কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাড়ে চার হাজার কর্মী শেয়ার ব্যবসা করেন

bsec-bbশেয়ারবাজার ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী শেয়ার ব্যবসা করেন। শেয়ারবাজারের বহু গুরুত্বপূর্ণ মূল্য সংবেদনশীল তথ্য এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগেই জানতে পারেন। এ জন্য তাদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই কারণে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে শেয়ার ব্যবসা করতে না পারেন, সে চিন্তাও করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।

শেয়ারবাজার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জেনে শেয়ার কেনাবেচা বন্ধে যতটা প্রয়োজন ততটাই কঠোর হতে হবে বিএসইসিকে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বিএসইসির যথেষ্ট আইনি ক্ষমতা রয়েছে। তার পরও প্রয়োজনে সরকারের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সুপারভিশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব মার্কেটস অ্যান্ড ইস্যুয়ার কোম্পানিজ (এসআরএমআইসি) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তত সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা শেয়ার ব্যবসা করেন। ব্যাংক এবং ব্যাংকবহির্ভূত কোম্পানির ক্ষেত্রে আর্থিক বছর শেষে লভ্যাংশ ঘোষণার আগে নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংককে মূল্য সংবেদনশীল সব তথ্য জানাতে হয়। এর বাইরে বছরব্যাপী অনেক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জেনে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মীদের। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের শেয়ার কেনাবেচা নির্দিষ্ট সময় বা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করার সুপারিশ করেছে এ বিভাগ।

একইভাবে তালিকাভুক্ত ৪৭ বীমা কোম্পানির অনেক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর কর্মকর্তারা আগেই জানতে পারেন। সংস্থাটির চেয়ারম্যানসহ অন্তত ২০ কর্মকর্তার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিইআরসি) কর্মকর্তাদের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জেনে এ খাতের তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করা বা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে শেয়ার ব্যবসা করার অভিযোগ পাওয়ার পর বিইআরসি কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বিএসইসি।

জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে পৃথকভাবে এ বিষয়ে বৈঠক করবে বিএসইসি। সংস্থাগুলোকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণবিধিতে সংশোধন এনে নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ নিষিদ্ধ বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করার অনুরোধ জানানো হবে। এর বাইরে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার সংশ্লিষ্ট আইনেও সংশোধন এনে এ সংক্রান্ত ধারা সংযোজন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো: সাইফুর রহমান জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আগাম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানার এবং শেয়ারে বিনিয়োগ করার সুযোগের বিষয়ে এসআরএমআইসি বিভাগ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তিনি বলেন, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানার কারণে বিএসইসির কর্মকর্তাদের কেউ শেয়ার কেনাবেচা করতে পারেন না। এটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ২৯১ কোম্পানির মধ্যে ১১৯ কোম্পানি বাংলাদেশ ব্যাংক, আইডিআরএ ও বিইআরসির নিয়ন্ত্রণাধীন। তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রচলনের সুপারিশ এসেছে।

এদিকে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, এটা নীতি-নৈতিকতার বিষয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তারা যদি এটুকু লোভ সংবরণ করতে না পারেন, তাদের তো এসব সংস্থায় কাজ করারই অধিকার থাকে না। তবে সবাই নীতি-নৈতিকতা মেনে চলবেন- এর নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। তাই প্রয়োজনে আইন ও আচরণবিধি করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ধরনের শেয়ার লেনদেন বন্ধ করা উচিত।

বিএসইসির এক কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, আইডিআরএ এবং বিইআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণে আইন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে সরকারি অন্য কোনো সংস্থার এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার কর্মকর্তারা স্বাভাবিক কাজের অংশ হিসেবেই তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য আগাম জানতে পারেন। আবার এসব সংস্থার কর্মকর্তাদের শেয়ার ব্যবসা বা বিনিয়োগ নিষিদ্ধ নয়। এ অবস্থায় তারা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে শেয়ারে বিনিয়োগে যে সুযোগ পান, তা সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পান না। এতে সবার জন্য সমান বিনিয়োগের ক্ষেত্র সৃষ্টির উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। এ জন্য অন্তত নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রয়োজন। তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই আইন বা বিধি করা হবে।

