ধসের কবলে ইমাম বাটন

imam-button-logoশেয়ারবাজার রিপোর্ট: টানা ৫ কার্যদিবস ধরে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই  পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের ‘জেড’ ক্যাটাগরির ইমাম বাটন লিমিটেডের শেয়ার দর কমছে। বুধবার সপ্তাহের ৪র্থ কার্যদিবসে কোম্পানিটি টপটেন লুজারের শীর্ষে অবস্থান করছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

বুধবার, কোম্পানির শেয়ার দর ৭.৭০ টাকা থেকে ৮.৮০ টাকায় উঠানামা করে সর্বশেষ ৮.৮০ টাকায় লেনদেন হয়। কোম্পানিটির মোট ১১ হাজার ৪টি শেয়ার ১৬ বার হাত বদল হয় যার বাজার মূল্য ৮৭ হাজার টাকা।

গত এক মাসে এ কোম্পানির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর ছিল যথাক্রমে ১১.১০ টাকা ও ৭.৯০ টাকা। ৫ কার্য দিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দর ১০.৭০ টাকা থেকে ৭.৯০ টাকায় নেমে বর্তমানে ফেস ভ্যালুর নিচে অবস্থান করছ

জানা যায়, এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাওয়ায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে দর বাড়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়। তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয় অপ্রকাশিত কোনো ধরনের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।

কোম্পানি ৩০ জুন ২০১৪ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য কোন প্রকার ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি। সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ি, ইমাম বাটনের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-১৪, ডিসেম্বর ১৪) কর প্রদানের পর লোকসান করেছে ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৭৪ টাকা।

স্বল্প-মূলধনী ও দুর্বল মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি হওয়ায় ইমাম বাটনের শেয়ার লেনদেনে কারসাজি হবার প্রবনতা রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর পুঁঞ্জিভুত লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটি ২০১০ সালে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিলো। এর পর থেকে বরাবর লোকসানে থাকায় এখন পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের আর কোনো ধরনরে ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি। কোম্পানির মোট ৭৭ লাখ শেয়ারের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৩২.৮৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪.২৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরকাছে রয়েছে ৫২.৮৫ শতাংশ।

শেয়ারবাজার/ মু

 

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top