মার্কেট”

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.