বিএসইসির এ কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়সহ পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট যেসব অফিস তালিকাভুক্ত কোম্পানির আগাম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য পায়, তাদের শেয়ারে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণে নীতি তৈরি করা হবে।

দেশের শেয়ারবাজারে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জেনে শেয়ার কেনাবেচার (ইনসাইডার ট্রেডিং) অভিযোগ ‘ওপেন সিক্রেট’ বিষয়। বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা বেনামে, আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের নামে খোলা বিও হিসাবের মাধ্যমে বা তথ্য দিয়ে কেনাবেচা করছেন বলে অভিযোগ আছে।

রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ সংস্থা আইসিবির মাধ্যমেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রায় ৫০০ কর্মকর্তা শেয়ার ব্যবসা করেন বলে জানা যায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক বিডিবিএলসহ সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমেও অনেক সরকারি কর্মকর্তা শেয়ার কেনাবেচা করেন। এর বাইরে বেসরকারি কোম্পানির মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকেও অনেকে শেয়ার কেনাবেচা করছেন।

সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি খাতের কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল ও যমুনা অয়েলের তেল বিক্রির ওপর মার্জিন দ্বিগুণ করার খবর অফিসিয়ালি প্রকাশের অন্তত ১০ দিন আগে কিছু ব্যক্তি জেনে যায়। তারা শেয়ার কিনে বড় মুনাফাও করেছে। এর আগে গ্যাস বিতরণ ও পরিবহনে তিতাস গ্যাসের মার্জিন কমানোর খবর অফিসিয়ালি প্রকাশের তিন মাস আগেই ফাঁস হয়। এ খবর নিয়ে তিতাসের ২৬ কর্মকর্তাসহ অনেকে শেয়ার বিক্রি করে লোকসান কমান। খবরটি প্রকাশের পর তিতাসের বাজারদর ৮০ টাকা থেকে ৪০ টাকার নিচে নামে।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, বিইআরসি বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানি থেকে এসব মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যমান আইনে সুনির্দিষ্ট করে এসব সংস্থার কর্মকর্তাদের শেয়ার কেনাবেচা নিষিদ্ধ নয় বলে কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারছে না শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বিএসইসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, বছরের পর বছর ধরে দেখা যাচ্ছে ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক ও বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর কোনটি কত লভ্যাংশ দেবে এবং ত্রৈমাসিক ও অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে কত টাকা মুনাফা হয়েছে বা শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কত টাকা হয়েছে, সেসব খবরও আগেই ফাঁস হয়ে যায়। এর মাধ্যমে কতিপয় কর্মকর্তা ও তাদের সহযোগীরা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। কেবল জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক এবং বীমা খাতের কোম্পানিই নয়, অন্য অনেক কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য আগাম ফাঁস হচ্ছে। ব্যক্তিশ্রেণীর বড় বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অনেক দিনের। এমনকি তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকরা বেনামে, আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের মাধ্যমেও শেয়ার কেনাবেচা করেন।

