আহমেদ রশিদ’ই ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট

laliশেয়ারবাজার রিপোর্ট: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সিকিউরিটিজ হাউজের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহমেদ রশিদ লালীকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (২৩ নভেম্বর) সংগঠনটির নব-নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের এক নির্বাচনের মাধ্যমে আহমেদ রশিদ লালীকে প্রেসিডেন্ট, জনাব মোস্তাক আহমেদ সাদেক কে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মিসেস খুজিস্তা নুর-ই-নাহরীনকে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে।

জনাব আহমেদ রশীদ লালী: আহমেদ রশীদ লালী বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ডিএসই’র ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। জনাব আহমেদ রশীদ লালী দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডিএসই’র একজন সদস্য হিসেবে পুঁজিবাজারের সাথে জড়িত। পুঁজিবাজার উন্নয়নে তিনি সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশের পুঁজিবাজার পূণর্গঠনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর আগে তিনি ফেব্রুয়ারী ২০০৬ থেকে মে ২০০৮ পর্যন্ত ডিএসই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফেব্রুয়ারী ২০০৫ থেকে ফেব্রুয়ারী ২০০৬ পর্যন্ত ডিএসই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ২০০০ থেকে মার্চ ২০০৩ পর্যন্ত তিনি ডিএসই’র কাউন্সিলর হিসেবে দায়িতদ্ব পালন করেন। এছাড়াও জনাব লালী আঞ্চলিক স্টক এক্সচেঞ্জসমূহের সংগঠন সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জেস এর ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৪ সালে ডিএসই’র যাত্রার শুরুতেই তার মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউজ ডিএসই’র সদস্য পদ লাভ করেন।

মোস্তাক আহমেদ সাদেক: দীর্ঘ ৩৫ বছরের পুঁজিবাজারের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মোস্তাক আহমেদ সাদেক বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ডিএসই’র ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এর সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। জনাব মোস্তাক আহমেদ সাদেক বর্তমানে ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসেস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর শিক্ষা জীবন শেষ করেন।

মিসেস খুজিস্তা নুর-ই-নাহরীন: অত্যন্ত দক্ষ, কর্মঠ ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক খুজিস্তা নুর-ই-নাহরীন দীর্ঘদিন যাবৎ পুঁজিবাজারের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সুনামের সাথে উত্তরোত্তর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তাঁর মডার্ন সিকিউরিটিজ লিঃ ২০০৫ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যপদ লাভ করে। বর্তমানে তিনি উক্ত ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। খুজিস্তা নুর-ই-নাহরীন জুন ১০, ২০১৩ সালে ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে এর প্রথমবারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ পরিচালক নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিস্ট্রি বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর সংগঠনটির প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ডিবিএ’র ২৪১ জন সদস্য তাদের ভোট প্রদান করেন। যেখানে এর নেতৃত্বদাতা হিসেবে ১৫ জনকে নির্বাচন করেন সদস্যরা।

ডিবিএ’র নির্বাচনে বিজয়ী ১৫ জন হলেন, ডিএসইর সাবেক সভাপতি ও রয়েল গ্রীন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশিদ, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক, ইউনিক্যাপ সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ালি উল ইসলাম, ডিবিএল সিকিউরিটিজের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, মডার্ন সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খুজিস্তা নূর-ই নাহরীন, এমডি শহিদুল্লাহ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ আনোয়ার হোসেন, রাস্তি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রেদোয়ানুল ইসলাম, প্রাইলিংক সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, গ্লোবাল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিচার্ড ডি রোজারিও, কান্ট্রি স্টক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা আসিফ আহমেদ, শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাজেদুল ইসলাম, থিয়া সিকিউরিটিজের মাহবুবুর রহমান, শাহেদ সিকিউরিটিজের শাহেদ আব্দুল খালেক এবং সাদ সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসাইন।

তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন হারুন সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদ। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন, গ্লোব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান ও এম অ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ।

শেয়ারবাজারনিউজ/রু

আপনার মন্তব্য

Top