অনিয়মে জর্জরিত ইনফরমেশন সার্ভিসেস

isnltdশেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রায় ১২ বছর হয়ে গেলেও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ( বিএসইসি) অধিকাংশ নির্দেশনা না মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করছে তথ্য প্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান ইনফরমেশন সার্ভিসেস লিমিটেড। নিয়ন্ত্রক সংস্থার  নির্দেশনা অনুযায়ি, যে সকল যোগ্যতা অর্জন করার বাধ্যবাধকতা আছে তা না মেনেই ফাঁকি দিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে কোম্পানিটি।
বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক সম্ভবনা থাকলেও রহস্যজনকভাবে এই কোম্পানি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। ২০১৩ সালে সাধারন বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষনা করলেও ২০১৪ অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেনি। বর্তমানে জেড ক্যাটাগরিতে অবস্থানরত কোম্পানিটি বিএসইসি’র বিভিন্ন আইন পরিপালনেও নিচ্ছে ছলচাতুরির আশ্রয়।  মূল্য সংবেদনশীল তথ্য গোপন করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ লঙ্ঘন করছে বলে শেয়ারবাজারনিউজ ডট কমের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

কোম্পানি পরিচিতি:
ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড ১৯৯৬ সালের ৬ জুন আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি বাংলাদেশে প্রথম কোম্পানি হিসেবে ইনটারনেট সার্ভিস প্রভাইডার (আইএসপি) হিসেবে কাজ শুরু করে। এর পরে প্রতিষ্ঠিত আইএসপি কোম্পানিগুলো ক্রমান্বয়ে ভালো করলেও পিছিয়ে পড়ছে ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড। নতুন অনেক পন্য ও সুবিধা চালু করলেও ব্যবসায়িকভাবে উন্নতি হচ্ছে না কোম্পানির। সম্প্রতি ২০১৩ অর্থবছর শেষে সাধারন বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড ঘোষনা না করায় কোম্পানিকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেয়া হয়।
৪ কোটি ৮০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। কোম্পানির মাত্র ১৭.৯১ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে আছে । আর সাধারন বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৬২.৫৩ শতাংশ শেয়ার।

রাইট নিয়ে কারসাজি:
ইনফরমেশন সার্ভিসেস লিমিটেডের বিরুদ্ধে রাইট শেয়ার ইস্যু নিয়ে কারসাজির অভিযোগ ওঠে । কোম্পানিটি তাদের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে ২০১২ সালের ২৪ মার্চে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তাদের ১R:১ অনুপাতে রাইট শেয়ার ইস্যু করার অনুমতি শিগগিরই পেয়ে যাবে বলে প্রচার করে।  সে সময় এর শেয়ার দরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। কিন্তু এরপরই কোম্পানিটি বিএসইসি আইনের ২০ নং ধারা পরিপালন করতে পারছে না এ মর্মে রাইট শেয়ার ইস্যুর কাজ স্থগিত করে। উল্লেখ্য, বিএসইসি (তৎকালিন এসইসি) রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমতি দান করে এ শর্তে যে এসইসি আইনের সকল ধারা সঠিকভাবে পরিপালন করতে হবে।
রাইট শেয়ার ইস্যু করা হবে এ খবরে সল্প সময়েই কোম্পানির শেয়ারের দর অনেক বাড়তে শুরু করে। ১৯ থেকে ২০ টাকা দরে লেনদেন হওয়া শেয়ার হঠাৎ করেই ২৯ থেকে ৩০ টাকা দরে লেনদেন হওয়া শুরু করে। রাইট শেয়ার ইস্যু করার জন্য সকল আইন পরিপারন করা সম্ভব হয়নি এ খবরে আবার কোম্পানির শেয়ারের দর কমতে শুরু করে। এ ব্যপারে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে ধরে। কারন কোম্পানি যেখানে জানে যে সকল আইন পরিপালিত হয়নি সেক্ষেত্রে কেনই বা রাইট শেয়ারের আবেদন করলো। এই একটি তথ্যেই কারসাজি চক্র কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। পরিচালনা পর্ষদের অবহেলাতেই কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি চক্র লাভবান হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন সাধারন বিনিয়োগকারীরা।
২০০৬ সালের বিএসইসি রাইট ইস্যু রূলস্ আইন অনুযায়ি, কোনো কোম্পানির উদ্যেক্তা পরিচালকের হাতে ৩০ শতাংশের কম শেয়ার থাকলে রাইট শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। এরপরও কোম্পানিকে রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমতি দেয়া হয়।

