৬০ কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ

Arthik Protibadon Reportশেয়ারবাজার রিপোর্ট: প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে রয়েছে ৫৫টি কোম্পানি এবং ৫টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানিগুলো হলো: ম্যারিকো, ব্র্যাক ব্যাংক, লিন্ডে বাংলাদেশ, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, ওয়ান ব্যাংক, সিঙ্গার বাংলাদেশ, লংকা বাংলা ফাইন্যান্স, বিডি ফাইন্যান্স, ব্যাংক এশিয়া, ন্যাশনাল হাউজিং, রেকিট বেনকিজারের, আরএকে সিরামিক, ফাস ফাইন্যান্স, প্রগতী ইন্স্যুরেন্স, আইএফআইসি ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, লাফার্জ সুরমা, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, বার্জার পেইন্টস, আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, শাশা ডেনিমস, ইস্টার্ণ ব্যাংক, পপুলার লাইফ, এবি ব্যাংক, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, এক্সিম ব্যাংক, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, বাটা সু লিমিটেড, জিএসপি ফিন্যান্স, নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, সাউথইস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট।

অন্যদিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ড গুলো হল: এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, এআইবিএল ফার্স্ট ফান্ড, এমবিএল ফার্স্ট ফান্ড, ভিএএমএলবিডি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং এল আর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর মধ্যে, ম্যারিকো’র প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল১৬ জুন১৬) অনীরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রথম প্রান্তিকের  আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪.১৭ টাকা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ৬৮.৩৭ টাকা এবং নিট কার্যকরী নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭.৩২ টাকা।

ব্র্যাক ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানু১৬ থেকে জুন১৬)  ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩১.৩৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.৪৪ টাকা এবং ৩0 জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৬.৪৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ১.০৮ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৮৬ টাকা।

লিন্ডে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১.৮৮ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২০৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৫.৬৬ টাকা।

যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ইপিএস ১৬ টাকা, এনএভি ১৭৬.৩০ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ৩৭.২৯ টাকা।

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে পাইওনিয়র ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮০ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৫৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩২.৯৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১.৭২ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.২০ টাকা নেগেটিভ এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৯.৬৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৮ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৬৪ টাকা।

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.২৫ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.২৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫২.২৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ২.০১ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ০.৪৪ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৪৮.০৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.২৪ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৯০ টাকা।

শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩.৮৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৫৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৮ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ২.৮৮ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৬.০৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫৩ টাকা।

রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৭৫ লাখ ৩২ হাজার ১০৭ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৩ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.০৯ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫.১৪ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.১৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৮৩ টাকা (নেগেটিভ)।

প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.০৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.১২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৯০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.৬৯ টাকা নেগেটিভ এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৭.৪২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৫ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৬১ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ওয়ান ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.৬০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.০৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৯ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১০.৫৯ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৬.৪০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১৫ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৪৭ টাকা।

সিঙ্গার বাংলাদেশের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস)। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’১৬-জুন’১৬) আর্থিক প্রতিবেদনে পর্যালোচনায় দেখা যায়, কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৩.৪৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ০.৯৬ টাকা ছিল।

জানা যায়, কোম্পানির ইপিএস দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩.৪৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় চারগুন বেড়েছে ইপিএস। অন্যদিকে, সর্বশেষ তিনমাসেও (এপ্রিল’১৬-জুন’১৬) কোম্পানির ইপিএস উল্লেখযোগ্য পরিমানে বেড়েছে। এ সময় কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ২.৬৫ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ১.০৪ টাকা ছিল। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৯.৪৫ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ১৮.৪৮ টাকা ছিল।

লংকা বাংলা ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২৮ কোটি ৫১ লাখ ৩০ হাজার টাকা (সমন্বিত)। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০২টাকা (সমন্বিত)। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.০৯ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২২.৩২ টাকা (সমন্বিত)। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২২.৬৩ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪.৫২ টাকা (নেগেটিভ)। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২.৭৭ টাকা (নেগেটিভ)।

