দীর্ঘ হবে ২০১৫ সাল!

Watchশেয়ারবাজার রিপোর্ট: সময় ও নদীর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সময়ের কাঁটা এবং নদীর স্রোতের কোনো হেরফের হয় না বলেই এমনটি বলা হয়ে থাকে। তবে, ২০১৫ সালে চমকপ্রদ হেরফের ঘটবে সময়ের। অন্য বছরের চেয়ে এক সেকেন্ড দীর্ঘ হবে এ বছর। ১৯৭২ সালের পর থেকে এটি হবে ২৬তম ঘটনা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের চারদিকে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীর ধীরগতির কারণে এ সময় ক্ষতিপূরণ গুনবে বছরটি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী ৩০ জুন দুপুরে ঘড়ির কাঁটায় ১১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের এক সেকেন্ড পর ১২টা বাজার পরিবর্তে ১১টা ৫৯ মিনিট ৬০ সেকেন্ড হবে!

প্যারিস অবজারভেটরি অ্যান্ড দ্য ইন্টারন্যাশনাল আর্থ রোটেশন সার্ভিসের (আইআরএস) পক্ষ থেকে বিশ্ববাসীকে ওইদিন এক সেকেন্ড সময় যোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ধীরগতির কারণে পৃথিবী প্রতিদিন পিছিয়ে যাচ্ছে। পারমাণবিক সময়ের (অ্যাটমিক টাইম) সঙ্গে পৃথিবীর সময়ের সামঞ্জস্য আনতে এ সময় যোগ করতে হবে বলে জানান বিজ্ঞানীরা। কমে যাওয়া সময়ে সামঞ্জস্য আনতে ৩০ জুন বা ৩১ ডিসেম্বরকে বেছে নেওয়া হয়। ১৯৭২ সালের ৩০ জুন সর্বপ্রথম এ সময় যোগ করা হয়।

মার্কিন নৌবাহিনীর পর্যবেক্ষক নিক স্টামাটাকোস বলেন, পৃথিবী কিছুটা ধীরগতিতে চলছে। এক সেকেন্ড সময় যোগের বিষয়কে ইউটিসি (কোঅর্ডিনেটেড ইউনিভার্সেল টাইম) বলা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পারমাণবিক সময়ের (অ্যাটমিক টাইম) সঙ্গে পৃথিবীর সময়ের মিল করতেই এমনটি করা হয়। ওইদিন অর্থাৎ ৩০ জুন ৮৬ হাজার ৪০০ সেকেন্ডের পরিবর্তে ৮৬ হাজার ৪০১ সেকেন্ড হবে। আপনার, আমার নয়- সবার জন্যই দিনটি এক সেকেন্ড বেশি হবে। এমন সময় ক্ষতিপূরণ অব্যাহত থাকলে আগামী ২১০০ সাল নাগাদ এ পার্থক্যের সময় দাঁড়াবে দুই থেকে তিন মিনিট। আর ২৭০০ সাল নাগাদ তা আধঘণ্টায় পৌঁছবে। সর্বশেষ ২০১২ সালে সময়কে এমন ক্ষতিপূরণ দিতে হয়।

শেয়ারবাজার/অ

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top