তিন মাস বাকি থাকতেই আইপিও ঘাটতি পরিপূর্ণ

IPO_SharebazarNewsশেয়ারবাজার রিপোর্ট: অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে বিএসইসি’র বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তিতে (২০১৬-১৭ অর্থবছর ) ১১টি আইপিও ইস্যু করার নির্দেশনা রয়েছে। এখনো এ চুক্তি পরিপূর্ণ করতে তিন মাস সময় রয়েছে। আর ইতিমধ্যেই ১২টি ইস্যু পুঁজিবাজারে এনে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।  বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তিতে মূলধন উত্তোলনের বিষয়ে বলা হয়েছে ১১টি সিকিউরিটিজ ইস্যু করতে হবে। যা পূরণ হলে এর পারফরমেন্স হবে অসাধারণ এবং শতভাগ। যদি ১০টি অনুমোদন করা হয় তা হবে ৯০ শতাংশ এবং অতি উত্তম, ৯টি হলে ৮০ শতাংশ এবং উত্তম, ৮টি হলে ৭০ শতাংশ এবং চলতি মান। যদি ৭টি সিকিউরিটিজ ইস্যু হয় তবে তা হবে ৬০ শতাংশ এবং চলতি মানের নিচে। সেই হিসেবে টার্গেট ছিল ১১টি সিকিউরিটিজ ইস্যু এবং সর্বশেষ সীমা ৭টি।

এদিকে চলতি অর্থ বছরে (২০১৬-১৭) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা মোট ১২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪টি কোম্পানিকে আইপিও’তে ১৭৩ কোটি ২৫ লাখ ও ৮টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে ২৪৬ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে। যার মাধ্যমে মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও কোম্পানিগুলো শেয়ারবাজার থেকে মোট ৪১৯ কোটি ২৫ টাকার পুঁজি উত্তোলন করার সুযোগ পায়।‍

চলতি অর্থ বছরে আইপিও অনুমোদন পাওয়া ৪টি কোম্পানি হল: ফরচুন সুজ, প্যাসিফিক ডেনিমস, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড। অন্যদিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে- আইসিএল ব্যালেন্সড ফান্ড, এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ড, ভ্যানগার্ড এএমএল রুপালী ব্যাংক ব্যালেন্সডর্ ফান্ড, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, ৭ম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইউএফএস প্রগতী লাইফ ইউনিট ফান্ড, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড, এবং প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

আলোচিত সময়ে আইপিও’তে আসা কোম্পানিগুলোর মধ্যে চামড়া খাতের কোম্পানি ফরচুন সুজ লিমিটেডকে বিএসইসি’র ৫৭৯ তম সভায় আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন হয় ২৯ জুন ২০১৬ এবং অর্থ সংগ্রহের সম্মতিপত্র দেয়া হয় ১৯ জুলাই ২০১৬ তারিখে।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে মোটি ২ কোটি ২০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। আর অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি। আর উত্তোলিত টাকা দিয়ে ভবন নির্মাণ, মেশিন ও সরঞ্জাম ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করার কথা রয়েছে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

বিএসইসি’র ৫৮২ তম সভায় আইপিও মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে বস্ত্র খাতের কোম্পানি প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড’কে মোট ৭৫ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোম্পানিটি আইপিও অনুমোদন দেয়া হয় ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ এবং অর্থ উত্তোলনের জন্য সম্মতিপত্র দেয়া হয় ১০ নভেম্বর ২০১৬। যার মাধ্যমে প্যাসিফিক ডেনিমস পুঁজিবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

আইপিও’র সময় কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার অভিহিত মূল্যে ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করা হয়। আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যবসা সম্প্রসারণ, (পূর্ত নির্মাণ এবং যন্ত্রপাতি ক্রয়) ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করার কথা। উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

বিএসইসি ৫৮৯তম সভায় শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটিকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয় ১৫ নভেম্বর ২০১৬ এবং অর্থ উত্তোলনে সম্মতিপত্র দেয়া হয় ৮ ডিসেম্বর ২০১৬।