বিডি ফাইন্যান্সের অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি থেকে জুন) কোম্পানির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.০৩ টাকা। অর্থাৎ ইপিএস ১৫৬৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া সর্বশেষ তিনমাসের কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.২৮ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ১.০৮ টাকা ছিল। আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.৬৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (৬.৪৭) টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ১৫.৬০ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল (৪.৫৯) টাকা।

ব্যাংক এশিয়া’র শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৬৩ শতাংশ কমেছে। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি থেকে জুন) ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ০.৩১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৮৩ টাকা। অর্থাৎ ইপিএস ৬৩ শতাংশ কমেছে।

আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৯.৮৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (১৩.৫২) টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ১৯.৩৩ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ২.৩৪ টাকা।

এদিকে গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ০.১১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৯ টাকা। অর্থাৎ ইপিএস ৭৮ শতাংশ কমেছে।

ন্যাশনাল হাউজিংয়ের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫৪ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪.৪০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১.১২ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৪ টাকা নেগেটিভ এবং ৩১ ডিসেম্বর’১৫ এনএভিপিএস ছিল ১৪.৭৯ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৭৯ টাকা।

রেকিট বেনকিজারের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত (জানুয়ারি-জুন ১৬) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। সেই অনুযায়ী এর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫.০৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৬২.০৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৩.৫৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৯.১০ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৩৮.৫২ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ৬৩.৮৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২.৩১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ১১.৯৫ টাকা।

আরএকে সিরামিকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আরএকে সিরামিকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২০ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৯৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৬২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১.২৫ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৪ টাকা নেগেটিভ এবং এনএভিপিএস ছিল ১৬.৩২ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৬৬ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৫.৪০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৩.২৩ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৪৬ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৬.৪৫ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ১৪.৭০ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটি মুনাফা থেকে লোকসানে গেছে।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫৩ টাকা।

প্রগতী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৮.১১ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭২ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.৫০ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ৫০.৩৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ৪ শতাংশ।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৩১ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংকের গত ছয় মাসে (জানু’১৬-জুন’১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.৬১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৪৩ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১২.৫৯ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬.০৮ টাকা যা আগের বছর একই সময়ে ২৩.৬৬ টাকা ছিল। এসময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.৬৪ টাকা যা আগের বছরের একই সময় ৪.৯৪ টাকা নেগেটিভ ছিল। গত তিন মাসে (এপ্রিল’১৬-জুন’১৬) ইপিএস হয়েছে ১.০৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৩ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৫ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৫৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৯৭ টাকা।

যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৫৫ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.৫১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১.৫১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস রয়েছে অপরিবর্তীত।

এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.২৫ টাকা।

লাফার্জ সুরমার দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮১ টাকা। তার আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১. ১৬ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় লাফার্জের ইপিএস কমেছে ০.৩৫ টাকা বা ৩০.১৭ শতাংশ। এদিকে গত তিন মাসে (এপ্রিল-জানুয়ারি’১৬) ইপিএস হয়েছে ০.৩৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ০.৬৬ টাকা।

ন্যাশনাল ব্যাংকের গত ছয় মাসে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.২১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৬৬ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৫৫ টাকা বা ৪৫.৪৫ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ১৯.১১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৭.৯২ টাকা। এবং শেয়া্র প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনওসিএফপিএস) দাড়িয়েছে ৪.৫৬ টাকা (নেগেটিভ), যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫.২১ টাকা। এছাড়া শুধুমাত্র দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৯৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৩ টাকা।

ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের গত ছয় মাসে (জানু’১৬-জুন’১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.৪১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৩৬ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস সামান্য পরিমানে বেড়েছে।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭.২৬ টাকা যা আগের বছর একই সময়ে ২৬.৪২ টাকা ছিল। এসময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৪৫ টাকা যা আগের বছরের একই সময় ০.৪৪ টাকা ছিল।

গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের গত ছয় মাসে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৬৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৪ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.০৯ টাকা এবং ১২.১৬ শতাংশ।
একই সময়ে কোম্পানির নিট সম্পদমূল্য দাড়িয়েছে ৪০ কোটি ৫৫ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৯ টাকা, যা ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থ বছরে ছিল ৩৮ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।

গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.০৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৯০ টাকা। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ৭০.৩৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭৩.৮৭ টাকা।

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৫ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৭৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২২.৯১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.১০ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.৭০ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২৩.৪৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.০৫ টাকা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.০৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৮০ টাকা।

আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৯.৬১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৮১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭১ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ৮.৮১ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৬.০৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৩ টাকা বা ৬০.৫৬ শতাংশ।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫২ টাকা।

বার্জার পেইন্টসের অর্ধবার্ষিকে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৪৮.৯৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৪.৮২ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৪১ শতাংশ বেড়েছে।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২০৮.৩৫ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৮৬.৪২ টাকা। অর্ধবার্ষিকে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬৪.০৮ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ৩৫.১৫ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২২.৫২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৬.৬৫ টাকা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের গত ছয় মাসে (জানু১৬ থেকে জুন১৬) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.০৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৪ টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৬০ টাকা এবং ৫৭.৬৯ শতাংশ।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ১৪.৮২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৩.৪৯ টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়া্র প্রতি নিট কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমান ৬.৯২ টাকা (নেগেটিভ), যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.০৮ টাকা।

শাশা ডেনিমসের জানুয়ারি, ২০১৫ থেকে জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ১৮ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭.৫৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪.০৭ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৮৭ শতাংশ বেড়েছে।

একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪৪.৮৬ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪১.৫৭ টাকা। শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬.৭৯ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.৭৯ টাকা। এদিকে, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটি আগামি ১৭ আগস্ট ট্রাস্ট মিলনায়তনে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।

ইস্টার্ণ ব্যাংকের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ২.৩২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৭৭ টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকটির ইপিএস ৩১ শতাংশ বেড়েছে।

আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৮.০৭ টাকা। গত বছরের একই সময় যা ছিল ২৮.৫৯ টাকা। এদিকে, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১.০৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ০.৮৬ টাকা।

প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা পুঁজিবাজারে তলিকাভুক্ত পাঁচ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে

এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এর দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে (ইপিইউ) হয়েছে ০.২১ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৪৭ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ১.৬২ টাকা (ঋণাত্মক)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.০৮ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৩৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.৬৪ টাকা। যা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.৮০ টাকা ও ১১.১২ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন১৬) হিসাব শেষে ফান্ডের ইপিইউ হয়েছে ০.৪১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা।

এআইবিএল ফার্স্ট ফান্ডের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ১.১৯ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.২২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৭২ টাকা (মাইনাস)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৭০ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.১৬ টাকা। যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.৫২ টাকা ও ১১.৬১ টাকা।

এমবিএল ফার্স্ট ফান্ডের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ০.২৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.২৭ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৩৫ টাকা (মাইনাস)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা (মাইনাস)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৫২ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.৩০ টাকা। যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.০৩ টাকা ও ১১.৩৯ টাকা।

ভিএএমএলবিডি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৬) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ০.৩৩ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৪৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১১.১৯ টাকা।

এবং এল আর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের তৃতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’১৫-জুন’১৬) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ি, ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ০.৩০ টাকা।

ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.২৫ টাকা (ঋণাত্মক)। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.১৩ টাকা (মাইনাস)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ি ফান্ডটির ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৩৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ি এনএভি হয়েছে ১০.৫৪ টাকা। যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত ছিল যথাক্রমে ১১.২৮ টাকা ও ১১.৩৭ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন১৬) হিসাব শেষে ফান্ডের ইপিইউ হয়েছে ০.৪৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৬৪ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে পপুলার লাইফের রেভেনিউ এ্যাকাউন্ট কমেছে ২৭৫ কোটি ৬৯ লাখ ৮৭ হাজর ৬০৪ টাকা বা ৭.৯১ শতাংশ। আর বীমা তহবিলের পরিমাণ হচ্ছে ২ হাজার ৬১২ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে বীমা তহবিলের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৩৬ কোটি ৯৩ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

