আজ: মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ইং, ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

২৪ নভেম্বর ২০২১, বুধবার |



kidarkar

বেক্সিমকো সিনথেটিকস: বিলম্বের দায় বিএসইসি ও ডিএসইর

শেয়ারবাজার ডেস্ক: শেয়ারবাজার থেকে তালিকাচ্যুত হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার ১৪ মাস পরও বিনিয়োগকারীরা এখনো বেক্সিমকো সিনথেটিকসের টাকা পায়নি।

এর জন্য দায়ি করলেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষকে দায়ী করলেন বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান।

বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শেয়ার কিনে তালিকাচ্যুত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার ১৪ মাস পরেও সেটি না হওয়ায় কোম্পানিটিতে লগ্নিকারীরা হতাশ।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্য প্রেসে এই প্রসঙ্গটি তোলা হলে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা এই কথা বলেন।

বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শেয়ার কিনে কবে টাকা দেয়া হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা ঘোষণা দিয়ে দিয়েছি যাদের কাছে বেক্সিমকো সিনথেটিকের শেয়ার আছে, তাদের শেয়ারগুলো আমরা কিনব। কিন্তু কী দামে শেয়ার কিনব সেটিসহ সব বিষয়ে গুছিয়ে আনার জন্য বিএসইসি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে দায়িত্ব দিয়েছে। তারা এখনও এটা করে নাই।’

এর আগে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর শেয়ার কিনে নিয়ে তালিকাচ্যুত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে ঢাকা ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে বার্তা দেয় বেক্সিমকো সিনথেটিকস।

লেনদেন স্থগিত হওয়ার সময় শেয়ারের দর ছিল ৮ টাকা ৪০ পয়সা। বেক্সিমকো সিনথেটিকস অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় এই শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল বিএসইসিতে।

সোয়া এক বছর আগে দেয়া প্রস্তাব অনুযায়ী এই শেয়ার বাই ব্যাকের জন্য ব্যাংকের বিশেষায়িত ‘এস্ক্রু’ হিসেবে আগেই ওই টাকা কোম্পানির পক্ষ থেকে জমা করা হবে। এরপর শেয়ারধারীদের কাছ থেকে শেয়ার ফেরত নিয়ে তার বিপরীতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের হিসাবে প্রাপ্য অর্থ ফেরত দেয়া হবে।

ব্যাংকের এস্ক্রু হিসাবে টাকা রাখলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি ছাড়া ওই হিসাব থেকে কোনো অর্থ লেনদেন করা যায় না। এ কারণে এস্ক্রু হিসাবের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের বাইব্যাক কার্যক্রম সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়।

এই সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীরা খুব একটা অখুশি ছিল এমন নয়। কারণ বাজার মূল্যের চেয়ে ২০ শতাংশের মতো বেশি টাকা পেতে পারত তারা। কিন্তু এরপর ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও সেই শেয়ার বাইব্যাকের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি।

এই সময়ে শেয়ারবাজারের সূচক বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারদর বেড়ে দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশিও হয়েছে। ফলে বেক্সিমকো সিনথেটিকের এই অর্থ পেলে বিনিয়োগকারীরা তা নিয়ে অন্য কোম্পানির শেয়ার কিনে লাভবান হতে পারতেন। এমনকি বেক্সিমকো সিনথেটিকসের শেয়ার যদি তালিকাচ্যুত না হতো, তাহলে এটির দরও অনেক বেড়ে যেতো।

বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কিনে কবে তাদের টাকা দেয়া হবে- এমন প্রশ্নে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমি কিছুদিন আগেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে রিমাইন্ডার দিয়েছি। আসলে সিনথেটিকের আউটস্ট্যান্ডিং যে শেয়ারগুলো আছে সেগুলো বেশি না। ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার শেয়ার আছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ যদি আমাদের পদ্ধতিটা ঠিক করে দেয় তাহলে আমরা শিগগিরই টাকাগুলো দিয়ে দেব।’

 

 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.