অনুমোদন অনুযায়ী অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি। শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পুঁজিবাজারে মোট ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। আর উত্তোলিত অর্থ ওয়াশিং প্লান্ট ভবন নির্মাণ, ব্যবসা সম্প্রসারণ, মেশিন ও সরঞ্জামদি ক্রয়, ইটিপি সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করার কথা। উল্লেখ্য, এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

বিএসইসি’র ৫৯৪ তম সভায় নতুন আইনে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেডের আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোম্পানিটিকে ২১ ডিসেম্বর ২০১৬ বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইলেক্ট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারনের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। যার অর্থ উত্তোলনের সম্মতিপত্র এখনো বিএসইসি দেয়নি।

আইপিও’র মাধ্যমে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড মোটি ৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থ কোম্পানির বিএমআরই, ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা, দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াই-ফাই হটস্পট প্রতিষ্ঠা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যায় করার কাথা রয়েছে। উল্লেখ্য, কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

অন্যদিকে, চলতি অর্থ বছরে অনুমোদন পাওয়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে- বিএসইসি’র ৫৮০তম সভায় দুইটি বে-মেয়াদী ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়েছে। ফান্ড দুটি হল: আইসিএল ব্যালেন্স ফান্ড এবং এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ড। এর মধ্যে আইসিএল ব্যালেন্স ফান্ড এর সম্মতিপত্র দেয়া হয় ৭ আগস্ট ২০১৬ এবং এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ড এর সম্মতিপত্র দেয়া হয় ১০ আগস্ট ২০১৬।

ফান্ড দুটির মধ্যে আইসিএল ব্যালেন্স ফান্ডের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এর উদ্যোক্তার অংশ ২ কোটি টাকা এবং সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্ধ রাখা হয়েছে ৮ কোটি টাকা। বিনিয়োগকারীদের জন্য রাখা ৮ কোটি টাকা ইউনিট বিক্রয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে এবং এর ফেসভ্যালু ১০ টাকা। এ ফান্ডের উদ্যোক্তা ও সম্পদ ব্যবস্থাপক ইমপ্রেস ক্যাপিটাল লিমিটেড, ট্রাস্টি: বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি) এবং কাস্টডিয়ান: ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।

এছাড়া এটিসি শরিয়াহ ইউনিট ফান্ডের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এর উদ্যোক্তার অংশ ১ কোটি টাকা এবং সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্ধ রাখা হয়েছে ৯ কোটি টাকা। বিনিয়োগকারীদের জন্য রাখা ৯ কোটি টাকা ইউনিট বিক্রয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে এবং এর ফেসভ্যালু ১০ টাকা। এ ফান্ডের উদ্যোক্তা: এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ফিমিটেড, সম্পদ ব্যবস্থাপক: এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার্স এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান: ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

বিএসইসি’র ৫৮১ তম সভায় ভ্যানগার্ড এএমএল রুপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড এর অনুমোদন করা হয়। ফান্ডটিকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয় ২ আগস্ট ২০১৬ এবং এর সম্মতিপত্র দেয়া হয় ১৭ আগস্ট ২০১৬। অনুমোদন অনুযায়ী ফান্ডটির আকার হবে ২০০ কোটি টাকা এবং মেয়াদ হবে ১০ বছর।

এর মধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা রুপালী ব্যাংকের অংশ ৪০ কোটি টাকা এবং প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে আগেই উত্তোলন করা হয়েছে ৬৫ কোটি টাকা। অবশিষ্ট ৯৫ কোটি টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্ধ রাখা হয়েছে, যা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (IPO) মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়।

জানা যায়, ফান্ডটির  সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ভ্যানগার্ড এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। উদ্যোক্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি রুপালী ব্যাংক লিমিটেড। ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

