ইপিএসে সেরা ২০ কোম্পানি

Companyশেয়ারবাজার রিপোর্ট: জুন ক্লোজিং’এ প্রায় বেশিরভাগ কোম্পানির সমাপ্ত অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য চুড়ান্ত ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত ৯৯ কোম্পানির সমাপ্ত অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০টি কোম্পানি রয়েছে যেগুলোর বিনিয়োগকারীদের ভাল ডিভিডেন্ডের পাশাপাশি ইপিএস বৃদ্ধিতে সেরা স্থান দখল করে রেখেছে।

এই ২০ কোম্পানির মধ্যে ইপিএসে সেরা স্থানে রয়েছে জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি যমুনা অয়েল লিমিটেড। এছাড়া তালিকায় অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো: আমান ফিড, এএমসিএল প্রাণ, এপেক্স ফুডস, সিভিও পেট্রো, ডিবিএইচ, কোহিনূর কেমিমক্যাল, মতিন স্পিনিং, এমআই সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, অরিওন ইনফিউশন, ফার্মা এইড, রহিম টেক্সটাইল, আরএসেএম, শাহজিবাজার পাওয়ার, তিতিস গ্যাস এবং এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড।

নিচে ক্রমান্বয়ে কোম্পানিগুলোর সমাপ্ত অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদনের সারমর্ম বিশ্লেষণ করা হল:

যমুনা অয়েল লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০.৪০ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি এনএভি (এনএভি) ১৩৬.৭৪ টাকা, শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ৬৭.৪৮ টাকা।

আমান ফিড লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ এবং ২০ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.০৭ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৩৫.৯০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৩০ টাকা।

এএমসিএল (প্রাণ) লিমিটেড :

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৯৫ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৬৪.৬৩ টাকা।

এপেক্স ফুডস লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে  কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিনিয়োগের উদ্বৃত্তের যথার্থ মূল্যায়নের হিসাবে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২.৬০ টাকা। অপরদিকে বিনিয়োগের উদ্বৃত্তের যথার্থ মূল্যায়ন ব্যতীত ইপিএস হয়েছে ১৪.৮৮ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিস) হয়েছে ১০৯.১৬ টাকায় এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে  ৬.৬৪ টাকা (ঋণাত্মক)।

এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৪৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.২৫ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৭৩.৪৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬.০৫ টাকা।

সিভিও পেট্রো কেমিক্যাল লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ এবং ২৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ৪০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯.১৭ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.২৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭.২৬ টাকা।

ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন লিমিটেড (ডিবিএইচ):

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য এ ডিভিডেন্ড অনুমোদন করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৯০ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৭.৩২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৯৮ টাকা (মাইনাস)।

ডেসকো:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ এবং ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ১৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.৩২ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৪.১৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৮.৯৬ টাকা।

কোহিনূর কেমিক্যাল:

৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯.০১ টাকা,শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২.৩৫ এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০.৬৯টাকা।

মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২৭ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে  ৪.২৭ টাকা, পুন: মুল্যায়নসহ শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে  ৪১.৪৩ টাকা ও পুন: মুল্যায়ন ব্যতীত এনএভিপিএস হয়েছে ৩১.২০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩.৭১ টাকা।

এমআই সিমেন্ট লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.৩৭ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৩৯.৫৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) ৭.৬৪ টাকা।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০৫  শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড  ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২০৩ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৮.৮০ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৭৪.৫১ টাকা এবং শেয়ার প্রত কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৮.৯৮ টাকা।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩০ শতাংশ ক্যাশ এবং ২০ শতাংশ স্টকসহ মোট ৫০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৯০ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২১.৩১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭.৮১ টাকা।

পদ্মা অয়েল লিমিটেড: 

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০০  শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড  ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯.৬৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৮৩.৮৫ টাকা।

ফার্মা এইডস লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮.১৬ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭.৪৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.১১ টাকা।

রহিম টেক্সটাইল লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৪০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৭৯ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৫.০৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৮.৩৭ টাকা।

আরএসআরএম স্টিল লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ এবং ২০ শতাংশ স্টকসহ মোট ২৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.৩৬ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪৫.৬৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৫.১৭ টাকা (মাইনাস)।

শাহজিবাজার পাওয়ার লিমিটেড:

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২৮ শতাংশ ক্যাশ এবং ৩ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩১ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.২০ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩০.৬০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১.৫৩ টাকা।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড: 

৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫  শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড  ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮.৯৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৮.৩৬ টাকা।

এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড:

৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৭ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ২২ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৫৭ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৯৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪০.০৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২.০৮ টাকা।

জানা যায়, জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩ কোম্পানি এখন পর্যন্ত বোর্ড সভার আয়েজন করতে পারেনি। হিসাব বছর শেষ হয়ে গেলেও ডিভিডেন্ড না দেয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি), সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়েস্টার্ণ মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের কোম্পানি সচিব গোলাম হোসেন শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে বলেন, আমাদের সরকারী অফিস এবং কিছু ইন্টারনাল বিষয়ের জন্যে ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত বোর্ড সভাটি পিছিয়ে পড়েছে। আগামী মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। আশা করি চলতি মাসেই বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ হতে পারে। আর সামনে যাতে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে দেরী না হয় এ বিষয়ে নজর রাখা হবে।

অন্যদিকে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের কোম্পানি সচিব এস কে সাহা বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থ বছরের বার্ষিক সাধারণ সভাটি (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর। আর এরমধ্যে ৩০ জুন ২০১৫’তে আবার আমাদের অর্থবছর শেষ হয়েছে। যার কারনে আমাদের শিডিউলে একটু সমস্যা হয়েছে এবং অডিট করতে দেরী হয়ে গেছে। আমাদের অডিট এখনো চলছে এবং আগামী মাসের শুরুতে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করি।

এছাড়াও জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৩টি নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়ে হতাশ করেছে বিনিয়োগকারীদের। কোম্পানিগুলো হলো: বিডি অটোকার্ড, বিকন ফার্মা, দুলামিয়া কটন, ফাইন ফুডস, ইমাম বাটন, জুট স্পিনার্স, মেঘনা কনডেন্স মিল্ক, মেঘনা পেট, মাইডাস ফাইন্যান্স, রহিমা ফুডস, সমতা লেদার, সাভার রিফ্যাক্টরিজ এবং শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড।

শেয়ারবাজারনিউজ/মু/ম.সা

 

আপনার মন্তব্য

*

*

Top