তথ্যপ্রযুক্তিতে পুঁজি দেবে কেন্দ্রিয় ব্যাংক

IMG_20150108_131908শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করতে কেন্দ্রিয় ব্যাংক পুঁজি ও সহায়তা দেবে। এ ক্ষেত্রে লেনদেনগুলোকে ত্বরান্বিত করতে কোনো ধরনের বাধা থাকবে না বলে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রিয় ব্যাংকের গভর্নর ড.আতিউর রহমান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ব্যাংক এশিয়ার সাথে অনলাইন পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার পাইওনিয়ার এর যৌথ উদ্যেগে নতুন সেবা সংযোজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক “ব্যাংক এশিয়া” সম্প্রতি অনলাইন পেমেন্ট সার্ভিস সিস্টেম পাইওনিয়ারের সাথে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর নতুন সেবা কার্যক্রম চালুর ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়। এ সেবা কার্যক্রমের মাধ্যেমে যেকোনো ব্যাক্তি বিশেষ করে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা সহজে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন করতে পারবে। মুলত, দেশের ক্রমবর্ধমান ফ্রিল্যান্সার যারা উল্লেখযোগ্য পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছেন, তারা যেন আরও সহজে লেনদেন করতে পারে সে লক্ষ্যেই এ সেবা কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে।
আতিউর বলেন, এ সেবার মাধ্যেমে একদিকে যেমন দেশে টাকা উত্তোলন করা যাবে, এর পাশাপাশি একাউন্টের ৫০ শতাংশ অর্থ দেশের বাইরে যেকোনো প্রয়োজনে ব্যাবহার করা যাবে। এর আগে ২০১২ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘পেইজা’র সুবিধা সংযোজন করে। এ সেবা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কার্যকর না হওয়ায় এবং জনপ্রিয়তা না পাওয়ায় ব্যাংক এশিয়া দ্বিতীয় সংযোজন হিসেবে পাইওনিয়ারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হলো।
গভর্নর বলেন, ‘যে যাই বলুক না কেন বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে এবং তা জোর কদমে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উদ্যেক্তাদের সাফল্যই বাংলাদেশের সাফল্য। সামনের দিনগুলোতেও আইটি খাতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা পুঁজি দেব, সহায়তা দেব।’ এছাড়াও দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও সুবিধাজনক করতে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং ব্যাবস্থাকে  আমরা আরও গ্রাহক বান্ধব করার লক্ষ্যে আমরা গ্রাহক সেবা ও অভিযোগ কেন্দ্র চালু আছে। গত বছর আমরা এমন প্রায় ৭ হাজার অভিযোগ এসেছে।’ দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সারদের প্রশিক্ষণ ও পুঁজি দেয়ার মাধ্যেমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ আরও প্রসারিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ ব্যাংকার।
সভায় বেসিস প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ২০১১ সালে দেশে প্রশিক্ষিত ফ্রিল্যান্সার ছিলো মাত্র ২৫ হাজার যা ৫ বর্তমানে ২ লাখ ৫০ হাজাওে এসে পৌঁছেছে। এমনকি গত ২০১৪ অর্থবছরে শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যেমে প্রায় ২০ কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরও ১ লাখ লোককে প্রশিক্ষিত করার লক্ষ্য নিয়ে বেসিস কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান আ. রউফ চৌধুরী, পাইওনিয়ার এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্কট এইচ গ্যালিট, বেসিস প্রেসিডেন্ট শামিম আহসান ও প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

শেয়ারবাজার/শি/অ

আপনার মন্তব্য

*

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Top