১১ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

Arthik Protibadon Reportশেয়ারবাজার রিপোর্ট: অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১১ প্রতিষ্ঠান। এগুলো হলো- ইফাদ অটোস, কেয়া কসমেটিকস, বার্জার পেইন্ট, শাশা ডেনিমস লিমিটেড, এমবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এআইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রিলায়েন্স ওয়ান, এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, গ্রীন ডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান। আজ (২৪ জানুয়ারি) কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ইফাদ অটোস: দ্বিতীয় প্রান্তিকে(জুন-ডিসেম্বর’১৬) ইফাদ অটোসের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ২.৬৫ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৩৯ টাকা বা ১৪.৭১ শতাংশ।

এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৮২.৪৭ টাকা।

এদিকে, গত তিন মাসে  (অক্টোবর-ডিসেম্বর‘১৬) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০ ৫ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.৪০ টাকা।

কেয়া কসমেটিকস: প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর’১৬) কেয়া কসমেটিক্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৪০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১৭.২৯ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.১৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৩ টাকা (নেগেটিভ)।

শাশা ডেনিমস: অন্তর্বর্তীকালীন ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের খাতের কোম্পানি শাশা ডেনিমস লিমিটেড। কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২.৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে কোম্পানিটির জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৬৩ টাকা। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৩.৪৯ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪৫.৯৯ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪২.৩৫ টাকা। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এসওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ১.১৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২.৬৩ টাকা।

বার্জার পেইন্ট: অন্তর্বর্তীকালীন ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি বার্জার পেইন্টস লিমিটেড। কোম্পানিটি ১২ মাসের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এছাড়া কোম্পানিটির জানুয়ারি-ডিসেম্বর, ২০১৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮২.১৭ টাকা। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬৪.৩৭ টাকা।

সর্বশেষ ৩ মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৬) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯.৬৬ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৯.০৩ টাকা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ২৪১.৫৯ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৮৬.৪২ টাকা। এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এসওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০০.৭৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৯২.৯০ টাকা।

উল্লেখ্য, ফিন্যান্সিয়াল অ্যাক্ট, ২০১৬ এর আদলে কোম্পানিটির হিসাব বছর মার্চ ক্লোজিং করা হয়েছে। যে কারণে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এই ১২ মাসের অন্তবর্তীকালীন ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। সামনে কোম্পানিটির ১৫ মাসের ক্লোজিং হবে। তখন জানুয়ারি ২০১৬ থেকে মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি চূড়ান্ত ডিভিডেন্ড দেবে বার্জার পেইন্টস।

এমবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.১৭৪৯ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৪০ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ১.৬২০৯ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.৩৯ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৮৭ টাকা যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.০৩ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.২১ টাকা যা ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৩৯ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.১০৯৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.০৫২৬ টাকা।

এআইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০২১৭ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.০৮ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ১.৫৩৯৫ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.৪৯ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৯৩ টাকা যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৫২ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.২৪ টাকা যা ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৬১ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৩৪৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.১০৮৩ টাকা।

রিলায়েন্স ওয়ান: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.৩৭ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.২৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.১২ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.১৭ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১২.৬৯ টাকা যা ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১২.০৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.০১ টাকা যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৬৫ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.২৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.০৩ টাকা।

গ্রীন ডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.১০৫ টাকা (নেগেটিভ) এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৫৭ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.৩০৩ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.৯৫ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৫৮ টাকা যা ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৬৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.০২ টাকা যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৬৩ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০২৩৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২০২ টাকা (নেগেটিভ)।

ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৭৭৫ টাকা (নেগেটিভ) এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৪০ টাকা(নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.২৫৮৬ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.০১ টাকা (নেগেটিভ)।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১০.৫২ টাকা যা ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৬০ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১০.০৩ টাকা যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৮৩ টাকা।

এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৩৭ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২২১৬ টাকা (নেগেটিভ)।

এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: প্রথম প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ০.০৫৪৮ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৪২ টাকা (নেগেটিভ)।  যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.২০৮৩ (নেগেটিভ) এবং এনওসিএফপিইউ ০.১৬ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৩১ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৫৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ৯.৯৮ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৫৪ টাকা।

ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: প্রথম প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ০.০৮ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.১০ টাকা।

আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৭৫ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.১৭ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.৬১ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.২৮ টাকা।

শেয়ারবাজারনিউজ/এম.আর

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top