ফলোআপ: অ্যালায়েন্সের মামলায় হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

Allinceশেয়ারবাজার রিপোর্ট: অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজে বিদ্যমান সমস্যায় মহামান্য হাইকোর্ট তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এতে করে ২২ জুনের পর থেকে পাস হওয়া সকল সিদ্ধান্ত স্থগিতাদেশের আওতায় আসবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, অ্যালায়েন্স সিকিউরিজে ২২ জুন প্রথমবার চেয়ারম্যান কর্তৃক মুলতবী ঘোষিত বোর্ড সভার পরের কোনো সভাকে আমলে নেয়া হবে না এবং এর পর থেকে নেয়া সকল সিদ্ধান্ত স্থগিতাদেশের আওতায় থাকবে। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশ আসার পর কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করা হলে তা আদালত অবমাননার আওতায় পড়বে।

আদালতসূত্রে জানা যায়, বাদী বিদ্যমান চেয়ারম্যান পঙ্কজ রায় কোম্পানি আইন-১৯৯৪ এর ৮৫(৩) ধারা এবং কোম্পানি আইন-২০০৯ এর ৮ ধারা অনুযায়ি কোম্পানির বাকি তিন পরিচালককে বিবাদী করে পিটিশন দাখিল করেন। এর বিপরীতে হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি রেফাত আহমেদের বেঞ্চ উক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে তিন মাসের স্থগিতাদেশ জারি করেন।

স্থগিতাদেশের কারনে, চলতি বছরের জুনের ২২ তারিখে মুলতবী হওয়া সভার পরবর্তি  সকল সিদ্ধান্ত অকার্যকর হয়ে পড়বে। ফলে চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আগের বোর্ডের নির্বাচিতরাই দায়িত্ব পালন করবেন। আর অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের দুই পরিচালক পার্থ প্রতীম দাশ ও মাধব চন্দ্র দাশ এবং আইনের অধিনে সদ্য সাবেক পরিচালক তপন কৃষ্ণ পোদ্দার গঠিত বোর্ড এ আদেশের পর অকার্যকর হয়ে পড়লো।

অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) হস্তক্ষেপ দাবি করছেন হাউজটির বিনিয়োগকারীরা। দুই পক্ষের মধ্যে সমস্যা তৈরী হওয়ায় সাধারন বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন। আর্থিক ও দালিলিক কাগজপত্রগুলো বিদ্যমান চেয়ারম্যানের এখতিয়ারে থাকার কথা থাকলেও বোর্ডের সমস্যা থাকায় এখন তা ঝুলন্ত অবস্থায় পড়তে যাচ্ছে।

 

শেয়ারবাজারনিউজ/ও.সি/তু/সা

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top