বিএসইসি’র ৫৮২তম কমিশন সভায় সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এর অনুমোদন দেওয়া হয়। ফান্ডটিকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয় ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ এবং সম্মতিপত্র দেয়া হয় ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬।

অনুমোদন অনুযায়ী ফান্ডটি’র আকার ১০০ কোটি টাকা এবং প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা অংশের ১০ কোটি টাকা এবং প্রি-আইপিও প্লেসমেন্ট এর মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা সহ মোট ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বাকী ৭০ কোটি টাকা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সকল বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা ও সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছে যথাক্রমে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) এবং সিএপিএম (ক্যাপিটাল এন্ড অ্যাসেট পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট) কোম্পানি লিমিটেড। ফান্ডটির ট্রাস্টি ও জিম্মাদার হিসেবে কাজ করবে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

বিএসইসি’র ৫৮৩ তম কমিশন সভায় ৭ম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন দেওয়া হয়। ফান্ডটিকে আইপিও অনুমোদন এবং সম্মতিপত্র দেয়া হয় ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬।

কিছু সংশোধনীসহ (কনভারসন গাইডলাইন অনুসরণ করার কারণে) এ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করে কমিশন। আর এসব কারণে ফান্ডটি মেয়াদি থেকে বেমেয়াদিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ৭ম আইসিবির ফান্ডের টার্গেট সাইজ ৪৭ কোটি টাকা।

এ ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক ও ট্রাস্ট্রি হিসাবে কার্যরত আছে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ(আইসিবি) এবং রূপান্তরিত ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে আইসিবি অ্যাসেটম্যানেজমেন্ট কোম্পনি লিমিটেড।

 ইউএফএস প্রগতি লাইফ ইউনিট ফান্ড’কে বিএসইসি’র ৫৮৫ তম কমিশন সভায় আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। ফান্ডটির প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয় ১৮ অক্টোবর এবং সম্মতিপত্র দেয়া হয় ১ নভেম্বর।

ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা, যার মধ্যে উদ্যোক্তার অংশ ১ কোটি টাকা এবং সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্ধ রাখা হয়েছিল ৯ কোটি টাকা। ফান্ডটির ফেসভ্যালু ছিল ১০ টাকা।

ফান্ডটির  উদ্যোক্তা হিসেবে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ইউনিভার্সের ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশন লিমিটেড। ট্রাস্টি হিসেবে বাংলাদেশে জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে লিমিটেড এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড।

বিএসইসি’র ৫৮৬ তম কমিশন সভায় সভায় এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে। ফান্ডটির প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয় ৩০ অক্টোবর ২০১৬ এবং সম্মতিপত্র দেয়া হয় ১৩ নভেম্বর ২০১৬।

জানা যায়, ১০ বছর মেয়াদি এ ফান্ডের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তার অংশ ৫০ কোটি টাকা। প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ২৫ কোটি টাকা আগেই উত্তোলন করা হয়েছে। বাকি ২৫ কোটি টাকা সকল বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ রাখা ছিল। যা আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।

ফান্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ১০ টাকা। এর উদ্যোক্তা ও সম্পদ ব্যবস্থাপক যথাক্রমে ইসলামীব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং স্ট্র্যাটেজিক ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড (এসইএমএল)। আর ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

বিএসইসির ৫৮৭ তম কমিশন সভায় প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড এর অনুমোদন দেয়া হয়। ফান্ডটিকে ১৪ নভেম্বর ২০১৬ এর প্রসপেক্টাস অনুমোদন দেয়া হয়, আর সম্মতি পত্র দেয়া হয় ৭ ডিসেম্বর ২০১৬।

প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তার অংশ ২০ কোটি টাকা এবং সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্ধ রাখা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। ফান্ডটির ফেসভ্যালু ধরা হয়েছে ১০ টাকা।

ফান্ডটির উদ্যোক্তা হিসেবে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে প্রাইম ফাইন্যান্সে এ্যাসেস্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ (আইসিবি)।

শেয়ারবাজারনিউজ/রু/ম.সা

আপনার মন্তব্য

Top