১৮ কোম্পানি ও ৫ ফান্ডের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

Arthik Protibadon Reportশেয়ারবাজার ডেস্ক: সমাপ্ত অর্থ বছরের নিরীক্ষিত এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৮টি কোম্পানি ও ৫টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানিগুলো হল: রেকিট বেনকিজার, আরএকে সিরামিক, ফাস ফাইন্যান্স, প্রগতী ইন্স্যুরেন্স, আইএফআইসি ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, আল আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক, বার্জার পেইন্টস, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, শাশা ডেনিমস এবং ইস্টার্ন ব্যাংক।

অন্যদিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ড গুলো হল: এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, এআইবিএল ফার্স্ট ফান্ড, এমবিএল ফার্স্ট ফান্ড, ভিএএমএলবিডি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং এল আর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর মধ্যে ন্যাশনাল হাউজিংয়ের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫৪ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪.৪০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১.১২ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৪ টাকা নেগেটিভ এবং ৩১ ডিসেম্বর’১৫ এনএভিপিএস ছিল ১৪.৭৯ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৭৯ টাকা।

ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ লিমিটেড। এর পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনীরিক্ষিত আর্থিক প্রতিদেন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি।

দুই বছরের অন্তবর্তীকালীন ডিভিডেন্ড মিলিয়ে এক বছরের ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি অর্থাৎ ২০১৫ সালের জন্য কোম্পানিটি গত বছরের জুলাই মাসে ৫০০ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে। এর পর চলতি বছরে মে মাসে ১৫০ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে।

এই দুই অন্তবর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড মিলিয়ে কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের মোট ৬৫০ শতাংশ চূড়ান্ত ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করে রেকিট বেনকিজার। জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৮.৭৩ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৪৩.৪৮ টাকা এবং শেয়া্র প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬১.৪৫ টাকা।

এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩০ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ২১ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত (জানুয়ারি-জুন ১৬) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। সেই অনুযায়ী এর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫.০৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৬২.০৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৩.৫৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৯.১০ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৩৮.৫২ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ৬৩.৮৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২.৩১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ১১.৯৫ টাকা।

আরএকে সিরামিকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আরএকে সিরামিকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৯৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৬২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১.২৫ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৪ টাকা নেগেটিভ এবং এনএভিপিএস ছিল ১৬.৩২ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৬৬ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৫.৪০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৩.২৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪৬ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৬.৪৫ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ১৪.৭০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি মুনাফা থেকে লোকসানে গেছে।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫৩ টাকা।

প্রগতী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৮.১১ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭২ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.৫০ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ৫০.৩৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ৪ শতাংশ।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৩১ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংকের গত ছয় মাসে (জানু’১৬-জুন’১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.৬১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৪৩ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১২.৫৯ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬.০৮ টাকা যা আগের বছর একই সময়ে ২৩.৬৬ টাকা ছিল। এসময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.৬৪ টাকা যা আগের বছরের একই সময় ৪.৯৪ টাকা নেগেটিভ ছিল। গত তিন মাসে (এপ্রিল’১৬-জুন’১৬) ইপিএস হয়েছে ১.০৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৩ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৫ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৯৭ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৫৫ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.৫১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১.৫১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস রয়েছে অপরিবর্তীত।
এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.২৫ টাকা।

লাফার্জ সুরমার দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮১ টাকা। তার আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১. ১৬ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় লাফার্জের ইপিএস কমেছে ০.৩৫ টাকা বা ৩০.১৭ শতাংশ। এদিকে গত তিন মাসে (এপ্রিল-জানুয়ারি’১৬) ইপিএস হয়েছে ০.৩৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ০.৬৬ টাকা।

ন্যাশনাল ব্যাংকের গত ছয় মাসে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.২১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৬৬ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৫ টাকা বা ৪৫.৪৫ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ১৯.১১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৭.৯২ টাকা। এবং শেয়া্র প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনওসিএফপিএস) দাড়িয়েছে ৪.৫৬ টাকা (নেগেটিভ), যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫.২১ টাকা। এছাড়া শুধুমাত্র দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৯৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৩ টাকা।

ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের গত ছয় মাসে (জানু’১৬-জুন’১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.৪১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৩৬ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস সামান্য পরিমানে বেড়েছে।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭.২৬ টাকা যা আগের বছর একই সময়ে ২৬.৪২ টাকা ছিল। এসময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৪৫ টাকা যা আগের বছরের একই সময় ০.৪৪ টাকা ছিল।

গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের গত ছয় মাসে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৬৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৪ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.০৯ টাকা এবং ১২.১৬ শতাংশ।
একই সময়ে কোম্পানির নিট সম্পদমূল্য দাড়িয়েছে ৪০ কোটি ৫৫ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৯ টাকা, যা ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে ছিল ৩৮ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।

গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.০৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৯০ টাকা। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ৭০.৩৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭৩.৮৭ টাকা।

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৭৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২২.৯১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.১০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.৭০ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৩.৪৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.০৫ টাকা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৮০ টাকা।

আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৯.৬১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৮১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭১ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৮.৮১ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৬.০৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৩ টাকা বা ৬০.৫৬ শতাংশ।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫২ টাকা।

বার্জার পেইন্টসের অর্ধবার্ষিকে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৪৮.৯৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৪.৮২ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৪১ শতাংশ বেড়েছে।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২০৮.৩৫ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৮৬.৪২ টাকা। অর্ধবার্ষিকে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬৪.০৮ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ৩৫.১৫ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২২.৫২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৬.৬৫ টাকা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের গত ছয় মাসে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.০৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৪ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৬০ টাকা এবং ৫৭.৬৯ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ১৪.৮২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৩.৪৯ টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়া্র প্রতি নিট কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান ৬.৯২ টাকা (নেগেটিভ), যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.০৮ টাকা।

শাশা ডেনিমস: জানুয়ারি, ২০১৫ থেকে জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ১৮ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.৫৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪.০৭ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৮৭ শতাংশ বেড়েছে।

একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪৪.৮৬ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪১.৫৭ টাকা। শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬.৭৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.৭৯ টাকা। এদিকে, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটি আগামি ১৭ আগস্ট ট্রাস্ট মিলনায়তনে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।

ইস্টার্ণ ব্যাংকের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ২.৩২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৭৭ টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকটির ইপিএস ৩১ শতাংশ বেড়েছে।

আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৮.০৭ টাকা। গত বছরের একই সময় যা ছিল ২৮.৫৯ টাকা। এদিকে, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১.০৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ০.৮৬ টাকা।

প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা পুঁজিবাজারে তলিকাভুক্ত পাঁচ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এর দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে (ইপিইউ) হয়েছে ০.২১ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৪৭ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ১.৬২ টাকা (ঋণাত্মক)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.০৮ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৩৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.৬৪ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.৮০ টাকা ও ১১.১২ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন১৬) হিসাব শেষে ফান্ডের ইপিইউ হয়েছে ০.৪১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা।

এআইবিএল ফার্স্ট ফান্ডের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ১.১৯ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.২২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৭২ টাকা (মাইনাস)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৭০ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.১৬ টাকা। যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.৫২ টাকা ও ১১.৬১ টাকা।

এমবিএল ফার্স্ট ফান্ডের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ০.২৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.২৭ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৩৫ টাকা (মাইনাস)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা (মাইনাস)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৫২ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.৩০ টাকা। যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.০৩ টাকা ও ১১.৩৯ টাকা।

ভিএএমএলবিডি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ০.৩৩ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৪৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১১.১৯ টাকা।

এবং এল আর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের তৃতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’১৫-জুন’১৬) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ি, ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ০.৩০ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.২৫ টাকা (ঋণাত্মক)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.১৩ টাকা (মাইনাস)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৩৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.৫৪ টাকা। যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.২৮ টাকা ও ১১.৩৭ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন১৬) হিসাব শেষে ফান্ডের ইপিইউ হয়েছে ০.৪৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৬৪ টাকা।
শেয়ারবাজারনিউজ/মু

আপনার মন্তব্য

Top