পুঁজিবাজার থেকে ৫৬ কোটি টাকা তুলতে চায় আমরা নেটওয়ার্ক

Aamra Networkশেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজার থেকে ৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করতে চায় তথ্য প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও নিয়ে আসছে কোম্পানিটি। মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এর আইপিও রোড শো।

রোডশোতে সম্ভাব্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির পরিচিতি, আর্থিক অবস্থার বিবরণ, আইপিও ইস্যুর কারণ এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। রোড শোতে জানানো হয়, আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোম্পানির ঋণ পরিশোধ, আধুনিকায়ন এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে কাজে লাগানো হবে।

উত্তোলিত অর্থ থেকে ১২ কোটি ৩৮ লাখ ৬১ হাজার ৫৮৫ টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধে। কোম্পানির অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য (বিএমআরই) ব্যয় করা হবে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা। কোম্পানিটি ১৩ কোটি ৮০ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৪ টাকা ব্যয় করে , ডাটা সেন্টার স্থাপন করবে। আর বিভিন্ন জায়গায় ওয়াইফাই হটস্পট স্থাপনের জন্য যাবে ১৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৮ হাজার ২৭১ টাকা।

আমরা নেটওয়ার্কসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি টাকা।। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.১৬ টাকা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩.২৬ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২১.৯৮ টাকা।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অন্যসব কোম্পানির মতো আমরা নেটওয়ার্কসের শেয়ারেরও অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে আইপিওতে শেয়ারের বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত হবে। আর এর উপর নির্ভর করবে আইপিওতে কোম্পানি কতগুলো শেয়ার ইস্যু করবে।

আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড মূলত ব্রডব্যান্ড তথা উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। গত এক দশক ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। শুরুতে এর নাম ছিল গ্লোবাল অনলাইন সার্ভিসেস লিমিটেড। ইন্টারনেট সেবার পাশাপাশি ভিডিও সার্ভিল্যান্স, ভিডিও কনফারেন্স, কল সেন্টার, ওয়েবসাইট হোস্টিংসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।

নিয়ম অনুযায়ী, এখন কোম্পানির আইপিওর ইস্যু ম্যানেজার সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ‘নির্দেশক মূল্য’(Indicative Price) আহ্বান করবে। প্রাপ্ত মূল্যের ভারিত গড় (Weighted Average) করে চূড়ান্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। পরবর্তীতে এর ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে নিলামের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করা হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি যে দামে শেষ হবে, সে দামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব করা হবে।

শেয়ারবাজারনিউজ/রু

আপনার মন্তব্য

Top