এবি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.৪১ টাকা। এদিকে অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪০.৯১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৪.৫৬ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৪০.১৫ টাকা । গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪.১৫ টাকা।

উল্লেখ্য, তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৬) এ ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.২৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.২০ টাকা।

ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭০ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৮৭ টাকা (মাইনাস) এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৮০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.১৫ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৭.৩৬ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫৬ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস)সামান্য বেড়েছে। তবে গত তিন মাসে ব্যাংকটির ইপিএস কমেছে। অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ২.১৫ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২.১১ টাকা।

আলোচিত সময়ে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩০.৩১ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩০.২১ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (৪.৩০) টাকা। যা আগের একই সময়ে ছিল ৬.৮৫ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ১.৬৫ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৮৬ টাকা। দেখা যাচ্ছে গত তিন মাসে ব্যাংকটির মুনাফা কমেছে। একই সময়ে এনওসিএফপিএস হয়েছে ৩.৮৭ টাকা। যা এর আগে ছিল ২.৩১ টাকা।

আইডিএলসি ফাইন্যান্স দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৫১ টাকা যা এর আগের বছর একই সময় ৩.২৫ টাকা ছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩১.৯৮ টাকা। এদিকে, প্রথম প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৮.৭৫ টাকা (ঋণাত্মক) যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২.৩১ টাকা।

সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১.০৭ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.০৫ টাকা। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২.১৭ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ২১.৬১ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৯০ টাকা। যা আগের একই সময়ে ছিল ১.১৭ টাকা।

এক্সিম ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এক্সিম ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৩ টাকা। এদিকে অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.২৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৬.৫০ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৪.৮৩ টাকা (নেগেটিভ)। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.১৫ টাকা।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৭৪ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬০ টাকা। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮.০৩ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৬.৮৮ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (১.০১) টাকা। যা আগের একই সময়ে ছিল ১.২৮ টাকা।

ইউনিয়ন ক্যাপিটালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-জুন’১৬) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এ কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.০১ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) করেছে ০.২৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৭ টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬.৬১ টাকা। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৭.৭৬ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৪.৪৭ টাকা (নেগেটিভ)। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭.৪৬ টাকা (নেগেটিভ)।

মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৯৮ টাকা। এর আগের বছরেও একই ইপিএস ছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৩০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৪২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪১ টাকা।

ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১.৩৫ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.৩৮ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস সামান্য বেড়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৯.৩২ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ৩৭.৯১ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫০ টাকা।

ইষ্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬১ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.১২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২১.৪৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.১১ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ০.১৪ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২২.৪৭ টাকা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৫২ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬২ টাকা। এছাড়া তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৬) এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.২৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৪ টাকা।

এদিকে অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৭২ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫.১৩ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ০.৭৫ টাকা (নেগেটিভ)।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.২৩ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানির ইপিএস ছিল ২.০৭ টাকা। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৩.৪৬ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ২৩.৬৭ টাকা। এ সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ হয়েছে ৬.৬৩ টাকা (নেগেটিভ) যা আগের বছরের একই সময়ে ৭.৩৭ টাকা (নেগেটিভ)।

বাটা সু লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) অর্ধবার্ষিকে ২৮ শতাংশ বেড়েছে। অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫.৭৯ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২০.১৩ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ২৮ শতাংশ বেড়েছে।

আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৩২.০৩ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৯৭.০১ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬.৯৯ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ সমাপ্ত সময়ে ছিল (১১.০৬) টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৪.১৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৯.৪১ টাকা।

জিএসপি ফিন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) অর্ধবার্ষিকে ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৯৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৫৫ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৬৯ শতাংশ বেড়েছে।

আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬.০৫ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১৬.৬৮ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (২.৩৭) টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ সমাপ্ত সময়ে ছিল ৩.৩৮ টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৪৮ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৪ টাকা।

নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের নর্দার্ণ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮১ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৭৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ০.৪৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ছিল ১.৭৪ টাকা, সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ১.১৮ টাকা নেগেটিভ এবং ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২০.৭৭ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৭ টাকা।

গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৬) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ০.৯১ টাকা।

ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) অর্ধবার্ষিকে ৭৪ শতাংশ কমেছে। অর্ধবার্ষিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.২৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৪০ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৭৪ শতাংশ কমেছে।

আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১.৫০ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ শেষে ছিল ১১.২৭ টাকা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.১৩ টাকা। যা ৩১, ডিসেম্বর, ২০১৫ সমাপ্ত সময়ে ছিল (১.৯৫) টাকা। এদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.১২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.২২ টাকা।

সাউথইস্ট ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১.৪২ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে তা ১.৮২ টাকা। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৮.৭৩ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ২৬.৭৯ টাকা ছিল। এ সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.৬৬ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩.০০ টাকা (ঋণাত্মক)।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের জানুয়ারি’২০১৬ থেকে ৩০ জুন’২০১৬ পর্যন্ত ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ০.৪০ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে কনসলিডেটেড ইপিএস ছিল ০.২৮ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

একই সময়ে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৫.৬৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ছিল কনসলিডেটেড এনএভি ছিল ১৫.৪৪ টাকা।

এছাড়া ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২.৩৮ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে কনসলিডেটেড এনওসিএফপিএস ছিল (৪.৭৫) টাকা।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সমন্বিত (কনসলিডেটেড) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) অর্ধবার্ষিকে ২৭ শতাংশ বেড়েছে। জানুয়ারি’২০১৬ থেকে ৩০ জুন’২০১৬ পর্যন্ত ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ১.৪৪ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে কনসলিডেটেড ইপিএস ছিল ১.১৩ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস ২৭ শতাংশ বেড়েছে।

একই সময়ে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২১.১৯ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ছিল কনসলিডেটেড এনএভি ছিল ২০.১৫ টাকা। এছাড়া ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭.৭৩ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে কনসলিডেটেড এনওসিএফপিএস ছিল ৪.১৮ টাকা।

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের অর্ধ-বার্ষিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৯৪ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ০.৯০ টাকা ছিল। এসময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৬১ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ১৪.৬৭ টাকা। এ সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.৪৭ টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ০.২৭ টাকা ছিল।

প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.২০ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১.৩৫ টাকা। এদিকে, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ০.৩১ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২.১১ টাকা। দেখা যাচ্ছে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস ৮৫ শতাংশ কমেছে।

একই সময়ে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি পকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২.৮১ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ২৪.৩২ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.৪৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.০৭ টাকা।

এদিকে, পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগের তিন কার্যদিবসে ব্যাংকটির শেয়ার দর ১৬.৫০ টাকা থেকে ৪.২৪ শতাংশ কমে ১৫.৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। হঠাৎ ব্যাংকটির শেয়ারের মূল্য পড়ে যাওয়ায় সাধারন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরবর্তীতে জানা গেল ব্যাংকটির পর্ষদ সভা ২৮ তারিখ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু এর তারিখ আগাম ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পর্ষদ সভায় অনুমোদন পাওয়া অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে তিন মাসে লোকসান গোনার পাশাপাশি ছয় মাসে ব্যাংকটির আয় আশঙ্কা জনক হারে কমেছে।

ফারইস্ট ফাইন্যান্সের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১.৩৪ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৫ টাকা।

একই সময়ে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়িত শেয়ার প্রতি পকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৫.৫৮ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ১২.৫৬ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে (০.৫৪) টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল (৩.৬৮) টাকা।

শেয়ারবাজারনিউজ/রু

Tags , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

আপনার মন্তব্য

Top