পরিচালক নিয়োগে অনিয়ম:
বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির  ক্ষেত্রে কোম্পানিটি নিয়েছে ছলচাতুরির আশ্রয়। প্রতিবেদনে কোন উদ্যোক্তা-পরিচালকের কত পরিমান শেয়ার আছে তা শতাংশের হিসেবে দেয়ার কথা থাকলেও কোম্পানি শুধুমাত্র শেয়ার সংখ্যার পরিমান দিয়েছে। বাজারে কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার। বিএসইসি’র নির্দেশনা অনুযায়ি, প্রত্যেক পরিচালককে মোট শেয়ারের অন্তত ২ শতাংশ থাকতে হবে। এই হিসাবে প্রত্যেক পরিচালকের নুন্যতম ২ লাখ ১৮ হাজার ৪০০ শেয়ার থাকতে হবে। শেয়ারের পরিমান হিসাব করে দেখা যায়, পরিচালকদের মধ্যে কোম্পানির ভাইস-প্রেসিডেন্ট শিরিন হকের শেয়ারের পরিমান ২ লাখ ৯ হাজার ৫৭৭ এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুল আলমের শেয়ারের পরিমান ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯০৮ টি শেয়ার। অর্থাৎ, শিরিন হক ও হাবিবুল আলমকে বিএসইসি’র নির্দেশনা অমান্য করেই পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এদিকে কোম্পানির পরিচালকের সংখ্যা নূন্যতম ৫ থেকে ২০ জনের মধ্যে থাকার কথা থাকলেও কোম্পানির পরিচালকের সংখ্যা ৪ জন। এক্ষেত্রেও বিএসইসি’র নির্দেশনা অমান্য করা হয়েছে।

সাবসিডিয়ারির ফাঁকি:
সম্প্রতি ইনফরমেশন সার্ভিসেস লিমিটেড গোল্ডেন কি নামক একটি কোম্পানি কিনে নেয়। কোম্পানির সূত্রে জানা যায়, গোল্ডেন কি নামক কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২ লাখ টাকা। এবং ইনফরমেশন সার্ভিসেস ১ লাখ ২ হাজার টাকায় গোল্ডেন কি’র ৫১ শতাংশ শেয়ার কিনে কোম্পানিটিকে সাবসিডিয়ারিতে রুপান্তরিত করে। ২০১৩ সালে মাত্র ১ লাখ ২ হাজার টাকা দিয়ে কেনা কোম্পানির বিপরীতে ইনফরমেশন সার্ভিসেস ঋণ পরিশোধ করে ১০ লাখ ১৬ হাজার ১৪৭ টাকা।
মাত্র ২ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির এত লোকসান কেন হলো। আর সাধারন বিনিয়োগকারীদের অনুমতি না নিয়ে এমন লোকসানি কোম্পানিকে কেন সাবসিডিয়ারি করা হলো তা একরকম রহস্য। তাছাড়া যে লোকসান কোম্পানি গোল্ডেন কি’র জন্য গুনছে তার বিপরীতে কোনো সঞ্চিতিও কোম্পানি সংরক্ষন করেনি।
ডিএসই’র ওয়েবসাইটে কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য থাকার কথা থাকলেও গোল্ডেন কি’কে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি করার কোনো তথ্য সেখানে নেই। এমনকি বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানিতে অর্থলগ্নি করা সাধারন বিনিয়োগকারীদের মতামত নেয়ার জন্য বিশেষ সাধারন সভা (ইজিএম) করার বাধ্য-বাধকতা থাকলেও তা পরিপালন করা হয়নি।

কারন ছাড়াই মূল্য বাড়ে:
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, প্রায়ই কারন ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দর অনেক বেশি বেড়ে যায়। ডিএসই’র অনুসন্ধানের পর দর বাড়ার কোনো ধরনের কারন খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই সাধারন বিনিয়োগকারীদের ধারনা, প্রায়ই কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি হয়।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা যায়, কোম্পানির পরিচালক হাবিবুল আলম, মোস্তফা আকবর, আখতারুজ্জামান মঞ্জু, আজিমুল হক কয়েক দফায় ২০১২ সালের জুলাই মাসে প্রায় ৫৮ হাজার শেয়ার কিনেন ১৫.৫০ টাকা থেকে ১৬ টাকা দরের মধ্যে। অথচ মে-জুন মাসেই কোম্পানির শেয়ারের মূল্য প্রায় ২৮.৮০ টাকা থেকে ২০.৫০ টাকা দরের মধ্যে লেনদেন হয়। আবার উদ্যোক্তা-পরিচালকগন শেয়ার কেনার পরের মাস থেকেই শেয়ারের দর বাড়া শুরু করে। এ সময়ের মধ্যে কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল কোনো ধরনের তথ্য ছিল না। কেনই বা শেয়ারের দর হঠাৎ করে বাড়লো এবং কেনই বা হঠাৎ করে কমে গেল সে ব্যপারে কোনো কারন খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) দুইবার ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) একবার অস্বাভাবিক মূল্য বাড়ার কারন অনুসন্ধান করলেও অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানায় কোম্পানি। অর্থাৎ কারন ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দর প্রায়ই বাড়ে। তাই এ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি হয়েছে বলে ধারনা করেন বাজার বিশ্লেষকরা।

মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই:
নতুন কোনো পন্য বা সেবা যা কোম্পানির মুনাফার সাথে সম্পর্কিত সেসকল তথ্যকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে ডিএসই’র কাছে নিয়মিত হালনাগাদ করার নিয়ম থাকলেও তা পরিপালন করেনা কোম্পানিটি। কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি আইপি ফোন নামক একটি নতুন সেবা চালু করে কোম্পানিটি। কিন্তু ডিএসই’তে কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্যর মধ্যে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কোম্পানিটি নতুন একটি কোম্পানি কিনে তাকে সাবসিডিয়ারি করলে  সে ব্যাপারে কোনো ধরনের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য দেয়া হয়নি ডিএসই’র ওয়েবসাইটে।
কর অব্যহতি থাকলেও কাজে লাগেনি:
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য ২০১৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত ১০ শতাংশ করে কর অব্যহতি সুবিধা দেয়া হলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি ইনফরমেশন  সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড। ক্রমাগত লোকসানি কোম্পানিতে পরিনত হচ্ছে কোম্পানিটি। ২০০৯ সালে ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা মুনাফা করা কোম্পানি ২০১০ সালে ৯৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুনাফা করে যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায় । ২০১১ ও ২০১২ সালে এ দুই বছর কোম্পানি যথাক্রমে ৫৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ২৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা মুনাফা করে। ২০১৩ সালে এসে দেখা যায় কোম্পানির কর প্রদানের পর লোকসানের পরিমান প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কোম্পানিটি এত পরিমান মুনাফাও কোনো বছর করতে পারেনি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি ও বর্তমান অবস্থা:
১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০০২ সালে। সর্বশেষ অর্থবছরে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত থাকা কোম্পানিটি এ বছর সাধারন বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড ঘোষনা না করায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেয়া হয়। মুনাফার ব্যপারে কোনো সময়ই কোম্পানি নিয়মিত থাকতে পারেনি। অন্যদিকে ২০০৯ সালের পর থেকে কোম্পানিটি নিয়মিতভাবে সংকটের দিকে এগুচ্ছে।  ২০০৯ সাল থেকে ক্রমাগত মুনাফার পরিমান কমতে থাকে এবং ২০১৩ সালে এসে কোম্পানি বিশাল অঙ্কের লোকসানের সম্মুখিন হয়। ২০১৩ সালে কোম্পানি কর পরিশোধের পর  ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা লোকসান দেখিয়েছে। এসময় শেয়ার প্রতি লোকসানের পরিমান দাঁড়িয়েছে ১.০৩ টাকা। পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্তির পর থেকে কোম্পানি এত পরিমান মুনাফাও কোনো বছর করতে পারেনি। তাই স্বাভবিকভাবেই সাধারন বিনিয়োগকারীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে কোম্পানির এত নাজুক অবস্থারন কারন কি?
বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৬.১২ টাকা এবং পিই রেশিও নেগেটিভ পর্যায়ে রয়েছে। সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরিক্ষিত আর্থিক (জুলাই’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) অনুযায়ি, কোম্পানি কর প্রদানের পর মুনাফার পরিমান দেখিয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয়ের (ইপিএস) পরিমান দেখিয়েছে ০.০১ টাকা। আগের বছর একই সময় লোকসান দেখিয়েছে ১০ লাখ ৪ হাজার টাকা ও ০.০৯ টাকা।

কোম্পানির বিগত ৭ বছরের চিত্র :

বছর    কর পরিশোধের পর মুনাফা/লোকসান    শেয়ারপ্রতি আয়/লোকসান    ডিভিডেন্ড
২০০৭    ৮৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা                                ১.২৪ টাকা           ১৫ শতাংশ স্টক
২০০৮    ১ কোটি ৫০ হাজার                                        ১.২৩ টাকা            ৫ ক্যাশ
২০০৯    ৯৬ লাখ ৬ হাজার টাকা                                  ১.১৮ টাকা           ১০ শতাংশ স্টক
২০১০    ৯৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা                                  ১.০৫ টাকা            ১০ শতাংশ স্টক
২০১১    ৫৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা                                  ০.৫৫ টাকা             ৫ শতাংশ স্টক ও ৫ ক্যাশ
২০১২    ২৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা                                  ০.২৯ টাকা             ৫ শতাংশ স্টক
২০১৩    ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা                          ১.০৩ টাকা (লোকসান)      কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড দেয়নি

কোম্পানির বক্তব্য:
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কোম্পানি সচিব মো:নুরুজ্জামান বলেন, “গোল্ডেন কি তো আমাদের অনেক আগে কেনা কোম্পানি। এটি ভালো করবে। আর পরিচালকের বিষয়টি বোর্ড অব ডিরেক্টর্সসের সদস্যরা ভালো বলতে পারবেন। আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না।”

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top