প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

global protibadগত ৩০ মার্চ ২০১৫ তারিখে ‘অনিয়মের আরেক নাম গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স’ শিরোনামে শেয়ারবাজার নিউজ ডটকমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ঐ সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। কোম্পানি সচিব এসএম জসিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রতিবাদ লিপিটি বুধবার শেয়ারবাজার নিউজ ডটকমের অফিসে পৌছানো হয়। কোম্পানির প্রতিবাদের বিষয়বস্তু নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো :

অনিয়মের আরেক নাম গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স’ শিরোনামে গত ৩০/০৩/২০১৫ তারিখ অপরাহ্ন ১:১০ মিনিটে আপনাদের অনলাইন পত্রিকা ‘শেয়ারবাজার নিউজ.কম’এ প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আমাদের বক্তব্য নিম্নরূপ:

শেয়ারবাজারঃ অনিয়মে জর্জরিত হয়ে পড়েছে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

আমাদের বক্তব্য :  অত্র কোম্পানি বিগত ২০০৫, ২০০৬, ২০০৭ সালে যথাক্রমে ১০%, ৫%, ৭% হারে ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নিয়মিত ১০% এবং তদুর্ধ হারে ষ্টক ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছে। অনিয়মে জর্জরিত কোন কোম্পানির পক্ষে এরকম ধারাবাহিকভাবে ডিভিডেন্ড দেয়া সম্ভব নয়।

শেয়ারবাজারঃ অত্র কোম্পানি কর্পোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন (সিজিজি) ভঙ্গ করলেও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

আমাদের বক্তব্য :  অত্র কোম্পানি দ্বারা এ পর্যন্ত কর্পোরেট কর্পোরেট গর্ভন্যান্স গাইডলাইন (সিজিজি) ভঙ্গ হয়নি বিধায় বিএসইসি’র পক্ষ থেকে কোন ব্যাবস্থা গ্রহনের প্রয়োজন হয়নি।

শেয়ারবাজার : বীমা আইন ২০১০ মোতাবেক ৩ বছর সময়সীমার মধ্যে কোম্পানির পরিশোধিত  মূলধনের লক্ষমাত্রা ৪০ কোটি টাকা করার কথা থাকলেও অত্র কোম্পানি তা ৪ বছরেও পুরন করতে পারেনি।

আমাদের বক্তব্য : বীমা আইন ২০১০ এর ২১নং ধারার ৩নং উপধারায় বর্নিত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও সময়সীমার মধ্যে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা পুরনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার ব্যাপারে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোন গাইডলাইন পাওয়া যায়নি। তদুপরি প্রতিবছর ষ্টক ডিভিডেন্ড প্রদানের মাধ্যমে অত্র কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ারবাজারঃ প্রধান নির্বাহী নেই। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ছাড়াই কোম্পানিটি ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আমাদের বক্তব্য : প্রধান নির্বাহী ব্যতীত অত্র কোম্পানি এ পর্যন্ত কোন ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালিত করেনি। পূর্বের সিইও পদত্যাগ করলে তার পদত্যাগের তারিখ থেকেই বীমা আইন অনুসরন করে ভারপ্রাপ্ত সিইও দায়িত্ব পালন করেছেন। শেয়ারবাজার নিউজ.কম এ প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বেই অত্র কোম্পানির জন্য একজন মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পর্ষদ কর্তৃক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং যথারীতি তা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এর অনুমোদনের জন্য প্রেরন করা হয়েছে।

শেয়ারবাজারঃ সিজিজি লংঘনঃ ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর বিএসইসি’র জারী করা নির্দেশনা অনুযায়ী কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের  সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশ শেয়ার থাকতে ববে- কিন্তু ২০১৩ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের কাছে মোট ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

অন্যদিকে পর্ষদের কোন পরিচালক ২ শতাংশের কম শেয়ার ধারন করতে পারবেন না বলে বলা হলেও এ সোম্পানির ৪ জন পরিচালক ২ শতাংশের নিচে শেয়ার ধারন করছেন।

আমাদের বক্তব্য : ২২ নভেম্বর ২০১১ এর বিএসইস’র জারী করা নির্দেশনায় পরিচালনা পর্ষদের কাছে ৩০ শতাংশ নয় বরং সকল উদ্যোক্তা/প্রমোটার্স/পরিচালকদের কাছে ৩০ শতাংশ শেয়ার থাকার কথা বলা হয়েছে। সেইমতে অত্র কোম্পানির সকল উদ্যোগতা/প্রমোটার্স/পারিচালকদের কাছে বর্তমানে ৩৫.৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

বিএসইসির জারীকৃত ০৭/১২/২০১১ তারিখের নোটিফিকেশনে ২% শেয়ার এর বাধ্যবাধকতা কেবলমাত্র উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের ক্ষেত্রে কার্যকর। সাধারন শেয়ার হোল্ডারদের মধ্য হতে নির্বাচিত পরিচালকদের জন্য তা প্রযোজ্য নয় বলে উল্লেখ আছে। সেমতে কোম্পানিটিতে যে চারজন পরিচালকের ২% এর নিচে শেয়ার রয়েছে তারা সাধারন শেয়ারহোল্ডার থেকে মনোনিত পরিচালক।

সিজিজি লংঘনসহ দুএকটি জায়গায় বিএসইসি এবং আইডিআরএ’র সর্বশেষ নোটিফিকেশনের তথ্য সংযোজনের ক্ষেত্রে  আমাদের (শেয়ার বাজার নিউজডটকম) কিছুটা তথ্যগত ত্রুটি ছিল। আমরা এজন্য আন্তরিকভাবে দু:খিত- সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top