আজ: বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২ইং, ১২ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট:

১৮ ডিসেম্বর ২০২১, শনিবার |



kidarkar

সূচকের সঙ্গে বাজার মূলধন কমেছে ছয় হাজার কোটি টাকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক : গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একই সাথে কমেছে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও।‌ সপ্তাহটিতে সূচকের সঙ্গে বাজার মূলধন কমেছে ছয় হাজার কোটি টাকা

জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ১৯০ কোটি ৪৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯০ টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৫১ হাজার ৫৯০ কোটি ৭৯ লাখ ২৯ হাজার ৫৮১ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা পাঁচ হাজার ৫৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৬৪ হাজার ৮০৯ টাকা হারিয়েছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তিন হাজার ৭৩৩ কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৬ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল পাঁচ হাজার ৩০৯ কোটি ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৭৯ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন এক হাজার ৫৭৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৩ টাকা বা ৩০ শতাংশ কমেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১৬.৫৭ পয়েন্ট বা ১.৬৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৮৬৮.১৭ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৩.১৬ পয়েন্ট বা ০.৮৯ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪৫.৭৩ পয়েন্ট বা ১.৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৬২.৪৬ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ৫৮৬.৪৬ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮০টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৫টির বা ১৯.৭৩ শতাংশের, কমেছে ২৯৭টির বা ৭৮.১৬ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির বা ২.১১ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১৩৭ কোটি ৮২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৯ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৩৫ কোটি ৭০ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ৯৭ কোটি ৮৭ লাখ ৫১ হাজার ৬৭২ টাকা বা ৪২শতাংশ কমেছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৮৭.০৯ পয়েন্ট বা ১.৮৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৭৫.০৯ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ২৩০.০৬ পয়েন্ট বা ১.৮৭ শতাংশ, সিএসই-৩০ সূচক ২৫২.৪১ পয়েন্ট বা ১.৭৬ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ৩৪.২২ পয়েন্ট বা ২.২২ শতাংশ এবং সিএসআই ১৩.৯৫ পয়েন্ট বা ১.১০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২ হাজার ৬৪.৫৫ পয়েন্টে, ১৪ হাজার ৮২.৩২ পয়েন্টে, এক হাজার ৫১০.৩০ পয়েন্টে এবং এক হাজার ২৫৮.৩৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩২৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭৬টির বা ২৩.১৭ শতাংশের দর বেড়েছে, ২৪১টির বা ৭৩.৪৮ শতাংশের কমেছে এবং ১১টির বা ৩.৩৫ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

২ উত্তর “সূচকের সঙ্গে বাজার মূলধন কমেছে ছয় হাজার কোটি টাকা”

  • মোঃ সাহাব উদ্দিন মোল্লা says:

    শেয়ার বাজার ভবিষ্যতে আরো অনেক উচ্চতায় যাবে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় বর্তমান শেয়ার বাজার যেভাবে কমতে শুরু করেছে এতে বাজার নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মনোবল ভেঙে যাবে। প্রতিদিন বাজার মূলধন হারিয়ে যাচ্ছে অতিতে মতনও বাজার যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাতে বাংলাদেশ ব্যাংকে সকল বিনিয়োগকারীর এর দায়িত্ব দায়িত্ব দিতে হবে কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মহোদয় তিনি একজন বিখ্যাত ব্যাংকার দেশের সকল জানে। তিনি পারেন বর্তমান শেয়ার বাজার এর জন্য অত্যান্ত সুন্দরভাবে দায়িত্বটা পালন করতে পারেন আমরা সবাই এই আশা করি।

  • md monwar says:

    ১)সরকাররে একটা সিদ্ধান্ত নিতে এত সময় লাগবে কেন?
    ২)অর্থ মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত নিতে এত সময় লাগবে কেন?
    ৩)গভর্নর সাহেবের সমস্যা কি?
    আপনারাই তো পুঁজি বাজারকে প্রস্ন বোধক করছেন।
    জনগণ সব বোঝে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.