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

৪ Comments

  1. K.S.Hossain said:

    ৩৩ লক্ষ অসহায় হতভাগ্য ও হতদরিদ্র ক্ষুদ্র বিনিওগকারীর রক্তে ১২-১৫ হাজার ( ফিগারটি সম্ভবতঃ) সংশ্লিষ্ট রেগুলেটর ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নখ-দাত আজ রক্ত-সিক্ত যেমনটি রাষ্ট্রের ও দলীয় ক্ষমতাধররা বিএসইসির মাধ্যমে ৩৩ লক্ষ নিঃস্বের রক্তে অবগাহন করছে।
    দেখেছেন দেখেছে- শেয়ার বাজারের কুত্তা-নরপিচাশ,মাদারি সরকার, মাদারি আইন, মাদারী বিএসইসির নীতি- নৈতিকতা ও দায়িত্বজ্ঞান। ইনসাইডার ট্রেডিং যা ফৌজদারি অপরাধ যার শাস্তি বাংলাদেশের মতন বিচারহীন দেশে ৫ বছর পর্যন্ত জেল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা। ইউরোপ – আমেরিকা- জাপানে আরও কঠিন থেকে কঠিন শাস্তির বিধান যা ১০০% প্রয়োগ হচ্ছে সেখানে।
    অবৈধ আইপিও অনুমোদন, ম্যনিপুলেসন ও কারসাজিতে সহায়তাকরন-গেমলিং ও মিথ্যা আর্থিক প্রতিবেদন প্রদানে নির্দিষ্ট কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে বুঝলাম না হয় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর ও বিএসইসির লুটেরা-দুর্বৃত্তরা বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থের মালিক হয়ে বিদেশে পাচার করেছে। কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে কষ্ট হচ্ছে যে, কেন কি কারনে ও কত শতাংশ হারে কমিশন লেনদেন বিনিময়ের মাধ্যমে এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার ১২-১৫ হাজার কর্মীদের এমন অবাধ লুণ্ঠনের সুজুক বিএসইসি করে দিল?
    অত্যন্ত যন্ত্রণার সাথে আমরা ভাগ্যাহতরা লক্ষ্য করে আরছি যে, কোন তথ্য-উপাত্ত ও দৃশ্যমান কারন ছাড়াই কোন কোন শেয়ার ১০-১২ দিন আগে থেকেই মূল্য বাড়তে থাকে, আমরা সকলে অপেক্ষা করি, দেখি-ভাল ডিভিডেন্ড আসুক তারপর আমরা কিনব। দেখা গেল ভাল ডিভিডেন্ড আসলো আমরা মাল কিনলাম এবং ম্যাচিউরড (matured date) তারিখে গিয়ে দেখছি আমার ২০-২৫% আসল পুঁজি নাই!অর্থাৎ ঐ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১০-১২ দিন আগে খবর জেনে মাল কিনেছে আর তারা জানে ডিভিডেন্ড কত আসবে তাই তারা আজ লভ্যাংশ ঘোষনার দিন আমদের ফিদিং করে বের হয়ে গেল। আর আমরা রিক্ত-নিঃস্বরা ২০-৩০% মূল পুঁজি হারিয়ে ধর্ষিতার-যন্ত্রণা আর গ্লানী নিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে রইলাম জীবন চলার পথে দুঃসহ অন্ধকারময় গহীন অন্ধকারে? এই কি জীবন? এই কি পুঁজিবাজারের সংজ্ঞা, নীতি-নৈতিকতা- মনুষ্যত্ববোধ?
    গেম্লিং-ম্যনিপুলেসান-কারসাজী, কেবল মালিক পক্ষের ইনসাইডার ট্রেডিং ও মিথ্যা EPS ও মিথ্যা আর্থিক প্রতিবেদনের মত গুরুতর জঘন্য অপরাধের কথা এযাবত কাল জেনে আরছি। আর আজ যে সংবাদ শুনলাম এর পর কি পৃথিবীতে আমি ও আমার মতন কোন হতভভাগ্য, যদি সুস্থ মানুষের জন্মের হই, তাহলে কি আর এই বাংলাদেশের জঘন্যতম নরকপুরীর শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করবো? আমি আশা করবো- যে ব্যক্তি নুন্যতম অক্ষর জ্ঞানসম্পুন্ন ও এই সংবাদটি ভাল করে বুঝতে ও পড়তে পারবেন সে বোধ করি এই শেয়ার বাজারে এই অবস্থার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যু অবধি আর আসবেন না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top