শিগগিরই লাইসেন্স ফিরে পাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স

Standerd Iinsuranceশেয়ারবাজার রিপোর্ট: শিগগিরই লাইসেন্স ফিরে পাচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স। তবে বিষয়টি নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্তের উপর। আর লাইসেন্স ফিরে পেতে বীমা নিয়ন্ত্রক আইডিআরএ আপত্তি করবে না বলে জানিয়েছে।

সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের স্থগিত লাইসেন্স বিষয়ে কী করা যেতে পারে, তা জানতে চেয়ে বীমা নিয়ন্ত্রক বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এর কাছে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জবাবে এটা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়ে দিয়েছে আইডিআরএ।

আইডিআরএর চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদ এ প্রসঙ্গে শেয়ারবাজারনিউজ ডটকমকে বলেন, ‘কোম্পানিটির সঙ্গে অসংখ্য বিনিয়োগকারী ও বীমাগ্রহীতার ভাগ্য জড়িয়ে রয়েছে। তাই সরকার চাইলে যেকোনো সময় কোম্পানিটি চালু করা যেতে পারে। এ নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

এ প্রসঙ্গে কোম্পানিটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, লাইসেন্স ফিরে পেতে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছি।

এর আগে, পুন:বীমা সংক্রান্ত ব্যাপক অনিয়মের কারণে গত বছরের ২১ জুন থেকে তিন মাসের জন্য স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের লাইসেন্স স্থগিত করে আইডিআরএ। পরে কোম্পানি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে আইডিআরএর নির্দেশনা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন আদালত। হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যায় আইডিআরএ। পরে চেম্বার বিচারপতি শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। আর বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। গত ৩০ জুলাই পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শেষে চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রেখে আইডিআরএর সিদ্ধান্তকে বৈধতা দেন আপিল বিভাগ।

এদিকে, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের লাইসেন্স বাতিল হলেও যথারীতি লেনদেন চালু রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির। তবে প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন এখনও চূড়ান্ত করতে পারেনি। তাই ডিভিডেন্ডের ঘোষণাও আসেনি। যদিও কোম্পানিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে হিসাব জমা দেয়ার সময় বাড়িয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স। ২৯ কোটি ৫৭ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৯৫ লাখ ৭২ হাজার ১৫৭। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৫২.৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৭.৫৭ শতাংশ শেয়ার। অবশিষ্ট ১০.০৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে।

ডিএসইতে গত তিন মাস কোম্পানিটির শেয়ার মূল্য ১১ টাকার মধ্যে ঘুরছে।

শেয়ারবাজারনিউজ/আ

আপনার মন্তব্য

Top